মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৩, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০
শব-ই-বরাত উপলক্ষে ৩০ কোটি টাকার আতশবাজি
নিয়াজ আহমেদ লাবু ॥ শব-ই-বরাত উপলক্ষে প্রায় ৩০ কোটি টাকার আতশবাজি বিক্রির টার্গেট নিয়ে মাঠে নেমেছে পুরনো ঢাকার পেশাদার একটি সিন্ডিকেট। এই বিস্ফোরক আমদানির সঙ্গে জড়িত পুরনো ঢাকার মৌলভীবাজারের চিহ্নিত কয়েক ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে। তবে পুলিশ বলেছে, শব-ই-বরাতকে উপলক্ষ করে আতশবাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দুই মাস আগে থেকে পুরনো ঢাকার চকবাজার থানাধীন দেশের বৃহৎ পাইকারি পণ্যের বাজার মৌলভীবাজারের একটি আমদানিকারক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চীনের গুয়াংজু প্রদেশ থেকে বিভিন্ন পরিচয়ে কোটি কোটি টাকার আতশবাজির কাঁচামাল ও বিস্ফোরক তৈরির গানপাউডার আমদানি করে। পরে তারা গোপনে দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রি করে দিয়েছে। এটা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। নিষিদ্ধ বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরির কাঁচামাল বিশাল মজুদ করে রেখেছে পেশাদার এই সিন্ডিকেটটি। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে প্রতিবারের ন্যায় এবারও নৌপথে আনা নিষিদ্ধ এসব পণ্য অভিনব কৌশলে ঢাকায় আনা হয়। পরে তাদের রক্ষিত গুদামে রেখে গোপনে তা বিক্রি করে দিচ্ছে। এদিকে এসব বিস্ফোরক নানা পরিচয়ে মৌলভীবাজারের কয়েকটি আড়তে মজুদ করা হয়। পরে সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে তা পুরনো ঢাকা, মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের গোপন আস্তানায় পাঠানো হয়। এসব উপকরণ দিয়ে পটকাসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক তৈরির সামগ্রী রাজধানীর পাড়া-মহল্লার দোকানে দোকানে ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামেগঞ্জে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে চলতি বছর থেকে বিরোধী দলের বিক্ষোভ, সমাবেশ এবং হরতাল হলে ব্যাপকভাবে ককটেল বিস্ফোরণ হচ্ছে। কয়েকমাস ধরে হঠাৎ করেই ককটেলের ব্যবহারে সাধারণ মানুষের মধ্যে বেড়েছে আতঙ্ক। এতে অনেকে নিরীহ মানুষ মারাও গেছে। অনেকের জানমাল ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
আগামী ২৪ জুন রাত থেকে পবিত্র রজনী লাইলাতুল বরাতের রজনী। এ উপলক্ষে কয়েকদিন ধরে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় এখন দিনরাত চলছে পটকা ও তারা বাতিসহ বিভিন্ন অতিদাহ্য সামগ্রী। ইতোমধ্যে আতশবাজি ও পটকাবাজি বিক্রির ধুম পড়ে গেছে। এ ব্যাপারে লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ জনকণ্ঠকে জানান, পবিত্র শব-ই-বরাতকে সামনে রেখে আতশবাজি, পটকার কাঁচামাল ও বিস্ফোরক তৈরির গানপাউডার আমদানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিস্ফোরক তৈরি কাঁচামাল আমদানি করা হচ্ছে বলে শুনেছি। তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এসব বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানিকারক সিন্ডিকেট ধরার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। পুলিশ অথবা কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি এসব বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানিকারকদের সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে র‌্যাব-১০ লালবাগ বিভাগের পরিচালক ক্যাপ্টেন মোঃ মাহফিজুর রহমান জনকণ্ঠকে জানান, প্রতিবারের মতো পবিত্র শব-ই-বরাতের আগে থেকে নিষিদ্ধ বিস্ফোরক দ্রব্য গানপাউডার, আতশবাজি, পটকার কাঁচামাল, আমদানিকারক ও বিক্রেতাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলবে। আতশবাজি, পটকাসহ যে কোন বিস্ফোরক বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এতে পবিত্র শব-ই-বরাতে পবিত্রতা নষ্ট করতে দেয়া হবে না। তিনি জানান, এজন্য প্রতিটি মহল্লার যুবক শ্রেণী ও অভিভাবককে সজাগ থাকারও আহ্বান জানান তিনি। তাহলে শব-ই-বরাতের দিন আতশবাজি ও পটকা ফাটানো বন্ধ হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এবারও কয়েক মাস আগে চীন থেকে ভিন্ন পরিচয়ে আমদানি করা হয়েছে আতশবাজির এই উপকরণ। এসব বিস্ফোরক নানা পরিচয়ে মৌলভীবাজারের কয়েকটি আড়তে মজুদ করা হয়। পরে সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে তা পুরান ঢাকা, মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের গোপন আস্তানায় পাঠানো হয় পটকাসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক সামগ্রী তৈরির জন্য। মৌলভীবাজারের কয়েক ব্যবসায়ীকে এই বিস্ফোরক আমদানির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা উঠে এসেছে। ইতোমধ্যে তাদের পেছনে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, আতশবাজি আমদানিকারক সিন্ডিকেটের প্রধান পুরনো ঢাকার চকবাজার থানাধীন দেশের বৃহৎ পাইকারি কেন্দ্র মৌলভীবাজারের প্রথম আদ্যাক্ষরে ‘রি’ স্টোরের মালিক জামাই হিসেবে পরিচিতি ‘রু’ নামের আদ্যাক্ষরের এক ব্যবসায়ী। এছাড়া প্রথম আদ্যাক্ষরে ‘লি’ এন্টারপ্রাইজের মালিক ‘স’ আদ্যাক্ষরে। দেশীয় তারাবাতির প্রধান উৎপাদক ‘সি’ আদ্যাক্ষরের এক ব্যবসায়ী। যার কারখানা শহীদনগর, বৌবাজার বেড়িবাঁধসংলগ্ন মরা বুড়িগঙ্গার শাখা নদী দখল করে আরসিসি পাইলিং পিলার দিয়ে গড়ে তোলা দ্বিতল ভবন শোভা পাচ্ছে। সেখানে পটকা ও আতশবাজি তৈরি হচ্ছে। সূত্র জানায়, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ তথ্য থাকার পরেও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সূত্র জানায়, পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ওই ব্যবসায়ীরা এই বিস্ফোরক নিজেদের হেফাজতে রেখেছে। এর আগে বিভিন্ন সংস্থা কয়েকবার অভিযান চালিয়ে ওইসব আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে আতশবাজি আমদানিকারক হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের রিপন স্টোরের মালিক জামাই রুহুল আমিনের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। এর আগে রিপন স্টোরে দুই দফা যোগাযোগ করা হলে তাঁর ম্যানেজার জনকণ্ঠকে জানান, মালিক রুহুল আমিন বাইরে আছেন। দোকানটি তাঁদের মনোহারীর। এখানে কসমেটিক্স, নারীদের বিভিন্ন ব্যবহারের সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়। আতশবাজি ও পটকা ব্যবসার সঙ্গে তাঁর মালিক জড়িত নন। এ ব্যাপারে লিমা এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ সাইদের সঙ্গে তাঁর বাংলা লিংক ও রবি নম্বরে বার বার যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি গত বছর শব-ই-বরাতের আগে পুরনো ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকে ট্রাকবোঝাই বিপুল পরিমাণ আতশবাজি আটক করা হয়। পরে রহস্যজনক কারণে আলোর মুখ দেখেনি।
এবারও এখন পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসন কোন বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের কোন ফলপ্রসূ উদ্যোগ দেখাতে পারেনি। এতে চিহ্নিত ওই বিস্ফোরক সিন্ডিকেট দলটি পুরোদমে আতশবাজি ও পটকা তৈরি করে মজুদ রেখেছে। আর কয়েকদিনের মধ্যে কোটি কোটি টাকার এই বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো নৌ ও রেলপথে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়। সূত্রগুলো জানায়, পুলিশ প্রশাসন ফলপ্রসূ অভিযান না চালালে গতবারের মতো এবারও শব-ই-বরাতের রজনীতে রাতভর আতশবাজি, পটকা ও তারা বাতিসহ বিভিন্ন অতিদাহ্য সামগ্রী বিস্ফোরণের ফলে সাধারণ মুসল্লি ও ইবাদতকারীদের অনেকেই চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়বেন। আতশবাজি ফোটানোর কারণে মর্যাদাপূর্ণ এই রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটবে। এসব বিস্ফোরক বিস্ফোরণের ফলে এবারও অনেক শিশু-কিশোর আহতের ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে পুরনো ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শব-ই-বরাতকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়।
এদিকে ডিএমপির সৎ ও নিষ্ঠাবান এক উর্ধতন কর্মকর্তা জানান, কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে বিস্ফোরক কাঁচামাল রাজধানীতে প্রবেশ করছে। গত মাস থেকে রাজধানীর চকবাজার ও মৌলভীবাজারে নিষিদ্ধ বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরির কাঁচামাল বিশাল মজুদ করে রেখেছে পেশাদার ওই আতশবাজি সিন্ডিকেটটি। পরে তারা এই কাঁচামাল দিয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আতশবাজি ও পটকা তৈরি করে রাজধানীসহ দেশের প্রত্যন্ত গ্রামেগঞ্জে বিক্রি করে দিচ্ছে। এতে অল্প কয়েকদিনের ভেতরে আতশবাজির এই সিন্ডিকেটটি শব-ই-বরাত আসার আগেই এই বিস্ফোরক দ্রব্য বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। আর পকেট ভারি করছে ওইসব দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা। যারা অসৎ, তারা শব-ই-বরাতের পবিত্রতা বুঝবে কী। তিনি দাবি করেন, পুরনো ঢাকার মৌলভীবাজারের চিহ্নিত বিস্ফোরক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করলে আতশবাজি ও পটকা বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। তার আগে আতশবাজি সিন্ডিকেটটি সহায়তাকারী কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান। ডিএমপি সূত্র জানায়, প্রতিবছর শব-ই-বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন করার জন্য ওদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য বহন ও আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে। তারপর প্রতিটি মহল্লার শিশু, কিশোররা আতশবাজি ও পটকা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। এজন্য মূলত অভিভাবকরা দায়ী। কারণ তারা যদি নিজের সন্তানদের ওপর এ ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখেন তাহলে পটকাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে।
পুরনো ঢাকার কিছু আমদানিকারক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চীনের গুয়াংজু প্রদেশ থেকে বিভিন্ন পরিচয়ে কোটি কোটি টাকার আতশবাজির কাঁচামাল ও বিস্ফোরক তৈরির গানপাউডার আমদানি করে। পরে তারা গোপনে দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রি করে দিয়েছে। তিনি জানান, সামনে শব-ই-বরাতকে উপলক্ষ করে এসব বিস্ফোরকের কাঁচামাল দিয়ে আতশবাজি, পটকা, তারাবাতিসহ নানা বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরি করে রাজধানীসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিক্রি করে দিচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থার অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সানোয়ার হোসেন আরও জানান, এক বছর ধরে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ৪-৫টি টিম মাঠে নেমেছে। ইতোমধ্যে শিল্পকারখানার এসব বিস্ফোরক কাঁচামাল আমদানিকারকের ওপর মনিটরিং করা হচ্ছে। যাতে বিস্ফোরক কাঁচামাল সন্ত্রাসী ও হরতালকারীদের কাছে পৌঁছতে না পারে। তিনি জানান, কয়েক মাসে বোমা তৈরিকারক প্রায় ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের কাছ থেকে প্রায় ১০ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলীয় কতিপয় নেতা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাদের দলীয় কর্মীদের দিয়ে ককটেল বেশি ব্যবহার করছে। ককটেল তিন ধরনের হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে যে ককটেলগুলো বিস্ফোরণ বা উদ্ধার হচ্ছে সেগুলোর ভেতরে কেমিক্যাল হিসেবে বারুদের ব্যবহার রয়েছে। বাকিগুলোতে কেমিক্যাল নেই। তাতে এ ককটেলগুলো মানবদেহের জন্য ততটা ক্ষতিকর নয়। তবে খুব কাছাকাছি এবং জনাকীর্ণ স্থানে এর বিস্ফোরণ ঘটানো হলে ক্ষতি হতে পারে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী টিমের প্রধান অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সানোয়ার হোসেন আরও বলেন, বিস্ফোরণে তিন ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এগুলো হচ্ছে, তাপপ্রবাহ সৃষ্টি করা, যাতে মানব দেহ পুড়ে যেতে পারে। এছাড়া উচ্চ শব্দ তৈরি হয়ে শকওয়েভে মানুষের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে। আর ব্লাস্টিং ওভারপ্রেসার অর্থাৎ শব্দের কারণে কান ফেটে যেতে পারে। তিনি জানান, রাজধানীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি ও যারা এর অবৈধ ব্যবসা করে সন্ত্রাসীদের হাতে বিস্ফোরক দ্রব্য তুলে দিচ্ছেন তাদের একটি তালিকা গোয়েন্দা পুলিশ প্রস্তুত করেছে। খুব শীঘ্রই বড় একটি অভিযানও পরিচালনা করা হবে। র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সময়ে যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটছে তাতে অনেকে হতাহত হচ্ছেন। কারা এগুলো ব্যবহার করছে, কাদের কাছ থেকে বারুদ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তিনি জানান, ছোট অপরাধ থেকেই বড় অপরাধের সৃষ্টি হয়। এজন্য এটি রোধ বা বন্ধ করতে তারা কাজ করছেন।