মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১২, ৪ শ্রাবণ ১৪১৯
দায় স্বীকার করে এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহীর পদত্যাগ
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ জঙ্গী অর্থায়নে গুরুতর অভিযোগের দায় স্কীকার করে অবশেষে পদত্যাগ করলেন বিশ্বের বৃহত্তম এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ডেভিড ব্যাগলে। ব্যাংকটির বিরুদ্ধে জঙ্গী অর্থায়নে শত শত কোটি ডলার পাচারে (মানিলন্ডারিং) সহযোগিতা করার গুরুতর অভিযোগ ওঠার একদিন পরই তিনি প্রধান নির্বাহী পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ব্যাংকটির এই প্রধান নির্বাহী মার্কিন সিনেট কমিটিকে জানিয়েছেন, প্রধান নির্বাহী পদ থেকে পদত্যাগ করলেও তিনি ব্যাংকের সঙ্গে জড়িত থাকবেন। ব্যাগলেসহ ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান নির্বাহীরা সিনেট কমিটির সামনে হাজির হয়ে অর্থ পচারের ঘটনায় নিজেদের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে নিলেও নিজেদের জ্ঞাতসারে এসব অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেন। তবে তাঁরা ব্যাংকের দুর্বলতার ফাঁক গলে অর্থ পচারের দায়দায়িত্ব স্বীকার করে পুরো ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। খবর ফক্স নিউজ ও ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনের।
মেক্সিকোর মাদক ব্যবসার অবৈধ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়া নিয়ে মার্কিন সিনেটের উপকমিটি গত সোমবার একটি প্রতিবেদন প্রকশ করে। এই তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকটির শিথিল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি ডলার পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। মানিলন্ডারিংয়ের এই অভিযোগের সঙ্গে মেক্সিকো, সৌদি আরব ও বাংলাদেশর নাম উঠে আসে। তদন্ত রিপোর্টে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক লিমিডেট ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যাংকটি দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে মানিলন্ডারিংয়ের এই কাজে জড়িত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে জঙ্গী সংগঠনের জন্য তহবিল যোগান দেয়ার অভিযোগ থাকলেও এসব ব্যাংকের সঙ্গে এইচএসবিসি ব্যাংকের লেনদেন রয়েছে। কেবল বাংলাদেশ নয়, সৌদি আরবের কিছু ব্যাংককেও এইচএসবিসি একই ধরনের সেবা দিয়েছে। এইচএসবিসির এই কেলেঙ্কারি নিয়ে মার্কিন সিনেট উপ-কমিটিতে মঙ্গলবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।