কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

কর্ণফুলীর মোহনায় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি

প্রকাশিত : ৬ ডিসেম্বর ২০১৪
কর্ণফুলীর মোহনায় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি

মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ অগ্রহায়ণের প্রায় শেষলগ্ন। আর মাত্র ১০ দিন পরই পৌষের শীত শুরু হচ্ছে। এরই মধ্যে অতিথি পাখি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনা তথা বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছে, বিচরণ করছে স্বাচ্ছন্দ্যে। দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে ফিরছে পাখির ঝাঁক। শীত যত বাড়বে পাখির কলতান লেক ও নদী এলাকায় তত বেশি শোনা যাবে, দেখা যাবে হরেক রকম অতিথি পাখি।

খাল-বিল, নদী বেষ্টিত এলাকাগুলোতে এখনই অতিথি পাখি শিকার শুরু করে দিয়েছে একটি চক্র। তবে কর্ণফুলী নদীর মোহনা এবং গভীর সমুদ্রে অতিথি পাখির অবস্থান এখনও অবিচল। সূর্যোদয়ের আগে কর্ণফুলী তৃতীয় সেতুর কাছেই দেখা যায় বকের সারি। সাদা বক উড়ে উড়ে নদীর এপার থেকে ওপার পাড়ি দিচ্ছে। শিকার করে চলছে নাগালে থাকা ছোট মাছ। তবে সেখানে অসাধু শিকারির অবস্থান না থাকায় সাদা বক প্রতিনিয়ত শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে হাজির হয়। শুক্রবার সকালে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় গিয়ে দেখা যায়, ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। এসব পাখির মধ্যে কেউ কেউ মাছ শিকারে ব্যস্ত। আবার একদল ঘুরে বেড়াচ্ছে কাদামাটি আর জলে। এ সময় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় পর্যটকদের ভিড় থাকে না। ফলে পাখির কলতান আর ওড়াউড়ি অনেকটা স্বাধীনচিত্তেই হচ্ছিল। নদীর কোল ঘেঁষে এমনকি বঙ্গোপসাগর ও কর্ণফুলীর মিলনস্থলে উড়ন্ত হাজারো গাংচিল নজর কেড়েছে ওই এলাকার মানুষের।

কর্ণফুলী নদীর মোহনায় রয়েছে নেভাল একাডেমির একটি দফতর। চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ নম্বর জেটির পর আঁকাবাঁকা সড়ক চলে গেছে কর্ণফুলীর মোহনায়। এ সড়কে রয়েছে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান এমনকি শেষ প্রান্তে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর। এ বিমানবন্দরের কাছেই প্রাকৃতিক অবয়বে গড়ে উঠেছে প্রজাপতি পার্ক। সেখানেও পর্যটকদের ভিড় থাকে। কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রজাপতি প্রজনন ও দর্শনীয় পার্ক। দেশের আর কোথাও এ ধরনের পার্ক না থাকায় এখানে দর্শনার্থীদের ভিড় একটু বেশিই। এরই মাঝে আবার অতিথি পাখির কলরবে মুখরিত পুরো এলাকা। মাঝি নৌকা বইছে আর লাইটার জাহাজগুলো ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে গন্তব্যের যাত্রায়। এসব লাইটার জাহাজ ছাড়াও ডিঙ্গি নৌকা, সাম্পান, ফিশিং বোট, ট্রলার এসব অতিথি পাখির গা ঘেঁষে চললেও কারোই এদের প্রতি কোন বিরোধিতা নেই। ফলে আপন মনে উড়ে বেড়াচ্ছে এসব অতিথি পাখি। ওই এলাকা যারাই প্রদক্ষিণ করছে প্রত্যেকেরই নজর কাড়ছে এসব অতিথি পাখি। শুধু সেখানেই নয়, নগরীর প্রাণকেন্দ্রে থাকা ফয়’স লেকেও এখন অতিথি পাখির বিচরণক্ষেত্র।

প্রকাশিত : ৬ ডিসেম্বর ২০১৪

০৬/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: