কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

দক্ষিণ কোরীয় ক্যাপ্টেনের ৩৬ বছর জেল

প্রকাশিত : ১২ নভেম্বর ২০১৪
  • ফেরি দুর্ঘটনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় সাত মাস আগে ডুবে যাওয়া ফেরি দুর্ঘটনায় ক্যাপ্টেনকে সেদেশের একটি আদালত মঙ্গলবার ৩৬ বছরের কারাদ- দিয়েছে। অবহেলা ও দুর্ঘটনাকালে যাত্রীদের ছেড়ে যাবার অপরাধে তাকে এই দ- দেয়। দুর্ঘটনায় ৩শ’য়ের বেশি যাত্রী মারা যায়। যাদের অধিকাংশ ছিল অল্প বয়সী শিশু-কিশোর। খবর এপি অনলাইনের।

দুর্ঘটনার রায় এরকম হবে বলে প্রত্যাশিত ছিল। এটি ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ নৌ দুর্ঘটনা। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তারা ফেরির ক্যাপ্টেন লি জুন সুয়ুকের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করে আসছিলেন। রায় ঘোষণার পর তারা তীব্র প্রতিবাদ জানান। দুর্ঘটনার শিকার এক ব্যক্তির আত্মীয় বলেন, ‘আপনি কি জানেন কতগুলো শিশু এ দুর্ঘটনায় মারা গেছে?’ ক্যাপ্টেন লি’র কোন আচরণের ফলে এতগুলো প্রাণহানি ঘটেছে তা সঠিকভাবে নিরূপণ সম্ভব নয় বলে দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্য গুয়াংজু ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট নরহত্যার অভিযোগ থেকে খালাস দেয়। ব্যাপক প্রত্যাশা ছিল যে, তাকে মৃত্যুদ- দেয়া হবে। দ-িত ক্যাপ্টেন দুর্ঘটনার সময় যাত্রীদের নেমে যাওয়ার জন্য জরুরী নির্দেশ জারি করেছিলেন বলেও আদালতের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৯৭ সাল থেকে দেশটিতে কারও মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়নি। আদালত ফেরির প্রধান প্রকৌশলীকে ৩০ বছর ও অপর ১৩ জনকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেয়। দু’জন আহত সহকর্মীকে বিপদের মুখে ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রকৌশলী পার্ক কি-হোর বিরুদ্ধে নরহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল। তাকেসহ দুজন ক্রু’কে আদালত ওই অভিযোগ থেকে খালাস দিয়ে তাদের ১৫ এবং ২০ বছরের কারাদ- দেয়। উচ্চ আদালতে আপীল করার জন্য দ-প্রাপ্তরা ১ সপ্তাহ সময় পাবেন বলে আদালত জানিয়েছে। ডুবে যাওয়া ফেরিটিতে ৪৭৬ জন আরোহী ছিলেন। যাদের অধিকাংশই ছিল স্কুল শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ১৭২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ফেরিটি ডুবে যাওয়ার ৭ মাস পর তাদের উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করে।

প্রকাশিত : ১২ নভেম্বর ২০১৪

১২/১১/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: