আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত : ৭ নভেম্বর ২০১৪

বাঙালী জাতির মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিবেদিত অসাম্প্রদায়িক নারী প্রগতির অন্যতম পথিকৃৎ চিকিৎসাবিদ অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ নবেম্বর। বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজী ছিলেন এক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। সমাজ সচেতন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সীমাবদ্ধতা ভেদ করে নারী জাগরণে যে ক’জন মহিয়সী নারী অবদান রেখেছেন তার মধ্য অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজী অন্যতম। ১৯৩৫ সালে দিল্লির লেডী হাডিং মেডিক্যাল কলেজ ফর ওমেন হতে এমবিবিএস-এ প্রথম স্থান পেয়ে সম্মানজনক ‘ভাইস রয়’ পদকে ভূষিত হন তিনি।

প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক হিসেবে তিনি যে অবদান রেখেছেন তা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। তিনি ছিলেন সেবা ধর্মের প্রতীক। আমাদের দেশে স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করে গেছেন তিনি। গরীব অনেক ছাত্রছাত্রীকে লেখাপড়ার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি।

অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনোলজি বিভাগের প্রধান ছিলেন। তাছাড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অনারারী কর্নেল, বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করেছেন।

এই মহিয়সী চিকিৎসা বিজ্ঞানীকে তাঁর সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম রোকেয়া পদক, একুশে পদক, বিএমএ স্বর্ণপদকে সম্মানিত করা হয়। আর্তমানবতার সেবায় এই প্রথিতযশা চিকিৎসা বিজ্ঞানীর অবদান প্রাতঃস্মরণীয়।

অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজী আজ আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর কর্মময় জীবন, মানবিক গুণাবলী ও তাঁর মহৎ জীবনের আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে দেবার জন্য তাঁর আদর্শের অনুসারী ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন পেশার নাগরিকগণ গঠন করেছেন, ‘অধ্যাপক ডাঃ জোহরা বেগম কাজী ফাউন্ডেশন’। Ñবিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত : ৭ নভেম্বর ২০১৪

০৭/১১/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: