মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
৫২৩১৬
বুধবার, ১৭ মার্চ ২০১০, ৩ চৈত্র ১৪১৬
তেঁতুলিয়ায় ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খুলতে কৃষকদের ভোগান্তি
নিজস্ব সংবাদদাতা, পঞ্চগড়, ১৬ মার্চ ॥ তেঁতুলিয়ায় ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খুলতে কৃষকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফরম হাতে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপো করে এমনকি একদিন দু'দিন ঘোরাঘুরি করেও ব্যাংকের লোকজনের অসহযোগিতার কারণে অনেকে এ্যাকাউন্ট খুলতে পারছেন না। সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক শাখায় গেলে দণি কাশিমগঞ্জ গ্রামের কৃষক আব্দুল আজীজ, জমাদারপাড়া গ্রামের ফিরোজা, পাঠানপাড়া গ্রামের বানু রবিবার সকালে এসে ফরম নিয়ে সারা দিন অপোর পরও এ্যাকাউন্ট খুলতে পারেননি। তাঁরা সোমবার আবারও সকাল ৯টায় ব্যাংকে আসেন। বিকেল ৩টা পর্যনত্ম তাঁদের এ্যাকাউন্ট খোলা হয়নি বলে অভিযোগ করেন। অথচ সমপ্রতি জেলা প্রশাসক তাঁর অফিস সম্মেলন ক েব্যাংক কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে কৃষকরা ১০ টাকা জমা দিয়ে ফরমের স্বারের জায়গায় সই দিলেই এ্যাকাউন্ট নম্বর দেয়ার এবং কার্ড থেকে ব্যাংক কর্তৃপ পরবর্তীতে ফরমগুলো পূরণ করবেন মর্মে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
একেবারে সীমানত্মঘেঁষা বাংলাবান্ধা ইউপির ৫শ' ৯৬ কৃষকের এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কৃষি বিভাগ থেকে এই শাখায় তালিকা পাঠানো হয়েছে। এই এলাকার কৃষকদের সবচেয়ে কাছের ব্যাংক হচ্ছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) তীরনইহাট শাখা। কিন্তু ১৭ কিলোমিটার দূরবর্তী তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংক শাখায় বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের কৃষকদের এ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক তেঁতুলিয়া শাখার ব্যবস্থাপক নুরম্নন্নবীর কাছে এ্যাকাউন্ট খুলতে কৃষকরা কেন হয়রানির শিকার হচ্ছেন জানতে চাওয়া হলে তিনি প্তি হয়ে স্টাফ দিয়ে বাইরে অপেমাণরত কৃষকদের চেম্বারে ডেকে গালমন্দ শুরম্ন করেন এবং অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন। এ সময় বাংলাবান্ধা গ্রামের ফজর আলী, জামাদারপাড়া গ্রামের জাবেদাসহ উপস্থিত কৃষকরা ব্যবস্থাপকের সামনেই এ্যাকাউন্ট খুলতে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
কৃষি উপকরণ সহায়তা উপজেলা কমিটির সভাপতি তেঁতুলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তারুল হক মুকু এ্যাকাউন্ট খুলতে কৃষকদের হয়রানি করার অভিযোগ সত্য জানিয়ে বলেন, ব্যাংক কর্তৃপ তাঁর কোন কথাই শুনছেন না।