৫ এপ্রিল ২০২০, ২২ চৈত্র ১৪২৬, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

ইসির অনুমতি ছাড়া বদলি নয়

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ৩ আসনে ভোট

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ আসন্ন তিন সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে অনুমতি না নিয়ে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে ভোটের ফল ঘোষণার ১৫ দিন পর্যন্ত নির্দেশনাটি কার্যকর থাকবে। খবর বাংলানিউজের।

আগামী ২১ মার্চ গাইবাবান্ধা-৩ আসন, ঢাকা-১০ আসন ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচন হবে। ইসির উপসচিব মোঃ আতিয়ার রহমান ইতোমধ্যে একটি পরিপত্র জারি করে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফল ঘোষণার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতি ছাড়া কাউকে কর্মস্থল থেকে বদলি করা যাবে না। এছাড়াও নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনের সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের অবশ্য কর্তব্য। নির্বাচনী সময়সূচী জারির পর নির্বাচনী কর্মকর্তা বিশেষ বিধান আইন ১৯৯১-এর ৪(৩) ধারা অনুসারে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী স্বীয় চাকরির অতিরিক্ত হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রেষণে নিয়োজিত আছেন বলে বিবেচিত হবে। আর কোন ব্যক্তি নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হলে তার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তাকে নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কোন দায়িত্ব পালনের বিষয়ে বাধা দিতে বা বিরত রাখতে পারবে না।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়, ২৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই। ২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি আপীল ও আপীল নিষ্পত্তি ২৮ ফেব্রুয়ারি। ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারে শেষ দিন। প্রতীক বরাদ্দ ১ মার্চ আর ভোটগ্রহণ হবে ২১ মার্চ। গাইবাবান্ধা-৩ আসনটি গত ২৭ ডিসেম্বর, ঢাকা-১০ আসনটি ২৯ ডিসেম্বর, ১০ জানুয়ারি বাগেরহাট-৪ শূন্য হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

১৪/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: