শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১২, ১ আষাঢ় ১৪১৯ 
অনন্য এক সাগরকন্যা
গৌরব জি. পাথাং
বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সাগরকন্যা বলে খ্যাত। কি নেই তার! রূপ, যৌবন ও লাবণ্য, সবই আছে তার! রূপে গুণে অতুলনীয় এই সাগরকন্যা। অথৈ জল, ধু ধু বালুকা, উঁচু পাহাড় টিলা সবই আছে তার। এক কথায় বলতে গেলে একের ভিতর তিন কিংবা তারও বেশি। আছে গভীর সমুদ্রের বুকে জাহাজে করে দ্বীপে যাবার শিহরণ। আছে নিকট থেকে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারকে দেখার সুবর্ণ সুযোগ। আরও আছে মহেশখালীতে রাখানইদের বৌদ্ধমন্দির, আর ভাগ্য ভাল হলে তাদের পূজা পার্বণ উপভোগ করা অনাবিল আনন্দ, আছে হিমছড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার অপার আনন্দ ও শিহরিত . . .
একটি নৌবিহার, আমাদের আনন্দ ভ্রমণ
ফেরদৌসী খানম লাকী
২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ছোট ছেলে ধ্রুবকে নিয়ে ঠিক পৌনে সাতটায় বেরিয়ে পড়লাম সদরঘাটের উদ্দেশে। যেখানে আমাদের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে ঢাকা টু চাঁদপুর ঘাট পর্যন্ত লঞ্চ বোগদাদীয়া-৮। যাতে চড়ে নদীর সৌন্দর্য দেখতে দেখতে চলে যাব গন্তব্যস্থলে। আগারগাঁও থেকে সিটিং বাসে চড়ে ঠিক পৌনে আটটায় চলে গেলাম সদরঘাট। টিকেট কেটে ঢুকে গেলাম ছেলেকে নিয়ে লঞ্চ খোঁজার জন্য। অবশেষে শেষ সীমায় পেয়ে গেলাম আমাদের কাক্সিক্ষত লঞ্চ। প্রায় ২০ বছর পর লঞ্চে উঠতে একটু রোমাঞ্চই লাগছিল। আর আমার ছেলেরও নদীপথে যাত্রা প্রথম। কিছুক্ষণ পর লঞ্চের . . .
ঘুরে আসুন সুভলং
এসএম নাজমুল হক ইমন
ব্যস্ত জীবনে একটু সময় পেলেই প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে যান পাহাড় বা সাগরের কাছে। পর্বতপ্রেমী পর্যটকরা ঘুরে আসতে পারেন পাহাড় অরণ্যে ঘেরা রাঙ্গামাটির সুভলং। পাহাড় হ্রদের নিবিড় পরশে আপনার মনেও সৃষ্টি করতে পারে ভিন্ন এক অনুভূতি। প্রতিবছর বর্ষা এলেই জেগে ওঠে পাহাড়ের খাদে লুকিয়ে থাকা সুভলংয়ের ঝরনাগুলো। এই ঝরনাগুলো পার্বত্য রাঙ্গামাটি শহর থেকে মাত্র দেড় ঘণ্টা দূরত্বে অবস্থিত। এখানে প্রায় ৭-৮টি ঝরনা আছে। তবে বড় ঝরনা একটিই, যা সুভলং ঝরনা নামে খ্যাত। মৌসুমী এসব ঝরনার আয়ুষ্কাল ৩-৪ মাস।
মূলত বর্ষাকালজুড়েই প্রবাহিত . . .
আগরতলা ভ্রমণ
খন রঞ্জন রায়
উদয়পুরে বিখ্যাত হোটেল গৌরীতে নির্ধারণ ছিল দুপুরের খাবার। মণিপুরী চেহারার মহিলা কর্মী যুগলের পান খাওয়া আর ডাউস বেগুনি ভাজা দৃশ্য আলাপচারিতার ফাঁকে উপভোগ করেছি। ফুলকপি আলু দোলমা, নাপিত বাটিতে মসুর ডাল, চাইনিজ আকৃতির মুরগি ভাজার সঙ্গে ২-১টা শসার টুকরো পরিবেশন ভঙ্গি ছিল গলদঘর্ম অবস্থা। বেগতিক অবস্থা গতি আনতে আমাদের দলের ৩-৪ জনকে পরিবেশন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হলো। শান্ত হলো ডাইনিং হল।
অতৃপ্ত খাবারের তৃপ্তি আনতে মিত্রা আর মেহেরুন পাশের ফুটপাথ থেকে দুই খিলি পান খেল। মূল্য পরিশোধে এগিয়ে গেলাম। কত জিজ্ঞাসা . . .
|