Daily Janakantha http://www.dailyjanakantha.com Read our Online news, within moment. en-us 2018-01-23T04:00:35+0000 শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323189/শ্রীপুরে-স্ত্রীর-সঙ্গে-অভিমান-করে-স্বামীর-আত্মহত্যা http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323189/শ্রীপুরে-স্ত্রীর-সঙ্গে-অভিমান-করে-স্বামীর-আত্মহত্যা 2018-01-23T09:52:14+0000 Daily Janakantha স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে এক ব্যক্তি মঙ্গলবার আত্মহত্যা করেছে। নিহতের নাম মিরাজ উদ্দিন। সে ...

শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা

 

দেশের খবর

Daily Janakantha


স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে এক ব্যক্তি মঙ্গলবার আত্মহত্যা করেছে। নিহতের নাম মিরাজ উদ্দিন। সে শ্রীপুর উপজেলার তালতলী গ্রামের তাহের মুন্সির ছেলে।


শ্রীপুর মডেল থানার এসআই মনিরুজ্জামান ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় দুই বছর আগে শ্রীপুরের বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর গ্রামের ইদ্রিস আলীর মেয়ে মনোয়ারাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন পার্শ্ববর্তী গ্রামের মিরাজ উদ্দিন। দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় দুই মাস আগে মনোয়ারা তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। মঙ্গলবার সকালে মিরাজ তার স্ত্রীকে আনতে শশুড় বাড়ি গেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে সে বাড়ি ফিরে আসে। দুপুরের দিকে বাড়ির লোকজন ঘরে মিরাজের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে খবর দেয়। শহীদ তাজ উদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে, স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে মিরাজ আতœহত্যা করেছে।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
রাষ্ট্রপতি স্পিকারকে চিঠি http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323182/রাষ্ট্রপতি-স্পিকারকে-চিঠি http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323182/রাষ্ট্রপতি-স্পিকারকে-চিঠি 2018-01-23T09:42:01+0000 Daily Janakantha অনলাইন রিপোর্টার ॥ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে ভোটার তালিকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার ইসি ...

রাষ্ট্রপতি স্পিকারকে চিঠি

 

জাতীয়

Daily Janakantha

অনলাইন রিপোর্টার ॥ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে ভোটার তালিকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার ইসি সচিবালয় থেকে স্পিকার বরাবর এ চিঠি পাঠানো হয়। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি কমিশন বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর এ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, স্পিকারের কাছে সংসদ সদস্যদের তালিকা অর্থাৎ ভোটার তালিকা চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার থেকে ২১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষণ গণনাও শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে করণীয় ঠিক করতে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন বৈঠক ডাকা হয়েছে। ইসির প্রস্তুতির মধ্যেই গত সোমবার রাতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ১৯ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে ইসির কাছে জানতে পেরেছি।

স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৯ মেয়াদে ১৬ জন রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। সেই হিসেবে আবদুল হামিদ এ পদে সপ্তদশ ব্যক্তি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণ করা বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের পাঁচ বছরের মেয়াদ এ বছরের ২৩ এপ্রিল শেষ হবে। সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে ওই পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাটদিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।’


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
বিদ্যুৎ চুরির নতুন আইন পাস http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323173/বিদ্যুৎ-চুরির-নতুন-আইন-পাস http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323173/বিদ্যুৎ-চুরির-নতুন-আইন-পাস 2018-01-23T09:38:54+0000 Daily Janakantha অনলাইন রিপোর্টার ॥ বিদ্যুৎ চুরির সাজা বাড়ানো, উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কার এবং সেবা নিশ্চিত করতে নতুন ...

বিদ্যুৎ চুরির নতুন আইন পাস

 

জাতীয়

Daily Janakantha

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বিদ্যুৎ চুরির সাজা বাড়ানো, উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কার এবং সেবা নিশ্চিত করতে নতুন আইনের খসড়া সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার ‘বিদ্যুৎ বিল-২০১৮’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলের উপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

গত ১৪ নবেম্বর বিলটি সংসদে তুলেছিলেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তখন বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

১৯১০ সালের ‘ইলেকট্রিসিটি অ্যাক্ট’ সংশোধন করে নতুন আইন করতে বিলটি পাস হয়েছে। যেখানে বিদ্যুতের ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন প্রতিষ্ঠান করার কথাও বলা হয়েছে।

সংশোধিত আইনে বিদ্যুৎ চুরির জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা চুরি হওয়া বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার (যেটা বেশি হয়) বিধান রাখা হয়েছে। আগে এ অপরাধের জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

চুরি ঠেকাতে বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও শাস্তির আওতায় আনা হল এখন, যা আগের আইনে ছিল না। এছাড়া বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতা করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান যোগ করা হয়েছে।


বিলে বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন কোনো পূর্তকর্ম সম্পাদনকালে লাইসেন্সি কোনো ক্ষতি, অনিষ্ট বা অসুবিধার সৃষ্টি করলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে অথবা বৈদ্যুতিক টাওয়ার নির্মানের জন্য ব্যবহৃত জমির জন্য ভূমির মালিককে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণ দেবে।

কোন অপরাধে কী সাজা

১.বিদ্যুৎ চুরির জন্য সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা চুরি হওয়া বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার (যেটা বেশি হয়) সুযোগ থাকবে। আগের আইনে এ অপরাধে কেবল ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

২.বিদ্যুৎ চুরির জন্য কোনো যন্ত্র বা ডিভাইস ব্যবহার করলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আগে এ অপরাধের জরিমানা ছিল ২০ হাজার টাকা।

৩.বিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ চুরি করলে ওই ব্যক্তি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা চুরি হওয়া বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৪.বিলে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ অপচয়ের জন্যও এক থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সংসদে উত্থাপিত বিলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিলো, সংসদীয় কমিটি এটি কমিয়ে তিন বছর করেছে।

৫.কেউ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চুরি বা অপসারণ করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৬.কেউ চুরি করা কোনো যন্ত্রপাতি বা বিদ্যুতের লাইনের সামগ্রী দখলে রাখলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।


৭.বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, বিদ্যুৎ লাইন, খুঁটি বা অন্য যন্ত্রপাতি নাশকতার মাধ্যমে ভেঙে ফেললে বা ক্ষতিগ্রস্ত করলে বা বিদ্যুৎ সরবারহ বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বা যন্ত্রের উপর কোনো বস্তু নিক্ষেপ করলে বা রাখলে সাত থেকে দশ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

৮.আগে বিদ্যুৎ খাতের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো শাস্তির বিধান ছিল না। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনো বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী বিধি লঙ্ঘন করেন, তাকে শাস্তি পেতে হবে।

৯.বিলে বলা হয়েছে, সরবরাহ এলাকার বাইরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে বা বিদ্যুৎ লাইন বা কোনো অবকাঠামো বসালে, আইন বা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখলে, ত্রুটিযুক্ত বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

১০.প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন বা বিতরণ কাজে নিয়োজিত সরকারি-বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মচারী এ আইনে অপরাধ করলে বা অপরাধ সংগঠনে সহায়তা, প্ররোচনা বা ষড়যন্ত্র করলে তিনি সাজার আওতায় আসবেন।

১১.আইনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই- এমন অপরাধে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিদ্যুতের কোনো লাইন মেরামত, সংস্কার বা নতুন সরবরাহ লাইন বসানোর কাজে যাতে টেলিফোন, ইন্টারনেট বা সাবমেরিন কেবলের কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য কাজ শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোটিস দিয়ে জানানোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে আইনে।

বিলে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সমন্বিত আকারে পরিচালনা করতে সরকার একটি স্বতন্ত্র সিস্টেম অপারেটর প্রতিষ্ঠা করবে। এই অপারেটর নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রবাহ মনিটরিং, সিডিউলিং এবং মেরিট ডেসপাস ও বিতরণ সংস্থা বা কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে লোড বরাদ্দ করবে।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীর মেয়ে যখন এপিএস http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323168/প্রতিমন্ত্রী-কাজী-কেরামত-আলীর-মেয়ে-যখন-এপিএস http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323168/প্রতিমন্ত্রী-কাজী-কেরামত-আলীর-মেয়ে-যখন-এপিএস 2018-01-23T09:35:31+0000 Daily Janakantha অনলাইন রিপোর্টার ॥ নিজের মেয়েকে সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) বানালেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। কেরামত ...

প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীর মেয়ে যখন এপিএস

 

জাতীয়

Daily Janakantha

অনলাইন রিপোর্টার ॥ নিজের মেয়েকে সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) বানালেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী।

কেরামত আলীর ইচ্ছা অনুযায়ী তার কন্যা কানিজ ফাতেমা চৈতিকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিয়ে মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

কেরামত আলী যতদিন প্রতিমন্ত্রীর পদে থাকবেন বা কানিজ ফাতেমাকে এপিএস পদে বহাল রাখার ইচ্ছা পোষণ করবেন ততদিন এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়।

ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা নেয়া কানিজ ফাতেমা এর আগে জেট এয়ারওয়েজে সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
রিপোর্টারের ডায়েরি http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323167/রিপোর্টারের-ডায়েরি http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323167/রিপোর্টারের-ডায়েরি 2018-01-23T09:35:14+0000 Daily Janakantha দেশে ফিরলে মেরে ফেলবে! ৩০ অক্টোবর ২০১৭, সোমবার, দুপুর ১টা। কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুবপালং ও ময়নারগোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে বালুখালি ক্যাম্প ...

রিপোর্টারের ডায়েরি

 

সম্পাদকীয়

Daily Janakantha

দেশে ফিরলে মেরে ফেলবে!

৩০ অক্টোবর ২০১৭, সোমবার, দুপুর ১টা। কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুবপালং ও ময়নারগোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে বালুখালি ক্যাম্প পরিদর্শন শুরু করি। এ সময় কীভাবে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে এখানে আসে এবং দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে আছে কি-না এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করি। এ নিয়ে প্রথমেই কথা বলি ১১ বছরের শিশু মো. তাহেরের সঙ্গে। সে জানায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাদের বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিলে সহায় সম্বলহীন পরিবারের সব সদস্য সেখান থেকে পালিয়ে অনেক দূরের গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নেয়। এরপর বেশ কয়েক দিন পর তারা এই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে অবস্থান নেয়। তবে আসার সময় তাহেরের এক বোন নূর কলিমা (৮) নাফ নদীতে ডুবে মারা যায়। এভাবে নদীতে ডুবে তাদের আরও ক’জন আত্মীয় মারা গেছে। এ কথা বলেই কাঁদতে কাঁদতে তাহের বলে ‘কবে আবার দেশে ফিরে যাব জানি না। আমাদের পাঠানোর ব্যবস্থা করলে যেতে চাই। তবে দেশে ফিরে গেলে আমাদের মেরে ফেলবে। মা রশিদা বেগম ও বাবা মো. হোসেন এবং ২ ভাই ও ২ বোনসহ আমরা ৬ জনই বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকি। ক্যাম্প থেকে চাল, ডাল ও লবণসহ খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়। আমরা রান্না করে খাই। ওষুধপত্রও দেয়া হয়। ক্যাম্পে পানি ও শৈচাগারেরও ব্যবস্থা রয়েছে।’

তারপর বালুখালী ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া ১০ বছরের শিশু সারোয়ারের সঙ্গে কথা বলি। সে জানায় অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছি। ক্যাম্প থেকে খাবার সরবরাহ করায় খাওয়া-দাওয়ার কোন সমস্যা নেই। তবে ক্যাম্প থেকে খাবার সরবরাহ করলেও অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য তারা ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করতে আসা মানুষজনের কাছে যায়। একেকজন একেক রকম ত্রাণসামগ্রী দেয়। কেউ কেউ নগদ টাকাও দিয়ে যায়। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তেমন সমস্যা নেই। কথা প্রসঙ্গে সরোয়ার আরও জানায় তবুও তাদের দেশে ফিরে যেতে মন কাঁদে। তবে দেশে ফিরে গেলে মেরে ফেলতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।

বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যম্পে স্ত্রী ও ২ মেয়েকে নিয়ে অবস্থান করছেন মো. কলিমউল্লাহ (৩০)। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১০ দিন আগে এখানে আসলেও এখনও ক্যাম্পে স্থায়ী হতে পারেননি। তাই তাদের ওই এলাকার মানুষের বিভিন্ন কাজ করে যে পারিশ্রমিক পাওয়া যায় তার বিনিময়ে খাওয়া-দাওয়া চলে। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার মানুষের কাজ করে টাকা রোজগারের পাশাপাশি ক্যাম্পে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। কাজ করার পাশাপাশি রাস্তায় কোন গাড়ি থামলেই দৌড়ে এসে ভিড় করেন কিছু পাওয়ার আশায়। আর আগ্রহীরা জানতে চাইলে মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার ও সেখান থেকে এখানে আসতে পথে পথে যে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তা বলেন। পরে খুশি হয়ে কেউ কোনকিছু সাহায্য করলে তা গ্রহণ করেন। এখান থেকে কেউ কেউ কাজের সন্ধানে অন্য এলাকায়ও চলে যান বলে জানা যায়।

কলিমউল্লার সঙ্গে কথা বলার সময় আরও ক’জন রোহিঙ্গা এখানে জড়ো হয়ে সমস্বরে রাখাইন রাজ্যে তাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের কাহিনী বলতে থাকেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাদের মুখে এই নির্যাতনের কাহিনী শুনে এক পর্যায়ে আমি নিজেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। আর মনে মনে ভাবতে থাকি আজকাল বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী দেশের পক্ষ থেকে বেশি বেশি করে মানবাধিকারের কথা বলতে শুনা যায়। তাহলে এই যে সহায় সম্বলহীন ১০ লাখ রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে তাদের কি কোন মানবাধিকার নেই। কেন এত কিছুর পরও তারা আশঙ্কা করছে নিজ দেশে ফিরে গেলে তাদের মেরে ফেলবে। তাদের মনের এ আশঙ্কা দূর করার দায়িত্ব কার?

-শরীফুল ইসলাম


আনপ্রেডিক্টেবল চ্যাম্পিয়ন!

৬ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, ২০১৬। মানুষ ভাবে এক, কিন্তু হয় আরেক। দিনটা আমার জন্য অনেকটা তেমনই ছিল। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি। লক্ষ্য কমপক্ষে তৃতীয় হওয়া (২০১৪ আসরে তৃতীয় হয়েছিলাম)। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতিতে (বিএসপিএ) খেলা। যদিও প্রথমে খেলার ভেন্যু ছিল পল্টনের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে। কিন্তু লোডশেডিংয়ের কারণে ভেন্যু বদলে যায়।

‘সি’ গ্রুপে গাজী টিভির সাজ্জাদ হোসেনকে এবং নয়া দিগন্তের জিলানী মিল্টনকে হারিয়ে অপরাজিত গ্রুপসেরা হয়ে উন্নীত হলাম সেমিফাইনালে। তারপর সেমিতে অপ্রত্যাশিতভাবে হারাই গত তিন আসরের হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন চ্যানেল ২৪-এর মুকিমুল আহসান হিমেলকে। সর্বশেষ আসরে তার কাছেই সেমিতে হেরে গিয়েছিলাম। হিমেলকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে নিজের কীর্তিকেই যেন বিশ^াস করতে পারছিলাম না।

প্রতিপক্ষ হিসেবে ফাইনালে যাকে পেলাম, বাসসের সেই বর্ষীয়ান-স্বাস্থ্যবান সৈয়দ মামুনের বিরুদ্ধে তো জেতার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ তিনটি। তিনি ডিআরইউর বেশ ক’বারের সাবেক চ্যাম্পিয়ন, ডিআরইউ-ইতিহাসের সবচেয়ে তুখোড় ও ভয়ঙ্কর খেলোয়াড়দের একজন। তিনি বা-হাঁতি। ‘বাওয়া’দের বিরুদ্ধে খেলতে বরাবরই অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি এবং ব্যাপক স্নায়ুচাপে ভুগি। ফাইনালে ওঠার আগে তার খেলার ধরন ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করি। বুঝে ফেলি, তার সঙ্গে খেললে আমার ‘খবর’ আছে!

ভয় পেয়ে লাভ নেই। কারণ আমি তো ‘আন্ডারডগ।’ কাজেই হারানোর কিছু নেই। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যেখানে তৃতীয় হওয়ার লক্ষ্য ছিল, সেখানে দ্বিতীয় বা রানার্সআপ হলে ক্ষতি কি! কাজেই নো চিন্তা, ডু ফূর্তি! প্রতিপক্ষকে ম্যাচ শুরুর আগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়ে বসলাম!

আমার খেলার সবচেয়ে দুর্বল দিকÑ আমি প্রতিপক্ষের তুলনায় নবীন ও অনভিজ্ঞ। মোটেও ‘চাপ’ মারতে পারি না। খেলি ডিফেন্সিভ স্টাইলে। টেবিলের কোনা-কাঞ্চি ও নেটের ওপর দিয়ে ‘লো শট’ খেলাই আমার সম্বল। তারপরও ভরসা একটিইÑ প্রতিপক্ষকে কখনই তার স্টাইলে খেলতে দিই না। এমনভাবে খেলি, তারা যেন খেলতে বাধ্য হয় আমার ছক অনুযায়ী। চেষ্টা থাকে প্রতিপক্ষকে এ্যাঙ্গেল সাইড দিয়ে খেলানো এবং কখনই তাকে চাপ মারার সুযোগ না দেয়া। এভাবে খেলেই ফাইনাল পর্যন্ত উঠে এসেছি। কিন্তু সৈয়দ মামুনের বিরুদ্ধেও কি এই কৌশল সফল হবে?

কি আশ্চর্য, হলো! প্রথম সেটে জিতলাম বেশ দাপটে, ২১-৯ পয়েন্টে। দ্বিতীয় সেটেও একইভাবে জিতবো ভেবেছিলাম। একপর্যায়ে ২০-১১ পয়েন্টে লিডও নিয়ে ফেলি। আর মাত্র ১ পয়েন্ট পেলেই স্বপ্নের শিরোপা ‘কুক্ষিগত’ করতে পারব। তখনই মামুন দেখালেন বুড়ো হাড়ের ভেল্কি! বুঝিয়ে দিলেন ‘ওল্ড আসলেই গোল্ড!’ টানা ৮ পয়েন্ট আদায় করে ম্যাচ জমিয়ে তুললেন। স্কোরলাইন ২০-১৯। আমি তখন মহা নার্ভাস! আর ১ পয়েন্ট পেলেই ডিউজ করে ফেলবেন তিনি এবং খেলা গড়াবে ‘বেস্ট অব ফাইভ’-এ। সেখানে যে তিনিই জিতবেন, তাতে সন্দেহ নেই। তাহলে কি তীরে এসে নির্ঘাত ডোবাবো তরী? নিজেকেই তখন নিজেই যে বলতে হবে, ‘আই এ্যাম সরি!’

কিন্তু না, সেটা আর হলো না। প্রতিপক্ষকে আর ১ পয়েন্ট পেতে দিলাম না। হতে দিলাম না ম্যাচটা ডিউজ। গড়াতে দিলাম না তৃতীয় সেটে। আমিই পেলাম মহামূল্যবান সেই পয়েন্টটি। আহ্, আমি বনে গেলাম ডিআরইউর ইতিহাসের সবচেয়ে ‘আনপ্রেডিক্টেবল চ্যাম্পিয়ন!’

এর দু’মাস পরেই বিএসপিএ’র বার্ষিক ক্রীড়া উৎসবে টেবিল টেনিসের এককের ফাইনালে ক্রীড়া ধারা ভাষ্যকার মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হই। সেই সঙ্গে একটি বিরল কীর্তিও গড়ে ফেলি। সেই মুহূর্তে সাংবাদিকদের দুটি সংগঠনের টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টেরই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিতি পেয়ে যাই। এমনটি এর আগে কখনই ঘটেনি!

যাহোক, ডিআরইউ টিটিতে আমার সাফল্যের সংবাদটি ওইদিনই ৬ অক্টোবর আটটি অনলাইন, গাজী টিভিসহ একাধিক টিভি চ্যানেল এবং ৭ অক্টোবর জনকণ্ঠসহ ৭টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়।

চেয়েছিলাম পিস্তল, পেয়ে গেলাম কামান! কি অনাবিল চিত্তসুখ! ভরে গেল শূন্য বুক!

-রুমেল খান



The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলাম ক্ষণজন্মা এক ব্যক্তিত্ব http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323166/জাতীয়-অধ্যাপক-নুরুল-ইসলাম-ক্ষণজন্মা-এক-ব্যক্তিত্ব http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323166/জাতীয়-অধ্যাপক-নুরুল-ইসলাম-ক্ষণজন্মা-এক-ব্যক্তিত্ব 2018-01-23T09:34:35+0000 Daily Janakantha ২০১৩ সালের ২৪ জানুয়ারি মহাপ্রয়াণে, না ফেরার দেশে চলে গেছেন জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলাম স্যার। তিনি ছিলেন এক প্রবল কর্মযজ্ঞের ...

জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলাম ক্ষণজন্মা এক ব্যক্তিত্ব

 

উপ-সম্পাদকীয়

Daily Janakantha

২০১৩ সালের ২৪ জানুয়ারি মহাপ্রয়াণে, না ফেরার দেশে চলে গেছেন জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলাম স্যার। তিনি ছিলেন এক প্রবল কর্মযজ্ঞের কাণ্ডারি, সারাজীবন যে কাজে হাত দিয়েছেন, সেখানেই সোনা ফলিয়েছেন। দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজের মেধা, শ্রম আর ভালবাসা দিয়ে তিনি আমাদের চিরঋণী করে রেখে গেছেন।

একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি ছিলেন অসাধারণ। শুধু রোগের উপশমই নয়, তিনি রোগ ও রোগী নিয়ে চিন্তা করতেন, ছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী। তার অসংখ্য গবেষণাপত্র দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সমাজের সবাইকে স্বাস্থ্যসচেতন করতে তিনি ছিলেন তৎপর। এদেশে ধূমপানের কুফল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করে তোলার লক্ষ্যে তিনিই প্রথম ধূমপানবিরোধী কার্যক্রম শুরু করেন। তিনিই ‘আমরা ধূমপান নিবারণ করি’ বা ‘আধূনিক’-এর প্রতিষ্ঠা করেন। তার মূল বক্তব্যই ছিল ‘ধূমপানে বিষপান।’ এছাড়া তিনি বিভিন্ন ওষুধের অপ্রয়োজনীয় এবং অপব্যবহার রোধকল্পে জাতীয় ওষুধ নীতি প্রণয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীদের অন্যতম ছিলেন। তিনি নিজে নেহায়েত যে সমস্ত ওষুধ প্রয়োজনীয় তাই রোগীর জন্য প্রেসক্রিপশনে লিখতেন। অযথা অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ওষুধ পরিহার করার ব্যাপারে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ। অনেক সময় রোগীদের অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা ছিল তার একদম অপছন্দ। প্রায়ই তাঁকে বলতে শুনেছি, রোগীর কাছ থেকে সুন্দর করে রোগের ইতিহাস নিয়ে এবং রোগীকে ভালভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেই অনেক রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর বিশাল অর্থের অপচয় ঘটে, যা অনেকেই বহন করতে অক্ষম।

শুধু চিকিৎসক হিসেবেই নয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের একজন প্রথিতযশা শিক্ষক হিসেবেও ছাত্রদের মাঝে তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। বর্তমানে আমাদের দেশে যারা মেধাবী এবং দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে চিকিৎসার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাল শিক্ষক হিসেবেও শিক্ষাসেবা দিয়ে চলছেন, তাদের শিক্ষাগুরু হিসেবে স্যারের অবদান অপরিসীম। ব্যক্তি জীবনে স্যার ধর্মের অনুশাসন মেনে চলতেন। জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সত্য ভাষণে অকপট, সততা আর সত্যের পথে অবিচল এই মানুষটি সব সময়ই ছিলেন আন্তরিক, মমতাপূর্ণ ও স্নেহার্দ্র।

একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে ইসলাম স্যার ছিলেন অত্যন্ত কঠোর প্রকৃতির, অন্তত বাহ্যিকভাবে তাই মনে হতো। কাজের ক্ষেত্রে কোন অবহেলা তিনি সহ্য করতেন না। নিজে নিয়মের অনুশাসন মেনে চলতেন, অন্যদেরও নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য করতেন। এ ক্ষেত্রে কোন বিচ্যুতি হলে তিনি কঠোর শাসন করতেন, এমনকি অনেক সময় গালমন্দও করতেন। কিন্তু এসব ছিল শুধু সঠিক কাজটা আদায় করার জন্যই। যাকে বকাঝকা করতেন, দেখা যেত পরমুহূর্তে তাকেই আবার সস্নেহে আলিঙ্গন করছেন। তিনি শুধু ছড়ি হাতে শাসক ছিলেন না, পিতৃসম মমতাকারীও ছিলেন। প্রায়ই তিনি বলতেন, ‘শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করেন যিনি।’

তাঁর কর্মপদ্ধতি আর কর্মক্ষেত্রে কঠোর মনোভাবের জন্য অনেকেই আড়ালে তাঁর সমালোচনা করতেন। কিন্তু স্যার ছিলেন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। আমি অনেক সময় দেখেছি বাইরে তাঁর সম্পর্কে বিদ্বেষ পোষণকারী এবং সমালোচনাকারীরাও তাঁর সম্মুখে নতজানু হয়েই থাকতেন। সামনাসামনি কিছু বলার মতো সাহস কারোরই ছিল না বরং সবাই মুগ্ধকণ্ঠে প্রশংসা করতেন। স্যার নিজেও জানতেন যে তার সমালোচকের অভাব নেই, শত্রুর অভাব নেই। আমি অনেকবার স্যারের মুখ থেকে শুনেছি ‘সমালোচনাকারী এমনকি শত্রু থাকাও ভাল। তাহলে আরও ভাল কাজ সতর্কভাবে করা যায়।’ তবে এ কথাও উনি বলতেন, ‘শত্রুকে চিনে রাখা ভাল, তাহলে আপনি সতর্ক থাকতে পারবেন।’

প্রশাসন চালাতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক গড়ে উঠলেও ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সম্পর্ক সবার সঙ্গে ভালই ছিল। স্যারকে আমি অনেক দিন বলতে শুনেছি ‘প্রশাসন চালাতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে মতবিরোধ, মনোমালিন্য প্রায়ই হয়ে থাকে, তারপরও তাদের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খারাপ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’

নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে ইসলাম স্যার ছিলেন চৌকস। নিজের বিচক্ষণতার ওপর তাঁর আত্মশক্তি ও আত্মপ্রত্যয় ছিল অত্যন্ত প্রবল আর আস্থা ছিল অবিচল। কবি কাজী নজরুল ইসলামের এক বিশিষ্ট বাণী স্যার মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন। তাঁর এক ডায়েরিতে ওই বাণীটি লেখা ছিলÑ ‘বিশ্বাস আর আশা যার নাই, যেও না তাহার কাছে। নড়াচড়া করে, তবুও সে মড়া, জ্যান্ত সে মরিয়াছে। শয়তান তারে শেষ করিয়াছে, ইমান লয়েছে কেড়ে, পরাণ গিয়াছে মৃত্যুপুরীতে ভয়ে তার দেহ ছেড়ে।’

স্যার কাজ করতেন নিজের পদ্ধতিতে, শাসন করতেন কঠোরহস্তে। নিপুণ হাতে তিনি সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতেন, এতে কাজের গতি বাড়ত, সমন্বয় ঠিক থাকত। এক্ষেত্রে তার ভূমিকার জন্য অনেকেই তাঁকে আড়ালে সমালোচনা করতেন। কিন্তু আসলে তিনি ছিলেন বনেভলেন্ট ডিক্টেটর। আর এ জন্যই তিনি তৎকালীন পিজি হাসপাতালের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন, যা বর্তমানে দেশের একমাত্র চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। সব আমলাতন্ত্র, রাজনীতি আর দুর্নীতিকে পায়ে দলে নিজ হাতে এক ব্যাপক কর্মযজ্ঞ সম্পাদন করতে পেরেছিলেন।

শুধু তাই নয়, সারা জীবন তিনি আরও অসংখ্য সংস্থা আর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চট্টগ্রামে ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটিসি) প্রতিষ্ঠা তাঁর কর্মযজ্ঞের অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য দেশী ও বিদেশী পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপকের পদ অলঙ্কৃৃত করেন।

শেষ জীবনে ইসলাম স্যার বহুদিন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু সেই অবস্থায়ও তিনি কাজ করে গেছেন, নিত্যনতুন সৃষ্টি করেছেন, দক্ষ হাতে প্রশাসন চালিয়ে গেছেন। তিনি বলতেন, আল্লাহর রহমতে আর মানুষের দোয়ায় বেঁচে আছি, হয়ত আমার কাজ শেষ হয়নি বলেই।

‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে’ চিরসত্য এই বাণীর মতোই আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন এক বর্ণাঢ্য ও কর্মময় জীবন শেষে মহান, ক্ষণজন্মা এই ব্যক্তিত্ব। তাঁর অনন্য সাধারণ কীর্তি, কর্মযজ্ঞ আর অমোঘ ব্যক্তিত্বের স্মৃতি ডাক্তার সমাজসহ সমগ্র জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে অবশ্যই স্মরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাঁর কর্মস্পৃহা বুকে নিয়ে, মাটি ও মানুষের সেবার মানসিকতা ধারণ করে যদি আমরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারি, তবে তাই হবে এই মহান ব্যক্তির প্রতি যোগ্য সম্মান প্রদর্শন।


লেখক : ডিন, মেডিসিন অনুষদ, অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
মাদারীপুরে মুরগীসহ খামারে অগ্নিকান্ড http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323165/মাদারীপুরে-মুরগীসহ-খামারে-অগ্নিকান্ড http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323165/মাদারীপুরে-মুরগীসহ-খামারে-অগ্নিকান্ড 2018-01-23T09:34:32+0000 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর ॥ মাদারীপুরের শিবচরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে ৩ হাজার পোল্ট্রি মুরগীসহ একটি খামার পুড়ে ছাই হয়ে ...

মাদারীপুরে মুরগীসহ খামারে অগ্নিকান্ড

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর ॥ মাদারীপুরের শিবচরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে ৩ হাজার পোল্ট্রি মুরগীসহ একটি খামার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত খামারের মালিক ও স্থানীয়রা দাবী করেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের চরবাচামারা মৌলভীকান্দি গ্রামের কৃষক রেজাউল মুন্সির মুরগীর খামারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে প্রায় ৩ হাজার পোল্ট্রি মুরগী, ব্যাপক পরিমান রসুন, পেয়াজ আগুনে পুড়ে গেছে।

এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খামারের মালিক ও স্থানীয়রা দাবী করেন। স্থানীয়রা প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। আগুনে বড় অংকের পুঁজি হারিয়ে খামারের মালিক নিঃস্ব হয়ে গেছে। বিদ্যুতের সর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
মেডিক্যালে শিক্ষার মান http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323164/মেডিক্যালে-শিক্ষার-মান http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323164/মেডিক্যালে-শিক্ষার-মান 2018-01-23T09:34:04+0000 Daily Janakantha মানহীন মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস করে যেসব চিকিৎসক ভবিষ্যতে ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত হবেন তাদের হাতে কতটা নিরাপদ থাকবেন রোগীসমাজ! এমন ...

মেডিক্যালে শিক্ষার মান

 

সম্পাদকীয়

Daily Janakantha

মানহীন মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস করে যেসব চিকিৎসক ভবিষ্যতে ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত হবেন তাদের হাতে কতটা নিরাপদ থাকবেন রোগীসমাজ! এমন শঙ্কা মোটেই অমূলক নয়। রোগের সঠিক চিকিৎসা না হলে রোগীর দুর্ভোগ বাড়ে, এমনকি তার জীবনও বিপদাপন্ন হয়। তাই চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষায় সামান্যতম গাফিলতি থাকা সম্পূর্ণরূপে অনুচিত। অথচ দেশে মানহীন মেডিক্যাল শিক্ষার বাস্তবতা বিরাজ করছে। উচ্চ আদালতে গিয়ে কিছু মানহীন বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ অনৈতিকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন নিয়ে আসায় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে তিনি মেডিক্যাল শিক্ষার যে পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন তা উদ্বেগজনক। এটা ঠিক যে, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা মেনেই বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজের অনুমতি দেয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া এসব কলেজের সামগ্রিক কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটরিংও করা হয়। তবে কয়েকটি বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে যাদের কোন নিজস্ব ক্যাম্পাস নেই, শিক্ষক, পাঠাগার, ল্যাব কিছুই নেই। এজন্য গত তিন বছর ধরে এসব মানহীন মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র ভর্তি অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে একশ’টির মতো। এর মধ্যে ৬৯টিই বেসরকারী, বাকি ৩১টি সরকারী। সরকারী মেডিক্যাল কলেজগুলোয় প্রতি বছর ৩ হাজার ৩২০ জন ও বেসরকারীতে ৬ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হন। এছাড়া সরকারী ছয়টি ও বেসরকারী ২৬টি ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি হয় যথাক্রমে ৫৩২ ও ১ হাজার ৪০০ জন। এদিক থেকে দেশে বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ থেকেই সবচেয়ে বেশি চিকিৎসক তৈরি হচ্ছে।

বিশিষ্ট চিকিৎসকরা নানা সময়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করতে গিয়ে বলছেন, স্বাস্থ্য শিক্ষায় গুণগত মান যাচাই করলে দেশের ৭৫ শতাংশ বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার মান নেই। নেই যোগ্যতার সঠিক পরিমাপও। স্বাস্থ্য শিক্ষা নয়, তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো বাণিজ্য করা। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তাদের মেডিক্যালে ভর্তি করানো। উল্লেখ্য, ৫০ আসনের একটি বেসরকারী মেডিকেল কলেজে ২৫০ বেডের আধুনিক হাসপাতাল থাকা বাধ্যতামূলক। হাসপাতালের ৭০ শতাংশ বেডে আবার সার্বক্ষণিক রোগী ভর্তি থাকতে হয়। যদিও বেসরকারী অনেক মেডিকেল কলেজেই শর্ত মেনে হাসপাতাল নেই। থাকলেও রোগী অনুপস্থিত। প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষকের নিয়মও লঙ্ঘিত হচ্ছে। অভাব রয়েছে আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জামের। এসব অপ্রতুলতার মধ্যেই বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজগুলো থেকে প্রতি বছর বের হচ্ছে ছয় হাজারের বেশি চিকিৎসক।

গত বছর প্রকাশিত আইন কমিশনের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বেসরকারী মেডিকেল কলেজের শিক্ষা মানসম্মত নয় বলে উল্লেখ করা হয়। ওই গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ মেডিক্যাল কলেজ প্রকারান্তরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রেও কোন নিয়মকানুন মানা হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বিপরীতে রোগীসহ অন্তত ৫টি বেড থাকা আবশ্যক, কিন্তু বেশির ভাগ বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজে পর্যাপ্ত বেড নেই। কিংবা বেড থাকলেও রোগী নেই, ফলে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে হাতে-কলমে শিক্ষা দেয়ার সুযোগ নেই।

আমরা আশা করব, অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে আইনের ফাঁকফোকর গলে বেরিয়ে আসা মানহীন মেডিক্যাল কলেজ যাতে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য সরকার যথাযথ আগাম ভূমিকা রাখবে। মানুষের জীবন নিয়ে কোনরকম ছিনিমিনি খেলা চলতে দেয়া উচিত নয়।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323163/অপরাধ-চক্রের-দৌরাত্ম্য http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323163/অপরাধ-চক্রের-দৌরাত্ম্য 2018-01-23T09:33:42+0000 Daily Janakantha নির্বাচনের সময় যতই আসছে ঘনিয়ে, ততই বাড়ছে অপরাধ জগতের সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য। যদিও পাল্টেছে তাদের ধরন। অধিকাংশই রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে সর্বত্র ...

অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য

 

সম্পাদকীয়

Daily Janakantha

নির্বাচনের সময় যতই আসছে ঘনিয়ে, ততই বাড়ছে অপরাধ জগতের সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য। যদিও পাল্টেছে তাদের ধরন। অধিকাংশই রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে সর্বত্র তৈরি করছে অরাজকতা। এমনিতেই দেশের বিভিন্ন নির্বাচনকালীন সময়ে ‘আন্ডারওয়ার্ল্ডের’ এসব অপরাধীর কদর বেড়ে যায়। ভাড়াটে হিসেবে তারা কোন না কোন প্রার্থীর পক্ষে অপরাধমূলক তৎপরতা চালায়। এর বাইরে সারা বছরই চলে তাদের চাঁদাবাজি। তাদের নেতৃত্বেই পরিচালিত হয় মাদক ব্যবসা। রাজধানীর সংঘবদ্ধ আন্ডারওয়ার্ল্ডের শুরুটা ছিল বিশ শতকের আশির দশকে। চাঁদাবাজির সীমানা নিয়ে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল সেভেন স্টার, ফাইভ স্টার নামে সন্ত্রাসী গ্রুপের। দিনদুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে চলত এসব সন্ত্রাসীর অস্ত্রের মহড়া। বেশ কয়েকটি এলাকায় বোমাবাজি ছিল নিত্যদিনের চিত্র। ভয়ে ভীত হয়ে ব্যবসায়ীরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে না জানিয়েই পৌঁছে দিত মোটা অঙ্কের অর্থ। এই অর্থের ভাগবাটোয়ারা নিয়েও নিজেদের মধ্যে চলত দ্বন্দ্ব-সংঘাত। এসব অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। আন্ডারওয়ার্ল্ড আগের মতো না থাকার কারণ বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপ। প্রকাশ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অবস্থান দেখা না গেলেও, তাদের নাম ডাক ছড়িয়ে আছে। অনুসারী সন্ত্রাসীরা তাদের নাম করে ভয় দেখিয়ে, অস্ত্র প্রদর্শন করে চাঁদা আদায়ের কাজটি অব্যাহত রেখেছে। চাঁদা প্রদানকারীরা হুমকির মুখে ভয়ে অভিযোগ করতে সাহস পায় না। তাই থানায় অভিযোগ করার রেকর্ড মেলে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি চাপা পরে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কারও কারও সঙ্গে রয়েছে তাদের দহরম-মহরম, এমনকি চাঁদা ভাগাভাগিও। অনেকে দেশত্যাগ এবং আত্মগোপনে ছিল। পরে কতিপয় রাজনীতিক নামধারীর আশ্রয় পেয়ে এরা অপরাধের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। চাঁদাবাজির সঙ্গে যোগ হয়েছে মাদক ব্যবসা। ইয়াবা নামক জীবনঘাতী ব্যবসার নেটওয়ার্ক এখন তাদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত। ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ওই নেটওয়ার্ক এখন বিস্তৃত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে চলা এই ব্যবসায় অপরাধীরা সহযোগী হিসেবে পাশাপাশি অবস্থান করছে। অনেক পুলিশ ইয়াবাসহ ধরা পড়ে চাকরিচ্যুত হলেও ব্যবসার গতি কমেনি, বরং ক্রমশ বাড়ছে। এলাকায় ইয়াবা বিক্রি হচ্ছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের আশ্রয়ে। ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইনসহ অন্যান্য মাদক হারিয়ে গেছে ইয়াবার দৌরাত্ম্যে। ক্ষমতাসীন দলের পরিচয় ব্যবহার করে প্রকাশ্যে তারা এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আবার এদের অনেকেই ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও সরকারী দলের তত্ত্বাবধানে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন সংগঠনের পদবিতে আসীন থাকার কারণে গ্রেফতার হলে ছাড়িয়ে আনার তদবির চলে। দলীয় পরিচয় থাকার কারণে এদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া যাচ্ছে না। ইয়াবা ব্যবসায় সংসদ সদস্য থেকে অন্য জনপ্রতিনিধিদের জড়িত থাকার খবর বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে প্রায় সর্বজনবিদিত। আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীরা এখন চাঁদাবাজিতে তেমন সক্রিয় আর নেই। বরং ইয়াবা ব্যবসায় অধিক আয়ের সুবিধার কারণে তারা ইয়াবা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। পুলিশী ভাষ্যে বলা হয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তাদের নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতে এসব সন্ত্রাসীকে মাসোহারা দিয়ে থাকে। পুরনো সন্ত্রাসীরা এখন নানা কারণে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হলেও তাদের অনেকের নামে অন্য সন্ত্রাসীরা চাঁদাবাজিতে সক্রিয় রয়েছে। অপরাধ জগতের ‘খ্যাতিমান’ অনেক সন্ত্রাসী নিহত, অনেকে কারাবন্দী রয়েছে। কারাগার থেকেও সন্ত্রাস পরিচালনার নির্দেশ আসে বলে প্রচার রয়েছে। ‘কালা জাহাঙ্গীর’ ও ‘পিচ্চি হান্নান’ এর নাম দেশখ্যাত। এদের অনুসারীর সংখ্যা কত জানা না গেলেও এদের নামে চাঁদাবাজি চলছে। চলতি বছর নির্বাচনের বছর। নির্বাচনী কাজে ভোটকেন্দ্র দখল, প্রতিপক্ষকে হুমকি-ধমকি, ভোটারদের কেন্দ্রে না আসার জন্য সতর্ক করার কাজে এদের ব্যবহার করা হতে পারে। এদের রুখবে তেমন সাধ্য বুঝি কারও নেই। তবুও এই আন্ডারওয়ার্ল্ড জগতের বিনাশ চায় দেশবাসী।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323162/হবিগঞ্জে-ব্যবসায়ীদের-ধর্মঘট http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323162/হবিগঞ্জে-ব্যবসায়ীদের-ধর্মঘট 2018-01-23T09:33:33+0000 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, হবিগঞ্জ ॥ হবিগঞ্জ শহরে একের পর এক দোকানপাটে চুরি ও লাখ লাখ টাকার মালামাল লুটের ঘটনা সহ নানা ...

হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

নিজস্ব সংবাদদাতা, হবিগঞ্জ ॥ হবিগঞ্জ শহরে একের পর এক দোকানপাটে চুরি ও লাখ লাখ টাকার মালামাল লুটের ঘটনা সহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পেয়ে আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার ধর্মঘট, সড়ক অবরোধ ও সমাবেশ করেছে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। এদিকে সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও ব্যবসা বানিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি না করা পর্যন্ত এই অবরোধ অনিদিষ্টকালের জন্য চলবে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মসূচী চলাকালে ঘোষনা দিয়েছে ব্যবসায়ী নের্তৃবৃন্দ।

জানা যায়, ব্যবসায়ীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ব্যবসায়ী কল্যান সমিতি (ব্যাকস) এর সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন মিয়ার টেলিকম দোকান সহ আরও কয়েকটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি সিরিজ চুরির ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, একের পর এক এমন দুঃসাহসিক ঘটনা ঘটলেও তা বন্ধে পুলিশ আন্তরিক নয়। ফলে ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা ভেবেই এসবের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১১ টা থেকে হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কস্থ মোহন সিনেমা হল সড়কে সকল দোকান পাট বন্ধ করে ধর্মঘট শুরু করেন ব্যবসায়ীরা।

একপর্যায়ে ব্যবসায়ীরা সড়ক অবরোধ করে। এসময় যানবাহন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। সড়ক অবরোধ করে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি ও সংঘটিত ঘটনাগুলোর সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে ব্যবসায়ীরা মহুমুহু শ্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে। এদিকে এই কর্মসূচী চলাকালে ব্যাকসের সভাপতি মোঃ সামছুল হুদা, মীর জিলানুনবী ফয়সল সহ অন্যান্য নের্তৃবৃন্দ প্রতিটি চুরির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ব্যবসা-বানিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের দাবী জানান। অন্যথায় এই কর্মসূচী অনিদিষ্টকালের জন্য চলবে বলে ঘোষনা দেন।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বিএসএমএমইউ’র তৃতীয় সমাবর্তন http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323161/আগামী-১৯-ফেব্রুয়ারি-বিএসএমএমইউ’র-তৃতীয়-সমাবর্তন http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323161/আগামী-১৯-ফেব্রুয়ারি-বিএসএমএমইউ’র-তৃতীয়-সমাবর্তন 2018-01-23T09:32:29+0000 Daily Janakantha স্টাফ রিপোর্টার ॥ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি। দেশের প্রথম মেডিক্যাল ...

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বিএসএমএমইউ’র তৃতীয় সমাবর্তন

 

জাতীয়

Daily Janakantha

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি। দেশের প্রথম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়ের আচার্য মোঃ আবদুল হামিদ। এবছর প্রায় দু’ হাজার দু’শ জন শিক্ষার্থী সমাবর্তনে অংশ নিয়ে তাঁদের সনদ গ্রহণ করবেন। এর আগে ২০১১ প্রথম ও ২০১৫ সালে দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মঙ্গলবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকালে ডা. মিল্টন হলে ৫৭ সদস্য বিশিষ্ট স্টিয়ারি কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। সভায় উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, বেসিক সায়েন্স ও প্যরাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলালসহ স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সমাবর্তন বক্তা হিসেবে প্রখ্যাত গাইনী বিশেষজ্ঞ, সাবেক আইপিজিএমএন্ডআর (বর্তমানে বিএসএমএমইউ)-এর পরিচালক, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. টি এ চৌধুরীকে সমাবর্তন বক্তা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মোট ১৬টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমাবর্তনের স্থান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর পাশে^র উন্মুক্ত মাঠকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ৩য় সমাবর্তন আয়োজন করার লক্ষ্যে দ্রুততার সাথে স্টিয়ারিং কমিটিসহ সকল উপ-কমিটিকে কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।



The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
পুরান ঢাকার চকবাজারের ট্রাভেল ব্যবসায়ী খুন http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323160/পুরান-ঢাকার-চকবাজারের-ট্রাভেল-ব্যবসায়ী-খুন http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323160/পুরান-ঢাকার-চকবাজারের-ট্রাভেল-ব্যবসায়ী-খুন 2018-01-23T09:30:54+0000 Daily Janakantha স্টাফ রিপোর্টার ॥ পুরান ঢাকার চকবাজারের ইসলামবাগ এলাকায় মোঃ জুয়েল (২৩) নামে এক ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ...

পুরান ঢাকার চকবাজারের ট্রাভেল ব্যবসায়ী খুন

 

জাতীয়

Daily Janakantha

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পুরান ঢাকার চকবাজারের ইসলামবাগ এলাকায় মোঃ জুয়েল (২৩) নামে এক ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি মতিঝিলে একটি ট্রাভেসের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নিহতের বাবার নাম মজিবুর রহমান। তিনি পূর্ব ইসলামবাগের ৩৮/২১/এ নম্বর বাড়িতে সপরিবারের থাকতো। এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে তার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মৃত জুয়েলের মামা ইমন আলী জানান, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইসলামবাগ কমিউনিটি সেন্টারের পাশে চুনারঘাট এলাকায় অজ্ঞাতনামা দূর্বৃত্তরা জুয়েলকে এলোপাথারিভাবে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাত পৌনে ২টার দিকে জুয়েলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে আনা হয়।

এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। পুলিশ জানায়, নিহতের তার ডান হাতের কজি¦সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই জুয়েলের মৃত্যু হয়েছে।






The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
দাউদকান্দিতে প্রতিবন্ধির আত্মহত্যা http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323159/দাউদকান্দিতে-প্রতিবন্ধির-আত্মহত্যা http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323159/দাউদকান্দিতে-প্রতিবন্ধির-আত্মহত্যা 2018-01-23T09:29:38+0000 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা,দাউদকান্দি ॥ শশুর বাড়ীর লোকদের নির্যাতনের বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিন সন্তানের জনক এক প্রতিবন্ধি। ...

দাউদকান্দিতে প্রতিবন্ধির আত্মহত্যা

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

নিজস্ব সংবাদদাতা,দাউদকান্দি ॥ শশুর বাড়ীর লোকদের নির্যাতনের বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিন সন্তানের জনক এক প্রতিবন্ধি। ৫দিন যাবৎ এলাকার মাতাব্বরদের কাছে ঘুরে কোন বিচার না পেয়ে সোমবার রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের ওজারখোলা গ্রামের আব্দুল কাদির(৪২) বিষপানে আত্ম হত্যা করেন । আজ মঙ্গলবার দুপুরে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করেছেন। ঘটনার পর থেকে শ্যালকের দুই ছেলে গা-ঢাকা দিয়েছে।

জানাযায়, দাউদকান্দি উপজেলার পাচগাছিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামের দিদার মিয়ার একমাত্র ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধি আব্দুল কাদির ১২বছর বয়স থেকে মামার বাড়ী ওজার খোলা গ্রামে চলে আসেন এবং স্থানীয় চক্রতলা বাজারে চায়ের দোকানে কাজ শুরু করেন। ২০ বছর বয়সে ওই গ্রামের মৃত রশিদ মিয়ার প্রতিবন্ধি মেয়ে পিয়ারা বেগমকে বিয়ে করেন। শশুর বাড়ীর পক্ষ থেকে তিন কাঠা জমির উপর বাড়ী করে দেয় তাকে । তার তিন ছেলে সাইফুল(১৭), সাকিল(৭) ও সজিব(২) নামের সবাই জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধি।

এলাকাবাসী জানান, গত ১৮ জানুয়ারী শ্যালক হোসেন মোল্লার ছেলে কামাল ও জামাল দুই ভাই মিলে প্রতিবন্ধি আব্দুল কাদিরের ঘরে এসে তাকে এবং তারে বড় ছেলেকে মারধর করে। তিন দিন যাবৎ এলাকার মাতাব্বরদের কাছে ঘুরে বিচার না পেয়ে ২২ জানুয়ারী সোমবার রাতে নিজ ঘরে বিষ পানে আত্মহত্যা করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির মেম্বার জানান, প্রতিবন্ধি আব্দুল কাদির সহজ সরল মানুষ ছিলেন। যে কোন কাজের কথা কেউ বললে কখনো না করতো না, যে যা দিত তা দিয়েই সে সংসার চালাত। হোসেন মোল্লার ছেলেরা তাকে মেরেছে এ কথা সে আমাকে জানানোর পর গতকাল(২২ জানুঃ) বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, এলাকার এক মুড়ব্বি ইন্তেকাল করায় আর বৈঠক করতে পারিনি। আজ সকালে শুনি সে আত্ম হত্যা করেছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লায় প্রেরণ করেছি । আর শ্যালকের ছেলেরা ৩দিন আগে মারধর করেছে বলে অনেকেই জানান। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবেনা। এব্যাপারে ইউডি মামলা হয়েছে।



The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
টাইগাররা আবারও জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323158/টাইগাররা-আবারও-জিম্বাবুয়েকে-উড়িয়ে-দিল http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323158/টাইগাররা-আবারও-জিম্বাবুয়েকে-উড়িয়ে-দিল 2018-01-23T08:39:36+0000 Daily Janakantha অনলাইন রিপোর্টার ॥ মাশরাফি-সাকিবদের বোলিং তোপে জিম্বাবুয়ে যে গুটিয়ে গেল ১২৫ রানে। আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলা টাইগাররা ...

টাইগাররা আবারও জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল

 

খেলা

Daily Janakantha

অনলাইন রিপোর্টার ॥ মাশরাফি-সাকিবদের বোলিং তোপে জিম্বাবুয়ে যে গুটিয়ে গেল ১২৫ রানে। আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলা টাইগাররা ম্যাচটা জিতেছে ৯১ রানের বিশাল ব্যবধানে।

শুরুটা করেছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, মধ্যে সাকিব আল হাসানের জোড়া আঘাত। এরপর আবারও দৃশ্যপটে মাশরাফি। পেস আর স্পিনের এ যুগলবন্দিতে মিরপুরে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে আগেভাগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

ছোট পুঁজি নিয়ে বল হাতে শুরুটা দুর্দান্ত হওয়ার দরকার ছিল বাংলাদেশের। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা সেই শুরুটাই দিয়েছেন। জিম্বাবুয়ে ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে ফিরিয়ে ১৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন তিনি।

মাশরাফির সুইংয়ে বিভ্রান্ত হয়ে প্রথম স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন মাসাকাদজা। সাব্বির রহমান ভুল করেননি, দারুণভাবে ক্যাচটা তালুবন্দি করে নেন তিনি। ১৫ বলে মাত্র ৫ রান করে আউট হয়েছেন মাসাকাদজা।

এরপর সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণি জাদুর সামনে পড়েছে জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের সপ্তম ওভারের শেষ দুই বলে সলোমন মিরে আর ব্রেন্ডন টেলরকে ফিরিয়ে দিয়েছেন বাঁ হাতি এ অলরাউন্ডার। ৭ রান করে মিরে হয়েছেন বোল্ড। রানের খাতা খোলার আগেই এলবিডব্লিউ ব্রেন্ডন টেলর। পরের ওভারের প্রথম বলটাও একটুর জন্য ব্যাটে লাগেনি ক্রেইগ আরভিনের, হ্যাটট্রিকটাও তাই হয়নি।


বিপদে পড়া জিম্বাবুয়েকে এরপর আরও চাপে ফেলেছেন মাশরাফি। ম্যাচে তার দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাজঘরের পথে হেঁটেছেন ১১ রান করা আরভিন। এবারও স্লিপে ক্যাচ, ফিল্ডার সেই সাব্বির রহমান।

সিকান্দার রাজা আর পিটার মুরের ৩৪ রানের জুটিটা প্রায় থিতু হয়ে গিয়েছিল। এ জুটিটি ভেঙে দেন সানজামুল ইসলাম। বাঁ হাতি এ স্পিনারের ঘূর্ণিতে ১৪ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন মুর। ওই ওভারেই পরের বলে একই পরিণতি ম্যালকম ওয়ালারের। সানজামুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে তিনি ফিরেছেন শূন্য রানে।

এরপর উইকেটের দেখা পেয়েছেন রুবেল হোসেন আর মোস্তাফিজুর রহমানও। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমারকে ২৩ রানে এলবিডব্লিউ করেছেন রুবেল। আর টানা ৩ ওভার মেডেন করা মোস্তাফিজ আউট করেছেন সফরকারী দলের হয়ে সবচেয়ে বড় লড়াই করা সিকান্দার রাজাকে। ৩৯ রান করে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন এ ব্যাটসম্যান।

সাকিব আল হাসান ৩টি আর মোস্তাফিজুর রহমান, সানজামুল ইসলাম আর মাশরাফি বিন মর্তুজা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। একটি উইকেট রুবেল হোসেনের।

এর আগে, তামিম ইকবাল (৭৬) আর সাকিব আল হাসানের (৫১) জোড়া হাফসেঞ্চুরির পরও ৯ উইকেটে ২১৬ রানের বেশি এগোতে পারেনি বাংলাদেশ। পরের ব্যাটসম্যানরা ছিলেন কেবল আসা যাওয়ার মধ্যে। তবে শেষ সময়ে মোস্তাফিজের হার না মানা ১৮ আর সানজামুলের ১৯ রান দুইশ’ পার করে দিয়েছে টাইগারদের।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
গাইবান্ধায় হিরোইনসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323157/গাইবান্ধায়-হিরোইনসহ-মাদক-বিক্রেতা-গ্রেফতার http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323157/গাইবান্ধায়-হিরোইনসহ-মাদক-বিক্রেতা-গ্রেফতার 2018-01-23T08:19:38+0000 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ মাদক বিরোধী অভিযানকালে ডিবি পুলিশ গাইবান্ধা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন আর রহমান পেট্টোল পাম্পের সামনে থেকে চিহ্নিত ...

গাইবান্ধায় হিরোইনসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ মাদক বিরোধী অভিযানকালে ডিবি পুলিশ গাইবান্ধা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন আর রহমান পেট্টোল পাম্পের সামনে থেকে চিহ্নিত হেরোইন বিক্রেতা মো: ওয়াহেদুজ্জামান সোহেল (৩০) কে মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতার করেছে।

এসময় তার কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের হিরোইন উদ্ধার করা হয়। সোহেল পৌরসভার পশ্চিম গোবিন্দপুর সুন্দরজাহান মোড় এলাকার মো. আজিজ মিয়ার ছেলে। এব্যপারে সদর থানায় মাদ্রক দ্রব্য আইনে একটি মামলা হয়েছে।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে॥ হাওলাদার http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323156/নিত্যপণ্য-সাধারণ-মানুষের-ক্রয়-ক্ষমতার-বাইরে-হাওলাদার http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323156/নিত্যপণ্য-সাধারণ-মানুষের-ক্রয়-ক্ষমতার-বাইরে-হাওলাদার 2018-01-23T08:18:53+0000 Daily Janakantha স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, বিগত সময়ে এক দল ক্ষমতায় থাকায় মানুষ লাশ হয়েছে। এখন ...

নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে॥ হাওলাদার

 

জাতীয়

Daily Janakantha

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, বিগত সময়ে এক দল ক্ষমতায় থাকায় মানুষ লাশ হয়েছে। এখন যারা দেশ শাসন করছে তাদের কারণে হত্যা গুম, নারী ধর্ষণ, মারামারি-হানাহানি চলছে। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনা। দু’দলের ক্ষমতায় থাকা আর ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা ও সংশয় দেখা দিয়েছে। জনগণের মনে এরশাদ সরকারের স্বর্ণালী যুগের কথা বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়। জাতীয় পার্টির উপর মানুষের আস্থা বেড়ে গেছে। অনেকে বলে জাতীয় পার্টি ছাড়া কেউ সরকার গঠন করতে পারবেনা।

মহাসচিব বলেন- ১৫ ফেব্রুয়ারি মহাসমাবেশ জাতীয় পার্টির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠন করা, সংগঠনকে সুসংগঠিত করা এবং শক্তিশালী করা আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। রংপুর নির্বাচনের মতই আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারলে আমরা ক্ষমতায় যাব।

মঙ্গলবার দলের চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে সম্পাদক মন্ডলীর মতবিনিময় সভায় মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মহাসচিব বলেন- দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতি, চালের দাম ৬০টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৯০টাকা, তেলের দাম ১২০টাকা সবকিছুই সাধারণ মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে। জাতীয় পার্টি সরকারের আমলে সব কিছুই ছিল সহনীয় পর্যায়। চালের দাম ছিল ১২-১৫ টাকা, তেলের দাম ছিল ৩০-৩৫ টাকা, প্রেট্রোলের দাম ৫-৭ টাকা ছিল।

হাওলাদার আরো বলেন- আমরা বিশ্বাস করি সরকার আসবে এবং যাবে গণতান্ত্রিক নিয়মে। জাতীয় পার্টি লাশের রাজনীতি করেনা, গুম, হত্যা, ধর্ষণের রাজনীতি করেনা। আমরা গণতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।

সাংগঠনিক বিষয়ে তিনি বলেন- আমাদের মহিলা নেতৃত্ব শক্তিশালী হবে এবং নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হবে। ওয়ার্ড কমিটি, থানা কমিটি, উপজেলা কমিটি, জেলা কমিটি সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে হবে। সকলে মিলে মিশে সংগঠন করলে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হওয়া যায়।

মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, মীর আবদুস সবুর আসুদ, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, শফিকুল ইসলাম মধু, মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, আশরাফ সিদ্দিকী, জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক, ইয়াহইয়া চৌধুরী এমপি, দিদারুল কবির দিদার, জহিরুল আলম রুবেল, ডা: সেলিমা খান ।



The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
রাজনৈতিকভাবে ধর্মের ব্যবহার কাম্য নয় ॥ ভিসি মীজানুর http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323155/রাজনৈতিকভাবে-ধর্মের-ব্যবহার-কাম্য-নয়-ভিসি http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323155/রাজনৈতিকভাবে-ধর্মের-ব্যবহার-কাম্য-নয়-ভিসি 2018-01-23T08:12:17+0000 Daily Janakantha জবি সংবাদদাতা ॥ রাজনৈতিকভাবে ধর্মের ব্যবহার কাম্য নয়। কারণ রাষ্ট্র হচ্ছে ইহজাগতিক, আর ধর্ম হচ্ছে পরজাগতিক। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট পূর্ববর্তী ...

রাজনৈতিকভাবে ধর্মের ব্যবহার কাম্য নয় ॥ ভিসি মীজানুর

 

জাতীয়

Daily Janakantha

জবি সংবাদদাতা ॥ রাজনৈতিকভাবে ধর্মের ব্যবহার কাম্য নয়। কারণ রাষ্ট্র হচ্ছে ইহজাগতিক, আর ধর্ম হচ্ছে পরজাগতিক। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট পূর্ববর্তী সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ৪ ধর্মের বাণী দিয়ে শুরু হতো। পরবর্তীতে ৯৬-এর পূর্ব পর্যন্ত শুধু মুসলিম ধর্মীয় গ্রন্থের বাণী দিয়ে শুরু হয়। বর্তমানে সরকারের আমলে সমাজ থেকে এসকল ধর্মীয় কুসংস্কার ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব অনেকাংশে দুরীভূত হয়েছে। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপার্চায এ সব কথা বলেন।

মঙ্গলবার জবি কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আলোচনা সভাটি শুরু হয়। সভায় তিনি আরো বলেন, বর্তমান সমাজে ব্যাপক উন্নত মানসিকতার বিবর্তন ঘটেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। এবারের সরস্বতী পূজা দেশের যেকোন স্থানের তুলনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্ববৃহৎ আকারে উদ্যাপিত হয়েছে।

জবি কেন্দ্রীয় পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. প্রিয়ব্রত পাল-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মনিরুজ্জামান ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. আবদুস সামাদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কেন্দ্রীয় পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ার্দ্দার।



The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
শেরপুরে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন ১ http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323154/শেরপুরে-ধর্ষণের-দায়ে-যাবজ্জীবন-১ http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323154/শেরপুরে-ধর্ষণের-দায়ে-যাবজ্জীবন-১ 2018-01-23T08:02:57+0000 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর ॥ শেরপুরে শ্রীবরদীতে বিয়ের প্রলোভনে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া এক দরিদ্র কন্যাকে ধর্ষণ ও প্রতারণার দায়ে এক ধর্ষকের ...

শেরপুরে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন ১

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর ॥ শেরপুরে শ্রীবরদীতে বিয়ের প্রলোভনে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া এক দরিদ্র কন্যাকে ধর্ষণ ও প্রতারণার দায়ে এক ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড- দিয়েছে শিশু আদালত। দন্ডিত পলাশ মিয়া (২২) উপজেলার গিলাগাছা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। মঙ্গলবার বিকেলে দন্ড-প্রাপ্ত পলাশের অনুপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন শিশু আদালতের বিচারক (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন।

ধর্ষণের ফলে কন্যা সন্তানের জন্ম হওয়ার পর ডিএনএ পরীক্ষায় ওই ধর্ষিতার কন্যার বাবা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে পলাশ মিয়া পলাতক রয়েছে। রায়ে একইসাথে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। আর ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া মেয়েটিকে তার মায়ের হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

শিশু আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শ্রীবরদী উপজেলার গিলাগাছা গ্রামের পলাশ মিয়া পাশ^বর্তী আবুয়ারপাড়া গ্রামের ৫ম শ্রেণিপড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী ওই বালিকার সাথে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে বালিকা স্কুলছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়লে ঘটনাটি জানাজানি হয়। কিন্তু ধর্ষক পলাশ মিয়া ঘটনাটি অস্বীকার করলে বালিকার বাবা বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই বছরের ১ জুন ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়।

পরে আদালতে ধর্ষক পলাশ ওই বালিকার পেটের বাচ্চা তার নয় বলে অস্বীকার করে জামিনে বেরিয়ে আসে। পরে ধর্ষিতা বালিকা কন্যা সন্তান প্রসবের পর ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষক পলাশ মিয়া জন্ম নেওয়া ওই শিশু কন্যার ‘বায়োলজিক্যাল ফাদার’ (পিতা) বলে নিশ্চিত হওয়ার পর ধর্ষক আত্মগোপন করে। পরে শ্রীবরদী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন ধর্ষক পলাশ মিয়াকে একমাত্র আসামী করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বাদী, জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৮ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার আদালত ধর্ষক পলাশ মিয়াকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ঘোষণা করেন। আসামীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
ঝালকাঠি জেলা গণপূর্ত বিভাগের ২০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323153/ঝালকাঠি-জেলা-গণপূর্ত-বিভাগের-২০টি-প্রকল্প-বাস্তবায়ন http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323153/ঝালকাঠি-জেলা-গণপূর্ত-বিভাগের-২০টি-প্রকল্প-বাস্তবায়ন 2018-01-23T08:00:10+0000 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝালকাঠি ॥ ঝালকাঠি জেলায় গণপুর্ত বিভাগ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার আমলে উন্নয়নের ৯ বছরে ৬৩ কোটি ৬৭ ...

ঝালকাঠি জেলা গণপূর্ত বিভাগের ২০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝালকাঠি ॥ ঝালকাঠি জেলায় গণপুর্ত বিভাগ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার আমলে উন্নয়নের ৯ বছরে ৬৩ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যায়ে ২০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে ৯টি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন ও হস্তান্তর হয়েছে এবং অবশিষ্ট প্রকল্পের কাজ চলছে।

প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ৮ তলা বিশিষ্ট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা পুলিশ অফিসার্স মেস, জেলা সদর পুলিশ ফাড়ি, পুলিশ লাইন্সের মহিলা ব্যরাক, ৭টি উপজেলা ভুমি অফিস নির্মান, জেলা কারাগারের অভ্যান্তরিন মহিলা করা ব্যারাক নির্মান, কাঠালিয়ার তারাবুনিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, রাজাপুর ফায়ার সার্ভির ও সিভিল ডিফেন্স নির্মান, পেরিমিটার ওয়াল সহ জেলা কারাগারের সম্প্রসারন ভবন নির্মান, জেলা কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র ইসলামিক মিসন কমপ্লেক্স, জেলা ইলেক্টোরাল সার্ভর স্টেশন নির্মান, ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার কাম ব্যারাক ভবন নির্মান। ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার কাম ব্যারাক ভবন নির্মান।


The Daily Janakantha website developed by
BIKIRAN.COM
]]>
বরিশালে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন বিপাকে শিক্ষার্থীরা http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323152/বরিশালে-শিক্ষকদের-ক্লাস-বর্জন-বিপাকে-শিক্ষার্থীরা http://www.dailyjanakantha.com/details/article/323152/বরিশালে-শিক্ষকদের-ক্লাস-বর্জন-বিপাকে-শিক্ষার্থীরা 2018-01-23T07:52:35+0000 Daily Janakantha স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ শিক্ষা জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবীতে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মঘট শুরু হয়েছে। যার কারণে মঙ্গলবার সকাল থেকে ...

বরিশালে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন বিপাকে শিক্ষার্থীরা

 

দেশের খবর

Daily Janakantha

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ শিক্ষা জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবীতে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মঘট শুরু হয়েছে। যার কারণে মঙ্গলবার সকাল থেকে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষকরা। ফলে বরিশাল বিভাগের দুই হাজার তিনশ’ বেসরকারী স্কুল, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরেছে চরম বিপাকে।

অপরদিকে চলমান কর্মসূচীর তৃতীয় দিনে সকাল ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে বিভাগীয় শিক্ষক সমিতি। সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বিভাগীয় সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক অধ্যাপক মহসিন উল-ইসলাম জানান, ৭২ সালের সংবিধানে উল্লেখিত রয়েছে সকল শিক্ষা জাতীয়করণের। এই বিষয়টি কোন সরকার বাস্তবায়ন করেনি। যার কারণে তারা বাধ্য হয়েছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় ধর্মঘটে যেতে এবং তাদের দাবী না মানা পর্যন্ত এই কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের কর্মসূচী অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারী রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের সাথে মতবিনিময়, ২৫ জানুয়ারী সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবং ২৭ জানুয়ারী সকল বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে ধর্মঘট চলাকালীন নগরীর একে স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা ক্লাশে এসে শিক্ষকদের না পেয়ে ফিরে গেছে। বছরের শুরুতে ক্লাশ না হওয়ায় বছরের শেষে গিয়ে অতিরিক্ত চাঁপ পরতে পারে বলে আশংকা করছেন অভিভাবকরা। ক্লাশ বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পরেছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।




]]>