২২ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

এডিস মশার পাশাপাশি কিউলেক্স মশা নিধনে কাজ করবো ॥ মেয়র আতিক

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৫৫ পি. এম.
এডিস মশার পাশাপাশি কিউলেক্স মশা নিধনে কাজ করবো ॥ মেয়র আতিক

অনলাইন ডেস্ক ॥ ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, গত ৭ অক্টোবর থেকে দুইজন কীটতত্ববিদ এবং ১০ জন শিক্ষানবিশ কীটতত্ববিদ নিয়ে ডিএনসিসি আওতাধীন ৬৩৫টি স্থানে কিউলেক্স নিয়ে সার্ভে করা হয়। সেই সার্ভে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমরা কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করি। সেগুলো কতটুকু ফলপ্রসূ হলো তা যাচাইয়ে ২০ অক্টোবর আবার পুনরায় সার্ভে করা হয় যেখানে ইতিবাচক ফলাফল আসে। বুধবার থেকে দু’সপ্তাহব্যাপী ‘বিশেষ কর্মসূচি’ গ্রহণ করে আমরা এখন এডিস মশার পাশাপাশি কিউলেক্স মশা নিধনে কাজ করবো। এজন্য বিদ্যমান ২৭০ জন মশক নিধনকর্মীর পাশাপাশি আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রতি ওয়ার্ডে ৩০ জন করে এক হাজার ৬২০ জন মশক নিধনকর্মী কাজ করবেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ জন মশক নিধন কার্যক্রমে (ফগিং, লার্ভিসাইডিং) থাকবেন। এছাড়া বাকি ২০ জন পাঁচটি গ্রুপে চারজন করে বিভক্ত হয়ে মশার প্রজনন বা উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করবে।

আজ বুধবার রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসি নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান ডিএনসিসি মেয়র ।

মশক নিধন কার্যক্রমে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ওয়ার্ড কাউন্সিলররা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তাই তাদের কাজের জবাবদিহিতা রয়েছে জনগণের কাছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের এ বিষয়ে দায়িত্ব নিতে হবে। মাঠপর্যায়ে মশক নিধন কর্মীরা ঠিকমত কাজ করছেন কিনা, সব কাজ ঠিকমত হচ্ছে কিনা। এটি মনিটরিং করবে স্বাধীন নামে একটি কমিটি। পরে তারা নিরপেক্ষভাবে সঠিক প্রতিবেদন দেবে আমাদের।

কীটতত্ববিদদের সার্ভে প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মেয়র জানান, ডিএনসিসির ওয়ার্ডগুলো- ৫, ১১, ১৭, ২০,২৮, ৩১,৩২,৩৩ ও নম্বর ওয়ার্ড কিউলেক্স মশায় সব থেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

ডেনমার্কের সি-ফোরটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ডেনমার্কে বিভিন্ন শহরের মেয়রদের সঙ্গে আমাদের মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে আমরা অগ্নি নির্বাপণের জন্য স্যাটেলাইট ফায়ার স্টেশন এবং স্কুলের জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি দেখেছি। ডেনমার্ক সরকারের সঙ্গে আমাদের ইতোমধ্যে চুক্তি হয়েছে। অগ্নি নির্বাপণে এসব স্যাটেলাইট ফায়ার সার্ভিস খুব কাজে আসবে। অন্যরা এগুলো ব্যবহার করে ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছে। আর স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি দেবো আমরা এতে করে সড়কে যানজট কমবে।

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৫৫ পি. এম.

২৩/১০/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

জাতীয়



শীর্ষ সংবাদ: