১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

হারিয়ে যাচ্ছে দেশী বাদ্যযন্ত্র, দখল নিচ্ছে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি

প্রকাশিত : ৯ নভেম্বর ২০১৯
  • কোন রকমে টিকে আছেন বাদ্যযন্ত্রীরা

গৌতম পান্ডে ॥ ‘সঙ্গীতে সহযোগী দেশী বাদ্যযন্ত্র এখন কোণঠাসা। বুঝুক আর না বুঝুক ছেলেরা এখন ডিজিটাল বাদ্যযন্ত্রে বেশি আকৃষ্ট। তারা ওই উচ্চশব্দের বাদ্যযন্ত্রের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ছে। কোন অনুষ্ঠান হলেই কি বোর্ড, বিদেশী গিটার, বিদেশী ড্রাম বাজানো হয়, এমনকি তবলা তানপুরাও এখন ইলেক্ট্রনিক হয়ে গেছে। এর ফলে দেশী বাদ্যযন্ত্রীরাও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ জীবন বাঁচানোর তাগিদে ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রের দিকে ঝুঁকছেন। লোকসঙ্গীতের সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেশী বাদ্যযন্ত্রকেও হারাতে বসেছি। এখন লোকগান হয়ে গেছে নগরকেন্দ্রিক। পাশ্চাত্যের প্রভাব সংস্কৃতির মধ্যে ঢুকে গিয়ে আমরা হারাতে বসেছি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ -হতাশা নিয়ে কথাগুলো বললেন বাগেরহাটের ফকিরহাটের দেশী লোকজ বাদ্য গবেষক নিখিল কৃষ্ণ মজুমদার। তিনি নিজেই দেশী বাদ্যযন্ত্র তৈরি করে বাজান, শিক্ষার্থীদের সেসব বিনা পয়সায় শেখান।

‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল, আমাকে তুই বাউল করে সঙ্গে নিয়ে চল’ জনপ্রিয় এ গানটি এখন কথায়ই গান। একতারা এখন আর দেশের কথা বলতে পারছে না। পাশ্চাত্যের উচ্চ গ্রামের শব্দ তাকে গলা টিপে ধরেছে। একতারার এর মোহনীয় সুর এখন আর শ্রোতাদের বিমোহিত করে না। একটা সময় ছিল যখন ভাল্লুক বানর ও সাপখেলায় তুবড়ি, বাজিকরের ডুগডুগি, যাত্রাপালায় হারমোনিয়াম, সার্কাসের জোকারের ঘুঙুর, রাজকীয় কাজে খাজনা আদায় ও লাঠি খেলায় নাকাড়া, পালাগানে দোতারার মতো দেশী বাদ্যযন্ত্র শোভা পেত। এর বাইরে খমক, মৃদঙ্গ, কঙ্গ, বঙ্গ, সানাই, তুরি, বেনু, করতাল, মন্দিরা, ঘণ্টা, সেতার, সারিন্দা, বেঞ্জু, বাঁশি, হারমোনিয়াম, বেহালার মতো বাদ্যযন্ত্রও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হতো। এখন আর ওসব নেই। উচ্চাঙ্গ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ব্যবহৃত সেতার ও সরোদের ব্যবহার এখনও রয়েছে, কিন্তু পুরনো দিনের সেই সেতার ও সরোদ নেই। তার জায়গা দখল করেছে আধুনিক কাঠামো।

দেশী বাদ্যযন্ত্রের অধিকাংশই যখন মুখ থুবড়ে পড়েছে, তখন গিটার, কিবোর্ড, পিয়ানো, ড্রামসেট, ভায়োলিনের মতো ভিনদেশী বাদ্যযন্ত্রের কদর বেড়েই চলেছে। এখনকার নতুন প্রজন্ম এত কষ্ট করে কোন কিছু শিখতে আগ্রহী নয়। তারা তুলনামূলক সহজ হওয়ায় ইলেক্ট্রনিক বাদ্যযন্ত্রের দিকে ঝুঁকছে। একটা সময় ছিল যখন শিল্পীরা নিজেদের বাদ্যযন্ত্র নিজেরাই তৈরি করে নিতেন। দা কিংবা অন্যকিছু দিয়ে কেটে কেটে তারা একতারা, দোতরা, বাঁশির মতো যন্ত্র তৈরি করে সেগুলো আবার বাজাতেনও। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাদ্যযন্ত্রেও ঘটেছে বিবর্তন।

লোকজ বাদ্য গবেষক নিখিল কৃষ্ণ মজুমদার বলেন, আমি ১৯৮৫ সাল থেকে বাংলাদেশ বেতার খুলনার মিউজিশিয়ান হিসেবে কাজ করছি। বাঁশি, দোতরা, ম্যান্ডোলিন, খোমক, একতারা, কাঠি ঢোলসহ লোকআঙ্গিকের বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র প্রাকটিস করি। আমরা বাজারে যে দেশী বাদ্যযন্ত্র পেতাম সেটা আমার কাছে ভালমানের মনে হতো না। আমার পছন্দ হয়নি বলেই আজ থেকে ২৩ বছর আগে নিজেই তৈরি করা শুরু করেছিলাম। যখন দেখলাম দোতরার বাদক পাওয়া যাচ্ছে না, বা যারা বাজাচ্ছে তাদের অনেকে খুব খাটো চোখে দেখা হচ্ছে তখন আমার মনে হলো দেশের যন্ত্রকে নতুন রূপ দিয়ে বিশেষ করে এর সাউন্ড কোয়ালিটি যদি ভাল করি তাহলে অনেকেই আগ্রহী হবে। আমি সবদেশী যন্ত্র তৈরি করে বাজাই। আমি প্রথম তৈরি করি বাঁশি। এরপর দোতরা। পরে একতারা, খমক, প্রেমজুড়ি, সারিন্দা মোটামুটি আমার যা দরকার পড়ে সবই আমি নিজে তৈরি করি। যারা এটা শিখতে আগ্রহী তাদের শেখানোর পাশাপাশি তৈরি করাও শেখাচ্ছি। সুরের ভাল লাগা যদি পেতে হয় তাহলে আমাদের দেশী যন্ত্রের বিকল্প নেই। যারা দেশী যন্ত্র বাদ দিয়ে বিদেশী যন্ত্র বাজিয়েছে তাদের অনেকেই আমেরিকা কানাডা থেকে আমার কাছে এসেছে দোতরা নিতে।

দেশী যন্ত্র বাদ দিয়ে আমরা বিদেশী যন্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়ব এটার পক্ষে আমি না বিধায় আমার কাজ করছি, ফলও পেয়েছি। আমি মনে করি আমাদের লোকযন্ত্র হারাবে না।

কোন এক সময়ে সঙ্গীতচর্চা ও আয়োজনের বড় অংশজুড়ে থাকত বিভিন্ন দেশী বাদ্যযন্ত্র। কালের বিবর্তনে ডিজিটাল সংস্কৃতির সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে হারিয়ে গেছে অতীতের অনেক বাদ্যযন্ত্র। সঙ্গীতেও লেগেছে পাশ্চাত্যের ছোঁয়া। তাই একসময় যাদের সঙ্গীতে হাতেখড়ি হয়েছিল হারমোনিয়াম কিংবা তবলায়, তাদের উত্তরসূরিরা বেছে নিচ্ছেন গিটার কিংবা কিবোর্ড। তাহলে কী দেশী বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্তির পথে হাঁটছে? দেশী বাদ্যযন্ত্র তৈরি ও বিক্রির সবচেয়ে বড় জায়গা রাজধানীর শাঁখারীবাজারে দেখা যায় দেশী বাদ্যযন্ত্রের বিক্রি নেই তেমন। অনেকে বিদেশী যন্ত্র বিক্রি করেন। শাঁখারীবাজার ও আশপাশের এলাকায় বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুত এবং বিক্রির ঐতিহ্যের বয়স প্রায় দু শ’ বছরের। যতীন এ্যান্ড কোং এখানকার পুরনো দোকানগুলোর অন্যতম। কয়েক পুরুষ ধরে এ ব্যবসায় জড়িত রয়েছেন উত্তরসূরিরা। পুরনো নতুন মিলিয়ে এখন প্রায় ২০ বাদ্যযন্ত্রের দোকান রয়েছে, যারা নিজেরাই দেশী নানা বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুত করে থাকেন। সতীশ, সুরসাগর, সুধা, নিউশিল্পী নিকেতন, অংকুর, লোকনাথ, কনা মিউজিক, সুরশিল্পী, শ্রীকৃষ্ণ মিউজিক্যাল হাউস, নন্দী এ্যান্ড কোং, নিল এ্যান্ড ব্রাদার্স, ঝর্ণা মিউজিক্যাল হাউস তেমনি কিছু প্রতিষ্ঠার। এরা বেশির ভাগই দেশী বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুত করে। রেডিমেড বা অর্ডার দিয়েও বাদ্যযন্ত্র কেনা যায়। চাইলে দেশের বাইরে থেকে বাদ্যযন্ত্র এনে দেয়। নিজেদের প্রস্তুত করা হারমোনিয়াম, তবলা, গিটার, দোতরা, একতারা, সারিন্দা, এ¯্রাজ, তানপুরা, সেতার, বাঁশি, মৃদঙ্গ, ঢুমকো, ঢোল, জিপসী, খোল, মন্দিরা, কঙ্গো, বেহালা সবই এখানে পাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় হারমোনিয়াম ও তবলা।

যতীন এ্যান্ড কোংয়ের প্রতিষ্ঠাতা যতীন ম-লের ছেলে সুনীল কুমার ম-ল বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বললেন, দেশী বাদ্যযন্ত্রের ক্ষেত্রে যতীন এ্যান্ড কোম্পানি অনেক পুরনো এবং এর একটা ঐতিহ্য আছে। দেশ স্বাধীনের আগে হারমোনিয়াম বেশি চলত। স্বাধীনতার পরেও চলেছে। মূলত চল্লিশ বছর আগে দেশী বাদ্যযন্ত্র বেশি বিক্রি হতো। অবশ্য হারমোনিয়ামের প্রচলন এখনও আছে। পাকিস্তান আমলে আমরা হারমোনিয়ামের পাশাপাশি তারপুরা, দোতরা, বাঁশি, বেহালাসহ প্রায় সব রকমের দেশী বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতাম। তানপুরার প্রচলন এখন কম। ক্ল্যাসিক্যালের সঙ্গে ওটা এ্যাসেন্সিয়াল। কিন্তু এখন ওটার ব্যবহার না করে ডিজিটাল তানপুরা দিয়ে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। আগে হাওয়াইন গিটার বেশি বাজাত, আমরা নিজেরাই তৈরি করে বিক্রি করতাম। এখন এর প্রচলন তেমন নেই। বিদেশী গিটার আসার পরে আমাদের তৈরি গিটারের চাহিদা কমে যায়। আমরা এখন বিদেশীটাই বিক্রি করি। দোতরা, একতারা এখনও যে চলে না তা নয়, তবে খুব কম। আজকাল বাউল গানেও ইলেক্ট্রনিক বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

শাঁখারীবাজারের শ্রীকৃষ্ণ মিউজিক্যাল হাউসের কর্ণধার স্বপন সরকার বলেন, দেশীয় বাদ্যযন্ত্র এখন খুবই কম চলে। এখন তো কাজকাম ছেড়েই দিয়েছি। আগে হারমোনিয়াম তৈরি করতাম। এখন গ্রামে কারিগর আছে। সেখান থেকে মাল এনে বিক্রি করি। টুকটাক মেরামত, টিউন এসব করি। দোতরা মাঝে মধ্যে চলে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় কম। এখন গিটারটা চলে বেশি। বিদেশী যন্ত্র কি-বোর্ড বের হওয়ার পরে হারমোনিয়াম-টারমোনিয়াম চলে কম। যারা সুস্থ ধারার গান করে তারাই হারমোনিয়াম কেনে। আগে কীর্তনে খোল ব্যবহার করত এখন তার পরিবর্তে নাল ব্যবহার করে। সারিন্দা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা আর চলে না। যারা এটা বাজায় তারা কেউ নেই, শিখবে কার কাছে? আজকালের পোলপানের দেশী যন্ত্রের দিকে তেমন ঝোঁক নেই, বিদেশী যন্ত্রের প্রতিই আকৃষ্ট। বেঞ্জু এখন পুরোই বন্ধ। এর কারিগরই নেই, কেউ বানায় না। অবশ্য ভারতে এখনও আছে। বাঁশের বাঁশি এখন খুব কম চলে, কারণ কি-বোর্ডে বাঁশির বিকল্প কাজ চলে। তবলাও তো কিবোর্ডে হচ্ছে। দেশী যন্ত্র কেনাকাটা অনেক খারাপ। আগে যে কাজ করতাম তার অনেক চাহিদা ছিল। সেই চাহিদাটা নেই। কারিগররা এ কাজ শিখতে চায় না।

একটা সময় ছিল বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বৈঠকী অনুষ্ঠান হতো সানাই বাদনের। এখন সেগুলো দেখা যায় না শোনাও যায় না। খুলনার প্রবীণ সানাই বাদক দুর্লভ বলেন, এখন আর দমে পেরে উঠি না। তবু মাঝে মধ্যে কোন পূজার অনুষ্ঠান হলে বাজাই। তবে কদর আর আগের মতো নেই। খুলনা বেতারে গিয়েছিলাম। ওখান থেকে বলা হলো, পনেরো শ’ টাকা বেতন দেবে। এতে কি চলে বলেন? পরে আমি বেশি গুরুত্ব দিইনি।

গানের সহযোগী তবলাও এখন অনেক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক হয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে অনেক ক্ষোভ আছে বেতারের সিনিয়র তবলা শিল্পী জগন্নাথ ব্যানার্জী বললেন, তবলা ছাড়া আমাদের দেশের গান কল্পনাই করা যায় না। অথচ সেই তবলা ও তবলা শিল্পীর মর্যাদা এখন কমে গেছে। শুধুমাত্র রবীন্দ্র, নজরুল ও উচ্চাঙ্গসঙ্গীতেই তবলা ব্যবহার হচ্ছে, এর বাইরে তেমন নয়।

ঢাকা বেতারের ট্রান্সকিপশন বিভাগের লোকযন্ত্র বাদক রতন রায় বলেন, আমাদের দেশী বাদ্যযন্ত্র হারিয়ে যাওয়ার পথে। এর মিউজিসিয়ানও তৈরি হচ্ছে না। বাদ্যযন্ত্রের বাংলাদেশে নেই কোন একাডেমি। এসব যন্ত্র শিখতে গেলে অনেক সময় লাগে। সম্ভবত এ কারণে ছাত্রছাত্রীরা শিখতে এলে দেখা যায় যে এক বছর বা ছয় মাস শিখে চলে যায়। এ জন্য ভাল কোন মিউজিসিয়ান তৈরিও হচ্ছে না। যদি এ বিষয়ে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেত তাহলে দেশীয় বাদ্যযন্ত্র কিছুটা হলেও বাঁচিয়ে রাখা যেত।

কাঠ, খাসির চামড়া, গরুর চামড়া, লাউ, পাইন কাঠ, প্লাইউড, পিতল এগুলো হচ্ছে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র তৈরির কাঁচামাল। তবলা প্রস্তুত করার জন্য একসময় মাটির বায়া পাওয়া যেত, এখন আর সেই বায়া নেই। মন্দিরা নামের ছোট বাদ্যযন্ত্রটি এখন অনেকেই ভারতে কিনতে যান। অথচ ধামরাইয়ে কাঁসা শিল্পীরা এখনও ভাল মন্দিরা প্রস্তুত করেন। বেহালা নামক যন্ত্রটি আমাদের এখানে তৈরি হলেও তেমন মানসম্মত হয় না। দামে একটু কম হলেও ক্রেতারা ভারতীয় বা চায়নিজ বেহালা কেনেন।

গাইবান্ধার প্রখ্যাত বেঞ্জুবাদক আবুল হোসেন বলেন, সঙ্গীতের এ নিখুঁত শিল্পটাকে একেবারে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এখন কি-বোর্ডে বেঞ্জুর সুর তোলা হয়, যদিও ওটা পারপেক্ট হয় না।

রংপুরের বিখ্যাত সারিন্দা বাদক শিশির চন্দ্র বর্মণ বলেন, এখন সারিন্দা বাজানো, তৈরি করার লোক এমনকি শেখানোর লোকও নেই। অথচ প্রাচীন এই বাদ্যযন্ত্রটির অনেক ঐতিহ্য রয়েছে।

সঙ্গীত হচ্ছে আত্মার যোগ, হৃদয়ের টান- গুরুমুখীবিদ্যা। সাধনা ছাড়া সঙ্গীতে সিদ্ধি কখনোই সম্ভব না। সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে মনের পরিশুদ্ধি মেলে। সঙ্গীত সাধনার পূর্বশর্ত হচ্ছে অনুশীলন। ওই অনুশীলনের জন্য প্রয়োজন বাদ্যযন্ত্র। কণ্ঠের কথা বলি আর একক বাদ্যযন্ত্রের কথা বলি বাদ্যযন্ত্র ছাড়া সঙ্গীতচর্চা অসম্ভব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাদ্যযন্ত্রেও ঘটেছে পরিবর্তন। তাই বলে ঐতিহ্যবাহী দেশী বাদ্যযন্ত্রকে এভাবে দূরে ঠেলে না দিয়ে একে সংরক্ষণ ও যথাযথ মর্যাদা দেয়া উচিত।

প্রকাশিত : ৯ নভেম্বর ২০১৯

০৯/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

অন্য খবর



শীর্ষ সংবাদ: