রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

তিন শিল্পী পেলেন আজীবন সম্মাননা

প্রকাশিত : ২ নভেম্বর ২০১৪

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশীয় সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন কিংবদন্তি তিন শিল্পী আব্দুল জব্বার, ফকির আলমগীর ও ফেরদৌস আরা। উদীয়মান বাংলাদেশের ৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের তিন গুণী শিল্পীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায়। সাবেক তথ্য সচিব ও সংগঠনের উপদেষ্টা মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন শিল্পী আবদুর জব্বার, শিল্পী ফকীর আলমগীর, কবি আব্দুল খালেক, বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ফেরদৌস আরা, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর মহাসচিব ড. মোঃ শাহজাহান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তপন কুমার নাথ, রাজউকের উপদেষ্টা রোকনুদৌলা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সতীশ চন্দ্র রায় বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের গান শুনে আমরা উত্তেজিত হতাম। মনে হতো এখনই যুদ্ধে নেমে যাই। তিনি বলেন, আমাদের দেশে ৪৩ বছরেও এ শিল্পীদের আমরা মূল্যায়ন করতে পারিনি, এটা সত্য। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সামরিক সরকারগুলো যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে আঁতাত করে স্বাধীনতার গৌরবের ইতিহাসকে আড়াল করতে গিয়ে এই কণ্ঠ যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারেনি। এ ব্যর্থতা আমাদের সবার। শিল্পী আবদুর জব্বার বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আমরা একাত্তরে কণ্ঠ দিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম। স্বাধীন দেশে অনেকের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এক শ্রেণীর লোক রাতারাতি বড়লোক হয়েছে। কিন্তু এদেশের শিল্পী সাহিত্যিকরা এখনও অবহেলিতই রয়ে গেছে। এ সময় তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের যে শিল্পীরা মারা গেছেন তাদের পরিবারকে দেখার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানান।

শিল্পী ফকীর আলমগীর বলেন, যাদের জন্য আমরা এই দেশ পেয়েছি সেই ভাসানী, শেরে বাংলা, ওসমানীকে আজ ঢাকা শহরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আজ পোস্টারে বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমানের ছবি ছোট করে দেখানো হচ্ছে।

প্রকাশিত : ২ নভেম্বর ২০১৪

০২/১১/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: