১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:১৬ পি. এম.
  সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি কার্যক্রম জোরদার ও নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। জাত ও মানভেদে প্রতিকেজি দেশী পেঁয়াজ ১৭০-১৮০ এবং আমদানিকৃতটি ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। তবে এই দামও অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তা ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, দাম আরও কমা উচিত। পেঁয়াজের পাশাপাশি চাল, ডাল, আটা, ময়দা ও ডিমের দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লেও কমছে না সবজির দাম। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম হ্রাস পেয়েছে। ভোজ্যতেল, চিনি ও মাছ-মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। লবণের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, কাপ্তান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, যাত্রাবাড়ী ও মুগদা বড় বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি বাজারে দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে নতুন উঠা পেঁয়াজ ও পাতা পেঁয়াজ। এছাড়া মিসর, তুরস্ক, চীন, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বাজারে। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টিসিবি ‘ট্রাকসেল’ কার্যক্রম বাড়িয়েছে। প্রতিদিন বিমানে আসছে ১১০ মে. টন পেঁয়াজ। এছাড়া সমুদ্রপথে আনা হচ্ছে আরও ৬০ হাজার মে. টন। এই পেঁয়াজ শীঘ্রই চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জনকণ্ঠকে বলেন, পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে নাগালের মধ্যে চলে আসবে। তিনি বলেন, নতুন পেঁয়াজ উঠছে। এছাড়া বিমানে করে পেঁয়াজ এনে বাজার সামাল দেয়া হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী পর্যায়েও বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করছি, এসব উদ্যোগের ফলে পেঁয়াজের দাম শীঘ্রই আরও কমে আসবে।

এদিকে, বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি বাজারে দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে। এর পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতারা মিসর ও তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। ক্রেতাদের কাছে সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেশী জাতের। এ কারণে দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়। ক্রেতারা এই দাম বেশি বলে জানিয়েছেন। ফকিরাপুল বাজারের পেঁয়াজ ক্রেতা সাকিবুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, এখনো পেঁয়াজের দাম বেশি। ভালমানের এককেজি পেঁয়াজ ১৮০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অথচ এই পেঁয়াজ গত বছর ৪০ টাকায় কেনা গেছে। দাম বাড়লেও বাজারে পেঁয়াজের অভাব নেই। প্রতিটি দোকানে পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ রয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত সঙ্কট মেটাতে সরকার বিমান যোগে পেঁয়াজ আনছে। এই পেঁয়াজ নিয়ে যাতে কেউ ছিনিমিনি না খেলে সেদিকে সরকারের মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন।

এদিকে, চাল, ডাল, আটা ও ডিমের দাম আবার বেড়ে গেছে। মোটা চাল ও ডালের দাম বাড়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের উপর এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে তাদের বাজার খরচ বেড়ে যায়। এবছর দেশে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়া সরকারী গুদাম ভর্তি রয়েছে ধান-চালে। এ অবস্থায় ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব সামনে এনে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চালের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। এরফলে বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়ে গেছে। প্রতিকেজি সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৬০ টাকায়। এছাড়া মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। সাধারণ মানের নাজিরশাইল ও মিনিকেট ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। অর্থাৎ বাজারে প্রতিকেজি চালে ২-৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা কখনোই দাম বাড়ানোর জন্য দায়ী নয়। চালকল মালিক ও পাইকার ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ সব সময় বাজার অস্থিতিশীল করে বাজার থেকে ফায়দা লুটতে চায়। চালের এই সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে সমস্যা দূর হচ্ছে না। তাদের মতে, কোন কারণ ছাড়াই প্রতিবস্তা চালে ২০০-২৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এখন সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে কিন্তু দাম কমছে না।

এছাড়া বাজারে দাম বেড়ে প্রতিকেজি ভালমানের নেপালী ডাল ১১৫-১২৫, আটা প্যাকেট ৩৬-৩৮, ময়দা ৩৭-৪০ ও ডিম ৩৬-৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবণের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিকেজি প্যাকেটজাত লবণ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এছাড়া ভোজ্যতেলের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। দাম কমে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, রাজধানীর বাজারে শীতের শাক-সবজির সরবরাহ বেড়েছে কিন্তু দাম কমছে না। প্রতিপিস ফুলকপি-বাধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। শিম ৬০-৮০, টমেটো ১০০, কাঁচা মরিচ ৮০, প্রতিপিস লাউ ৫০-৬০, মূলা ও শালগম ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৫০-৬০ টাকার মধ্যে বিক্প্রচ্ছদ-৫/বাণিজ্য

সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি কার্যক্রম জোরদার ও নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। জাত ও মানভেদে প্রতিকেজি দেশী পেঁয়াজ ১৭০-১৮০ এবং আমদানিকৃতটি ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। তবে এই দামও অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তা ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, দাম আরও কমা উচিত। পেঁয়াজের পাশাপাশি চাল, ডাল, আটা, ময়দা ও ডিমের দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লেও কমছে না সবজির দাম। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম হ্রাস পেয়েছে। ভোজ্যতেল, চিনি ও মাছ-মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। লবণের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, কাপ্তান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, যাত্রাবাড়ী ও মুগদা বড় বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি বাজারে দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে নতুন উঠা পেঁয়াজ ও পাতা পেঁয়াজ। এছাড়া মিসর, তুরস্ক, চীন, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বাজারে। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টিসিবি ‘ট্রাকসেল’ কার্যক্রম বাড়িয়েছে। প্রতিদিন বিমানে আসছে ১১০ মে. টন পেঁয়াজ। এছাড়া সমুদ্রপথে আনা হচ্ছে আরও ৬০ হাজার মে. টন। এই পেঁয়াজ শীঘ্রই চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জনকণ্ঠকে বলেন, পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে নাগালের মধ্যে চলে আসবে। তিনি বলেন, নতুন পেঁয়াজ উঠছে। এছাড়া বিমানে করে পেঁয়াজ এনে বাজার সামাল দেয়া হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী পর্যায়েও বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করছি, এসব উদ্যোগের ফলে পেঁয়াজের দাম শীঘ্রই আরও কমে আসবে।

এদিকে, বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি বাজারে দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে। এর পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতারা মিসর ও তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। ক্রেতাদের কাছে সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেশী জাতের। এ কারণে দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়। ক্রেতারা এই দাম বেশি বলে জানিয়েছেন। ফকিরাপুল বাজারের পেঁয়াজ ক্রেতা সাকিবুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, এখনো পেঁয়াজের দাম বেশি। ভালমানের এককেজি পেঁয়াজ ১৮০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অথচ এই পেঁয়াজ গত বছর ৪০ টাকায় কেনা গেছে। দাম বাড়লেও বাজারে পেঁয়াজের অভাব নেই। প্রতিটি দোকানে পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ রয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত সঙ্কট মেটাতে সরকার বিমান যোগে পেঁয়াজ আনছে। এই পেঁয়াজ নিয়ে যাতে কেউ ছিনিমিনি না খেলে সেদিকে সরকারের মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন।

এদিকে, চাল, ডাল, আটা ও ডিমের দাম আবার বেড়ে গেছে। মোটা চাল ও ডালের দাম বাড়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের উপর এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে তাদের বাজার খরচ বেড়ে যায়। এবছর দেশে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়া সরকারী গুদাম ভর্তি রয়েছে ধান-চালে। এ অবস্থায় ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব সামনে এনে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চালের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। এরফলে বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়ে গেছে। প্রতিকেজি সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৬০ টাকায়। এছাড়া মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। সাধারণ মানের নাজিরশাইল ও মিনিকেট ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। অর্থাৎ বাজারে প্রতিকেজি চালে ২-৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা কখনোই দাম বাড়ানোর জন্য দায়ী নয়। চালকল মালিক ও পাইকার ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ সব সময় বাজার অস্থিতিশীল করে বাজার থেকে ফায়দা লুটতে চায়। চালের এই সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে সমস্যা দূর হচ্ছে না। তাদের মতে, কোন কারণ ছাড়াই প্রতিবস্তা চালে ২০০-২৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এখন সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে কিন্তু দাম কমছে না।

এছাড়া বাজারে দাম বেড়ে প্রতিকেজি ভালমানের নেপালী ডাল ১১৫-১২৫, আটা প্যাকেট ৩৬-৩৮, ময়দা ৩৭-৪০ ও ডিম ৩৬-৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবণের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিকেজি প্যাকেটজাত লবণ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এছাড়া ভোজ্যতেলের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। দাম কমে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, রাজধানীর বাজারে শীতের শাক-সবজির সরবরাহ বেড়েছে কিন্তু দাম কমছে না। প্রতিপিস ফুলকপি-বাধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। শিম ৬০-৮০, টমেটো ১০০, কাঁচা মরিচ ৮০, প্রতিপিস লাউ ৫০-৬০, মূলা ও শালগম ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৫০-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। কাপ্তান বাজারের সবজি বিক্রেতা রাশেদ জনকণ্ঠকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পর থেকে সবজির দাম বেড়ে গেছে। তবে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শীঘ্রই দাম কমে আসবে। তিনি বলেন, দিন যত যাবে, সবজির সরররাহ তত বাড়বে। এ কারণে সবজি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এছাড়া বাজারে মাছ-মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। প্রতিকেজি ইলিশ ৬০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। এছাড়া বাজারে দেশী জাতের মাছের সরবরাহ বেড়েছে। বিশেষ করে শৈল, বোয়াল, রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের সরবরাহ বেড়েছে। গরু ও খাসির মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। কাপ্তান বাজারের সবজি বিক্রেতা রাশেদ জনকণ্ঠকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পর থেকে সবজির দাম বেড়ে গেছে। তবে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শীঘ্রই দাম কমে আসবে। তিনি বলেন, দিন যত যাবে, সবজির সরররাহ তত বাড়বে। এ কারণে সবজি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এছাড়া বাজারে মাছ-মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। প্রতিকেজি ইলিশ ৬০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। এছাড়া বাজারে দেশী জাতের মাছের সরবরাহ বেড়েছে। বিশেষ করে শৈল, বোয়াল, রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের সরবরাহ বেড়েছে। গরু ও খাসির মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:১৬ পি. এম.

২২/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: