মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অবৈধ ও নিম্নমানের হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে ॥ নাসিম

প্রকাশিত : ৪ ডিসেম্বর ২০১৪

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অবৈধ ও নিম্নমানের হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, দেশের জনগণের নিরাপদ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর বর্তমান সরকার। অবৈধ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিন। সকলে আমাদের সহযোগিতা করুন। নতুন নতুন হাসপাতাল নির্মাণ ও পরিচালনায় এগিয়ে আসুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন বিনা টাকায় দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিন।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ আয়োজিত দু’দিনব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক নিউরোলজি সেমিনার-২০১৪’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এম এ মান্নান, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণগোপাল দত্ত, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক প্রমুখ।

বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য সেক্টরের উন্নয়নের কিছু অংশ তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বর্তমান স্বাস্থ্য সেক্টরের উন্নয়নের চিত্র আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে স্বাস্থ্যসেবা। স্বল্প খরচে হাতের কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ। রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে উন্নত মানের সেবা দেয়া হচ্ছে। দেশে এ ধরনের হাসপাতাল অনেক তৈরি করতে হবে। যাদের সামর্থ্য রয়েছে তাঁদের নিজ নিজ দায়িত্ববোধ থেকে এ কাজ করতে হবে। আরও নিউরো সায়েন্স হাসপাতাল তৈরি করা হবে। মোহনার মতো ক্লিনিক দেখলে কষ্ট পাই। দায়িত্বহীন চিকিৎসক এবং ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে। জনগণের স্বার্থ দেখতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামে পাঠানো সব চিকিৎসক নিজ নিজ জায়গায় কাজ করছেন। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কোন অভিযোগ আসেনি। সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এ ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

সম্মেলনে বক্তারা জানান, দেশে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্কট রয়েছে রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হলে এ সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। তাঁরা জানান, দেশের হাসপাতাগুলোর জরুরী বিভাগে ভর্তি হওয়া রোগীর ১৫ থেকে ২০ ভাগই হলো তীব্র স্ট্রোকের রোগী। দেশে বার্ধক্যজনিত স্ট্রোক, পার্কিনসন্স, বার্ধক্যজনিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০২০ সাল নাগাদ দেশে স্ট্রোক, বিভিন্ন ধরনের পার্কিনসন্স এবং বার্ধক্যজনিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া রোগীর সংখ্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

প্রকাশিত : ৪ ডিসেম্বর ২০১৪

০৪/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: