১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের নতুন মানচিত্র

প্রকাশিত : ৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩১ পি. এম.
কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের নতুন মানচিত্র

অনলাইন ডেস্ক ॥ ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের বিস্তৃত সীমানা চিহ্নিত করে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

শনিবার প্রকাশিত ওই নির্দেশনার ফলে ভারতের একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র সৃষ্টি হয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর এবং সেখানে দু’জন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ দেওয়ার দুইদিন পর এই নির্দেশনা দিল দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক ব্যয় সচিব গিরিশ চন্দ্র মুর্মু জম্মু ও কাশ্মীরের নতুন লেফটেন্যান্ট গভর্নর হয়েছেন; লাদাখের দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব রাধা কৃষ্ণ মাথুর।

শনিবারের নির্দেশনায় কারগিল ও লেহকে লাদাখের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ১৯৪৭ এর মানচিত্রের বাকি অংশ থাকছে কাশ্মীরে।

নির্দেশনায় ৭২ বছর আগে যে ১৪টি জেলা নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যটি গঠিত হয়েছিল সেগুলোর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলি হচ্ছে- কাঠুয়া, জম্মু, উধমপুর, রিয়াসি, অনন্তনাগ, বারমুল্লা, পুচ, মিরপুর, মুজাফফরাবাদ, লেহ অ্যান্ড লাদাখ, গিলগিট, গিলগিট ওয়াজারাত, চিলহাস এবং ট্রাইবাল টেরিটরি।

৫৬০টিরও বেশি ‘প্রিন্সলি স্টেট’কে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিদার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৪৪তম জন্মশতবার্ষিকীতে বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রের শাসন শুরু হয়।

ভারতের পার্লামেন্ট জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য মর্যাদা কেড়ে নেওয়ায় দেশটিতে এখন রাজ্যের সংখ্যা কমে ২৮ এ দাঁড়িয়েছে; কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা বেড়ে নয়টি হয়েছে।

টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদীর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার চলতি বছরের ৫ অগাস্ট সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদে জম্মু ও কাশ্মীরকে দেওয়া বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পরই রাজ্যটিকে দ্বিখণ্ডিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

মোদী সরকার সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫-এ অনুচ্ছেদকে ‘সংবেদনশীল’ ও বৈষম্যমূলক অ্যাখ্যা দিয়ে বলেছে, কাশ্মীরের এ বিশেষ মর্যাদাই সেখানকার উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আগস্টে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার আগে থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি ও ওমর আব্দুল্লাহসহ কয়েকশ রাজনীতিককে আটক ও গৃহবন্দি করে।

সরকার অবশ্য পরে বলেছে, জম্মু ও কাশ্মীরকে বিভক্ত করে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার এ সিদ্ধান্ত ‘সাময়িক’।

কাশ্মীর উপত্যকায় ‘স্বাভাবিক অবস্থা’ ফিরে এলে ‘উপযুক্ত সময়ে’ তাকে ফের রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

প্রকাশিত : ৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩১ পি. এম.

০৩/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: