মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল সংঘাত ॥ অস্থির আট ক্যাম্পাস

প্রকাশিত : ৩ ডিসেম্বর ২০১৪
ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল সংঘাত ॥ অস্থির আট ক্যাম্পাস
  • ইউজিসির উদ্বেগ
  • বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল অবিলম্বে খুলে দেয়ার আহ্বান
  • নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম চালালে পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা

বিভাষ বাড়ৈ ॥ ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, সংঘাত, সংঘর্ষ, ছাত্র-শিক্ষক ধর্মঘটসহ নানা ইস্যুতে জড়িয়ে পড়েছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এই মুহূর্তে অন্তত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সামাল দিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘ বন্ধের পর খুললেও উত্তেজনা না কাটায় সংঘাতের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে। কোথাও ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফলে হত্যাকা- আবার কোথাও শিক্ষক হত্যা ও বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে অবরোধ, ভাংচুর, ধর্মঘট। আবার কিছুদিন পর পরই নানা দাবিতে ধর্মঘট করছেন কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এদিকে এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অচলাবস্থা ছাড়া নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিশন একই সঙ্গে বন্ধ ঘোষণা করা ক্যাম্পাস ও হল খুলে দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ছাত্র হত্যাসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অরাজকতার প্রেক্ষাপটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে মঞ্জুরি কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কে আজাদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, যারা অচলাবস্থা ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে তাদের পুরস্কৃত করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা, গবেষণাসহ সার্বিক বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। বাজেট ও উচ্চ শিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়াসহ বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করা হবে তাদের। কর্তৃপক্ষকে বলছি, আপনারা দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করুন। এ জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানিয়েছেন চেয়ারম্যান। জানা

গেছে, এই মুহূর্তে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনের কারণে দেশের বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। একযোগে অস্থিরতা বিরাজ করছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সর্বশেষ রবিবার ক্যাম্পাসে বাসচাপায় ছাত্র নিহতের জেরে বিক্ষোভ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কুষ্টিয়ার বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। বাসচাপায় তৌহিদুর রহমান টিটু নামের এক ছাত্র নিহত হয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। রবিবার বেলা ১২টার দিকে চতুর্থ শিফটের বাসগুলো ক্যাম্পাস ত্যাগ করার সময় প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুতে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সহপাঠীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি গাড়িতে আগুন ও ৫টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৫০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে ৩০ শিক্ষার্থী আহত হন। এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের ইবি চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের নির্লিপ্ততার কারণে পুলিশ গুলি চালিয়েছে অভিযোগ তুলে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে রবিবারই জরুরী সিন্ডিকেটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গাড়ি ভাংচুর ও আগুন দেয়ার প্রতিবাদে পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছেন পরিবহন মালিকরা। ধর্মঘটের মধ্যেই সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় হল ছেড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বাংলা বিভাগের ছাত্র রাজেশ বলছিলেন, আমার বাড়ি ফরিদুপর। ঈদের পর মাত্র ক’দিন আগে ক্যাম্পাসে এসেছিলাম, এরই মধ্যে আবার বাড়ি ফিরতে হয়েছে। এই শিক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করে বলছিলেন, এমনিতেই প্রায়ই নানা দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকে। ঠিকভাবে ক্লাস হয় না। তার ওপর এখন আবার অচলাবস্থা। বাস চলাচল করার বিষয়েও একটা সুরাহা হওয়া দরকার বলে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এ শিক্ষার্থী।

এর আগে গত ২০ নবেম্বর সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হন। আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ অন্তত ২৫ জন। ছাত্রলীগের অঞ্জন-উত্তম ও পার্থ-সবুজ গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ক্যাম্পাস পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই দিনই অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। নিহত সুমন চন্দ্র দাস সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার সামারচর গ্রামের হারাধনের ছেলে। সংঘর্ষ চলাকালে তিনি অঞ্জন-উত্তম গ্রুপের হয়ে শাবিতে গিয়েছিল। ওই ঘটনায় আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায়, শাবি ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র অঞ্জন রায়, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র খলিলুর রহমান, হুসাইন মোহাম্মদ সাগর আবদুস সালাম মঞ্জু, নজরুল, সেলিম, আহাদ ও মিজান। ক্যাম্পাস এখন অনেকটাই ফাঁকা। ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ। ভর্তি কার্যক্রম চললেও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জানা গেছে, শাবি ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি অঞ্জন রায় ও সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য উত্তম কুমার দাস গ্রুপের সঙ্গে শাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ ও যুগ্ম সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সবুজ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল কিছুদিন ধরেই। ঘটনার দিন উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকাল দশটায় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপ আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা ছাড়াও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে প্রায় ২৫ জন আহত হন। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের পক্ষ নিয়ে বহিরাগত ক্যাডাররা অংশ নেন। এর মধ্যে সুমন আহমদ নামের এক বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. একেএম শফিউল ইসলাম হত্যাকা-ের ঘটনায় ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল বেশ ক’দিন। নৃশংস এই হত্যার বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী পালন করছেন। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে শিক্ষক সমিতি ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দেয়। হত্যাকা-কে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজে (দিমেক) পাল্টপাল্টি কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের ১৪ নবেম্বরের সংঘর্ষ নিয়ে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ আগামী ৩ মাসের জন্য দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ছাত্রলীগের (দিমেক) কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে গত বুধবার থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে।

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি টানা ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ধর্মঘট পালন করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠান খুললেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও বহিরাগতদের গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে এবং দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে সম্প্রতি ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, বিক্ষোভ-সমাবেশ এবং মানববন্ধন পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাস খুললেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শঙ্কা এখনও কাটেনি। গত ১০ সেপ্টেম্বর শিক্ষকদের বাসে বোমা নিক্ষেপ করেছিল জামায়াতী সংগঠন ছাত্র শিবিরের ক্যাডাররা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবিতে প্রায় দেড় মাস তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে অচল করে রাখে। এর আগে গত ১৪ মে ছাত্রলীগের অন্তর্কোন্দলের জের ধরে প্রায় দুই সপ্তাহ লাগাতার পরস্পরবিরোধী অবরোধ কর্মসূচীতে ক্যাম্পাসকে অচল করে রাখে ছাত্রলীগের একাংশ। ফলে ঈদ-উল-আযহার ছুটির নির্ধারিত সময়ের আগেই টানা ৪৩ দিন বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়। গত ৯ নবেম্বর ক্যাম্পাস খোলার প্রথম দিনেই ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের জের ধরে আবারও অবরোধের ডাক দেয় ছাত্রলীগের একাংশ। ১০ নবেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন ও শিক্ষক বাস বন্ধ করে রাখে ছাত্রলীগের একটি পক্ষ। চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হলেও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত হয়নি আতঙ্কের কারণে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নাইমুল ইসলাম রিয়াদ খুনের অন্যতম আসামি সুব্রত বিশ্বাসকে আটক করার ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, পরিস্থিতি বিরূপ হলে তাঁরা আন্দোলনে যাবেন।

এদিকে একের পর এক সংঘাত-সংঘর্ষে উদ্বিগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একই সঙ্গে কমিশন সংঘাত, সংঘর্ষ, ছাত্র-শিক্ষক ধর্মঘটসহ অচলাবস্থার ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অরাজকতার প্রেক্ষাপটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কে আজাদ চৌধুরী বিভিন্ন ভার্সিটির ক্যাম্পাস ও হল বন্ধের ঘোষণা সম্পর্কে বলেন, ইউজিসির আহ্বান দ্রুত হল ও ক্যাম্পাস খুলে দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিন। এ জন্য সব ধরনের সহযোগিতা কমিশন করবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অচলাবস্থা ছাড়া স্বাভাবিকভাবে চলা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করবÑএটা সকলের মনে রাখা উচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পুরস্কার পাবে। এভাবে যারা পরিচালনা করতে পারবে তারা পুরস্কার পাবে। আমরা রেটিংয়েরও চিন্তা করছি। যারা ভাল করতে পারবে না তারা রেটিংয়েও পিছিয়ে পড়বে। এ কথা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়কেই মনে রাখতে হবে।

প্রকাশিত : ৩ ডিসেম্বর ২০১৪

০৩/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: