মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, ৭ ফাল্গুন ১৪১৯
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম ॥ হরতাল প্রত্যাখ্যান
০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত, দোকানপাট, বড় বড় শপিংমল ছিল স্বাভাবিক
০ সারাদেশে কিছু জঙ্গী হামলার চেষ্টা জামায়াতের, চৌদ্দগ্রামে পুলিশের গুলিতে নিহত ১
০ এ্যাম্বুলেন্সে হামলা করে জামায়াত-শিবির, মারা গেছে রোগী
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাধারণ জনগণ কর্তৃক স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোন হরতাল প্রত্যাখ্যানের ঘটনা ঘটল। শুধু প্রত্যাখ্যান নয়, হরতালবিরোধী মিছিলে গোটা রাজধানী ছিল সরগরম। রাজধানীর জীবনযাত্রা ছিল অনেকটাই স্বাভাবিক। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে এবং জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে জামায়াতের ডাকা সোমবারের দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল প্রত্যাখ্যানের ডাকের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করায় এমন ইতিহাস সৃষ্টি করল দেশের প্রায় সব মানুষ। হরতালের দিনেও রাজধানীর অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শপিংমল, যানবাহন চলাচল ছিল প্রায় স্বাভাবিক। শুধু রাজধানীতে প্রাইভেটকারের চলাচল ছিল কম। এছাড়া ট্রেন ও লঞ্চের চলাচল ছিল স্বাভাবিক। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটিয়েছে রাজধানীসহ সারাদেশে জামায়াত-শিবির। বিচ্ছিন্ন ঘটনায় রাজধানী ঢাকায়, কক্সবাজার ও কুমিল্লায় একজন করে মোট ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। হরতালের পক্ষে মিছিল করার সময় রাজধানীতে জনতার গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে অন্তত ১০ শিবিরকর্মী। এদিকে হরতাল পালন না করায় দেশবাসীর প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়। এমন রায়ের সূত্র ধরেই সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে গড়ে ওঠে গণজাগরণ মঞ্চ। সেই রেশ ধরে সারাদেশেই গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি হয়। সারাদেশ থেকেই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আসছেন দেশের সাধারণ মানুষ।
এমন দাবির মুখেও গত শুক্রবার ১৫ ফেব্রয়ারি কক্সবাজারে জামায়াত-শিবির পুলিশের ওপর হামলা করে। হরতাল পালনকালে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়। নিহতরা শিবিরকর্মী দাবি করে জামায়াত-শিবির সোমবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয়। এমন হরতাল প্রত্যাখ্যান করার দাবি জানায় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকারী দেশের সাধারণ জনগণ।
সোমবার হরতালে রাজধানীর অধিকাংশ দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আদালতসহ প্রায় সব কিছুই খোলা ছিল। তবে স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি স্বাভাবিকের তুলনায় কম ছিল। সার্বিকভাবে হরতালে তেমন কোন প্রভাবই পড়েনি।
সোমবারের বিবিসির প্রতিবেদনে সাংবাদিক কাদির কল্লোল বলেন, রাজধানীতে টাউন সার্ভিস বাস, হিউম্যান হলার, টেম্পু, সিএনজিসহ অন্যান্য প্রায় সকল যানবাহনের চলাচল ছিল স্বাভাবিক। রাজধানীর মহাখালী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাসটার্মিনাল থেকে কিছু দূরপাল্লার বাস ছেড়ে গেছে। তবে তার পরিমাণ ছিল তুলনামূলক কম। তবে এই প্রথমবারের মতো কোন হরতালে বাংলাদেশে দূরপাল্লার বাস ছাড়ল। তবে সদরঘাট থেকে লঞ্চ এবং কমলাপুর থেকে নিয়মিত ট্রেন ছেড়ে গেছে। রাজধানীতে প্রাইভেটকারের চলাচল ছিল কিছুটা কম। রাজধানীর বসুন্ধরা, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডসহ প্রায় প্রতিটি শপিংমল খোলা ছিল। মানুকে স্বচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। মানুষের মধ্যে হরতাল সম্পর্কে কোন আতঙ্ক কাজ করেনি।
বিবিসির প্রতিবেদনে সাংবাদিক ছাবির মোস্তফা বলেন, জনগণ সোমবারের জামায়াতের ডাকা হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণ ইচ্ছে করলে এমন হরতাল যে প্রত্যাখ্যান করে দিতে পারেÑ সোমবারের হরতাল তার উদাহরণ।
রাজধানীজুড়েই ছিল হরতালবিরোধী মিছিল। জামায়াতের ডাকা হরতাল প্রতিহত করতে মাঠে ছিল বিপুলসংখ্যক সাধারণ জনতা ও সরকারদলীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। সকাল থেকেই রাজধানীর কাওরানবাজার, মগবাজার, মহাখালী, পল্টন, মতিঝিল, সদরঘাট, গাবতলী, শ্যামলী, মিরপুরের ১০ নম্বর, পল্লবী, শ্যামলী টেকনিক্যাল মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে হরতালবিরোধী মিছিল করে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিল থেকে হরতাল প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। মতিঝিল ও পল্টন এলাকায় হরতাল আহ্বানকারী জামায়াত-শিবিরের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। এসব এলাকায় সকাল থেকেই বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সিবিএ নেতাকর্মী, শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা দফায় দফায় হরতালবিরোধী মিছিল করে। জামায়াতের ডাকা হরতাল স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধ করেছে বিমানের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। সিবিএ সভাপতি বিমান মশিকুর রহমানের নেতৃত্বে শ্রমিকলীগ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশাল মিছিল বের করে। মিছিল শেষে তারা বিমানকে রাজাকারমুক্ত করার ঘোষণা দেয়।
তবে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে সারাদেশে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন মধ্যবাড্ডার মেনরোডে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংকের বাড্ডা শাখার পেছনে জামায়াত-শিবির কর্মীরা অবস্থান নেয়। এ সময় ঢাকা মেট্রো-ছ-১১-২৪২০ নম্বরের একটি হিউম্যান হলার রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডের দিকে যাচ্ছিল। হলারটিতে চালক ও হেলপারসহ মোট ১৪ যাত্রী ছিল। যাত্রী নামানোর জন্য হিউম্যান হলারটি ইসলামী ব্যাংকের সামনে চালক দাঁড় করায়। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই জামায়াত-শিবিরের ৩০/৩৫ জন ক্যাডার হিউম্যান হলারটির ওপর হামলে পড়ে। হামলাকারীরা লাঠিসোটা নিয়ে হলারটির ওপর চড়াও হয়। দেখতে দেখতেই কয়েকটি লাঠির আঘাত করে হলারটিতে। এ সময় চালক নিরাপদে যেতে দ্রুত হলারটি চালিয়ে দেয়। তাড়াহুড়ার কারণে হলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় শিবির কর্মীরা হলারটি লক্ষ্য করে খানিকটা দূর থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রাও প্রতিরোধে অংশ নেয়। এ সময় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। অনেকেই ইসলামী ব্যাংকের ভেতরে আত্মগোপন করে। জামায়াত-শিবিরের হামলায় হিউম্যান হলারটির ৩ যাত্রী আহত হন। গুরুতর আহত একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জনকণ্ঠকে জানান, নিহতের নাম মোহাম্মদ ইকবাল (৪০)। বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানায়। আহত অপর দুই যাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে জনতা ৪ শিবিরকর্মীকে ধরে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বাকিরা পালিয়ে গেছে। পুলিশ হিউম্যান হলারটি জব্দ করতে পেরেছে।
সকাল সোয়া ৮টার দিকে রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়া ইউ টার্নে একটি যাত্রীবাহী বাস টার্ন করার সময় জামায়াত-শিবির হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। কিন্তু আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই পুলিশ নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। এ সময় জনতা ৩ জনকে ধরে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ওদিকে সোমবার বেলা ১১টার দিকে রামু উপজেলার চেইন্দা এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফগামী একটি এ্যাম্বুলেন্সে হামলা চালায় জামায়াত-শিবির। হামলাকারীরা এ্যাম্বুলেন্সটি ভাংচুর করে। এ সময় এ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই রোগী হাফিজ আবদুর রহমানের (৬০) মৃত্যু হয়। নিহত রোগী কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং এলাকার মুফিজুর রহমানের ছেলে।
অন্যদিকে সোমবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমজাদের বাজার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষকালে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গুলিতে মোহাম্মদ ইব্রাহীম (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়। নিহত ইব্রাহীম শিবিরকর্মী বলে জামায়াতের দাবি। তবে পুলিশের দাবি, নিহত ইব্রাহীম জামায়াত-শিবিরের গুলিতে মারা গেছে। ইব্রাহীম সাধারণ পথচারী। ইব্রাহীমের রাজনৈতিক পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ইব্রাহীমের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। গোলাগুলির সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার লুদিয়ারা গ্রামের মকবুল আহমেদের ছেলে নাঈমুল ইসলাম মুরাদ (২৩) ও দুর্গাপুর গ্রামের কবির আহমেদের ছেলে এনায়েত হোসেন (২৪) গুলিবিদ্ধ হন। তাদের কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গোলাগুলিতে ১০ জন আহত হন।
ওদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানা এলাকায় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চে হামলা করেছে জামায়াত-শিবির। তারা গণজাগরণ মঞ্চের ব্যানার ছিঁড়ে ও চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করে। হামলাকারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করে। বাধা দিতে গেলে পুলিশ, স্থানীয় জনতা ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় জনতা ও হরতালবিরোধীরা জামায়াত অফিস ও জামায়াতের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি ক্লিনিক ভাংচুর করে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়া রাজধানীর ডেমরার মাতুয়াইল আমিরুল মিল্লাত মহিলা মাদ্রাসার পেছন থেকে আচমকা ৩০/৩৫ জামায়াত-শিবিরকর্মী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা করে। পুলিশ দ্রুত সেখানে অভিযান চালালে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় জনতা। দুপুর ৩টার দিকে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় জামায়াত-শিবির। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে।
পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকায় জামায়াত-শিবির মিছিল বের করলে পুলিশ ও জনতার রোষানলে পড়ে। জনতা ধাওয়া করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মোহসীন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ দীন আমিরকে ধরে গণধোলাই দেয়। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
মহাখালীর গুলশান লিংক রোডে সকালে জামায়াত-শিবির ঝটিকা মিছিল বের করলে পুলিশ ও জনতা ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করে। দুপুরে রাজধানীর হাজারীবাগে হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করার চেষ্টা করে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়।
বিকেল ৪টার দিকে কাঁটাবন মোড়ে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর গাড়িতে আগুন দেয়ার চেষ্টা করে জামায়াত-শিবির। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুই যুবক মোটরসাইকেলযোগে পার্ক করা গাড়িটির পেছনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়ার মুখে যুবকরা দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়।
এদিকে রাজশাহীর কাটাখালীর পৌর মেয়র ও জামায়াতের আমির মাজেদুর রহমানের বাড়ি থেকে ককটেল বানানোর উপকরণ উদ্ধার ও এ ব্যাপারে তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়র পলাতক রয়েছে।