১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 

স্বাধীনতাবিরোধীদের নামে স্থাপনা, সড়কের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর ২০১৯
  • বীর মু্িক্তযোদ্ধাদের নামে করতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব স্থাপনা ও সড়ক থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নাম পরিবর্তন করে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদেশ বাস্তবায়ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ প্রদান করেছে। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ কে রাশিদুল হক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডিএজি অমিত তালুকদার। স্বাধীনতাবিরোধীদের নামে স্থাপনা, সড়ক, অবকাঠামোর নামকরণ স্থগিত চেয়ে ২০১২ সালে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ও শাহরিয়ার কবির। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরেই ১৪ মে রুলসহ খান এ সবুর ও শাহ আজিজুর রহমানের নাম ব্যবহার স্থগিত আদেশ প্রদান করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করে আদালত। রুলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের নামে থাকা সড়ক, স্থাপনা ও অবকাঠামোর নাম পরিবর্তনের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না পরিবর্তনের পর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সে সব নামকরণ কেন করা হবে না এবং যারা ওই নামকরণের জন্য দায়ী তাদের কেন বিচারের আওতায় আনা হবে না জানতে চাওয়া হয়। পরে এ সমস্ত স্থাপনার নাম পরিবর্তন করে প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাচিব ও খুলনা মেয়রকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল। কিন্ত আদেশের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও কোন স্থাপনা থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নাম না সরানোর কারণে এ বিষয়ে পুনরায় শুনানি নিয়ে প্রশাসনকে শেষবারের মতো সময় বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট।

এর আগে বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করেছিল। কিন্ত আদেশের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কোন স্থাপনা থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নাম না সরানোর কারণে এ বিষয়ে পুনরায় শুনানি নিয়ে আদালত প্রশাসনকে শেষবারের মতো সময় বেঁধে দিল। প্রসঙ্গ আদালতে স্বাধীনতাবিরোধী যে ২০ জনের তালিকা দেয়া হয়েছে তারা হলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দ-প্রাপ্ত বিএনপির সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলিম , সাবেক মন্ত্রী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ কায়সার আলী, মৌলভীবাজারের শান্তি কমিটি চেয়ারম্যান এন এম ইউসুফ আলী, সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস, ফরিদপুরের আবদুর রাজ্জাক মিয়া, মৌলভীবাজারের মাহতাব উল্লাহ, গাইবান্ধার আবদুল আজিজ ও আবদুল জব্বার, নোয়াখালীর তরিকুল্লাহ, ঝিনাইদহের মিয়া মনসুর আলী, কুমিল্লার রেজাউর রহমান, নাটোরের আবদুস সাত্তার খান মধু মিয়া ও কছির উদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণের মোঃ তামিমুল এহসান ও মোহাম্মদ উল্লাহ, নেত্রকোনার আবদুর রহমান মেহেরপুরের মিয়া মনসুর আলী ও সাবদার আলী এবং ঝিনাইদহের সফি আহমেদ।

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর ২০১৯

১৫/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: