২০ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

বিএনপি রেল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল

প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর ২০১৯
বিএনপি রেল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল
  • দক্ষিণবঙ্গসহ সারাদেশই রেল যোগাযোগের আওতায় আনা হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রেসক্রিপশনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন বিএনপি সরকারের জনবান্ধব রেলকে বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত ছিল দেশের জন্য আত্মঘাতী। আমি মনে করি, রেল বন্ধ করে দেয়া, আমাদের দেশের জন্য একটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছিল। একটা দেশের যোগাযোগের জন্য রেলপথ, সড়কপথ ও নৌ-পথ এবং সেই সঙ্গে বিমান- সব পথই চালু থাকা দরকার। দক্ষিণবঙ্গসহ সারা বাংলাদেশই রেল যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম-ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ এবং রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেসের র‌্যাক প্রতিস্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোন এক আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্দেশনা ছিল যে, যেটা লাভজনক নয় তা বন্ধ করে দেয়ার। সেই নির্দেশনায় বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে রেল যোগাযোগটাকেই সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়ার জন্য অনেকগুলো রেললাইন এবং রেলস্টেশন বন্ধ করে দেয়। দ্রুতগতির রেল চালুরও পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেটা একেবারে মুমূর্ষু অবস্থায় ছিল, যেটা লাভজনক ছিল না বলে যারা (বিএনপি) বন্ধ করতে চেয়েছিল, আমরা আজকে তাদের দেখাতে চাই যে, রেলকে লাভজনক করা যেতে পারে, উন্নত করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, এখন যেটা আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, উত্তরবঙ্গে যেসব রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল সেগুলো যেমন আমরা চালু করেছি। আর ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হওয়ার পর যেসব লিংকগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল তখনকার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে, সেই লিংকগুলো আবার আমরা চালু করে দিতে চাচ্ছি। এই লাইনগুলো ফের চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ে আরও লাভবান হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ হলো এদেশের সাধারণ এবং মধ্যবিত্তের অন্যতম একটি চলাচলের মাধ্যম। যারা ক্ষমতায় ছিল (বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার) তারা রেলকে ধ্বংসের এবং একেবারে বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পরই সিলেট এবং চট্টগ্রামে দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুসহ রেলকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। রেল যোগাযোগটা যাতে আরও উন্নত হয় তার ব্যবস্থা হিসেবে আমরা উত্তরবঙ্গসহ সমগ্র বাংলাদেশেরই রেল যোগাযোগ স্থাপনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করি।

এ সময় বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু নির্মাণের সময় সেটাতে রেল লাইন স্থাপনসহ সেতুটিতে বহুমুখীকরণে তার সরকার উদ্যোগে গ্রহণ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যমুনা সেতুর মূল নক্সা প্রণয়ন হয়ে যাওয়ার পর সরকারে এলেও আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এই সেতুর সঙ্গে আমাদের রেলের লাইন, গ্যাস এবং বিদ্যুতের লাইন থাকতে হবে। এটি মাল্টিপারপাস হবে এবং সেই মোতাবেকই আমরা এর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্পৃক্ত করি। এই রেললাইন স্থাপনের ফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে আমাদের রাজধানী ঢাকার ভাল যোগাযোগের সুব্যবস্থা হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর যেসব রেলপথ বা লিংক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেসবও তার সরকার নতুনভাবে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি, যেসব স্থানে রেল যোগাযোগ ছিল না সেখানেও রেল যোগাযোগ চালু করা হচ্ছে। ফলে, সাধারণের যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বল্প খরচে পণ্য পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, উৎপাদিত পণ্য পরিবহন এবং বাজারজাত সহজ করে দিলে আমাদের দেশের কৃষকরাই সব থেকে লাভবান হবে।

শেখ হাসিনা এ সময় চিলমারী বন্দর পুনরায় চালুকরণসহ উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াইয়া গানের প্রচার প্রসার এবং সংরক্ষণেও তার সরকার এগিয়ে আসবে বলে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এবং লালমনিরহাটে একটি এ্যারোস্পেস এ্যান্ড এরোনটিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে তার সরকার সেখানে প্ল্যান তৈরি করার স্বপ্ন দেখছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতিটাও প্রয়োজন। আর যেন উত্তরবঙ্গবাসীকে মঙ্গা শব্দটা শুনতে না হয় সে ব্যবস্থা আমরা করেছি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের র‌্যাকে নতুন কোচ প্রতিস্থাপনেরও উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন স্বাগত বক্তৃতা করেন এবং রেল বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন এবং ভিডিও চিত্র পরিবেশন করেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ গণভবন প্রান্তের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। রেলপথমন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন কুড়িগ্রাম স্টেশন থেকে যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন। কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট এবং রংপুর রেলস্টেশন প্রান্তের সংযুক্ত জনগণের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পরে মতবিনিময় করেন। বক্তব্য শেষ করে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে এবং ও সবুজ পতাকা উড়িয়ে নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে রংপুর ও লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের র‌্যাকে নতুন কোচ প্রতিস্থাপন করেন শেখ হাসিনা।

রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ বুধবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে কুড়িগ্রাম রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছবে। ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে সকাল ৬টা ২০ মিনিটে কুড়িগ্রাম স্টেশনে পৌঁছবে। ট্রেনটি ১৪টি বগি নিয়ে যাতায়াতে রংপুর-বদরগঞ্জ-পার্বতীপুর-জয়পুরহাট-সান্তাহার-নাটোর-মাধনগর-টাঙ্গাইল-মৌচাক-বিমানবন্দরসহ মোট ১০টি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা করাবে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ট্রেনটির বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে। আন্তঃনগর ট্রেনটি প্রতিদিন ঢাকা-কুড়িগ্রামের ২৮৬ দশমিক ৮ মাইল বা ৪৬১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে। কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকা যাত্রায় মোট ৬৫৭টি আসন সুবিধা এবং ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম যাত্রায় ৬৩৮টি আসন সুবিধা থাকবে। শোভন চেয়ার ৫১০ টাকা, এসি চেয়ার ৯৭২ টাকা, এসি সিট ১১৬৮ টাকা এবং এসি বাথ ১৮০৪ টাকা আসন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

সকলকে রাস্তায় চলাচলে সতর্ক থাকতে হবে ॥ এর আগে সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় ৪ লেন বিশিষ্ট ফ্লাইওভার, সেতু এবং বাইপাসসহ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে সড়ক দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যানবাহন চালক, পথচারিসহ সকলকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, সকলকে রাস্তায় চলাচলে সতর্ক থাকতে হবে। স্কুলের শিশুদের ট্রাফিক আইন নিয়ে সচেতন করার উপরও জোর দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অহেতুক একটি প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহন চালকদের ও একটি দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। তা না হলে দুর্ঘটনা ঘটবে। তার সরকার সড়ক উন্নয়ন করছে তবে, সড়ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সকলকে যতœবান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, কোন সড়ক কত বড় বা ভারি যানবাহন চলতে পারে সে বিষয়টা একটু খেয়াল রাখা দরকার। কারণ অনেক সময় অনেকে এই বিষয়টি মানতে চান না। তিনি বলেন, নিরাপদ সড়কের কথা আমরা বলছি। ইতোমধ্যে আমরা নিরাপদ সড়ক আইন প্রণয়ন করেছি। কাজেই যারা রাস্তায় চলাচল করেন তারা যখন রাস্তা পার হবেন তখন ডান এবং বাম এই দুইদিকে দেখে সচেতনভাবে পার হতে হবে। আবার রাস্তায় যারা যানবাহন গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালাবেন তাদেরও সচেতন হতে হবে। বাস, ট্রাক চালকদেরও সচেতন হতে হবে।

উদ্বোধনকৃত অন্যান্য প্রকল্প হচ্ছেÑ ময়মনসিংহ-গফরগাঁও-টোক সড়কের ৭২তম কিলোমিটারে বানার নদীর ওপর ২৮২ দশমিক ৫৫৮ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু, ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার জাতীয় মহাসড়কের ইন্দ্রপুল হতে চক্রশালা পর্যন্ত বাঁক সরলীকরণ, ভোমরা স্থলবন্দর সংযোগসহ সাতক্ষীরা শহর বাইপাস সড়ক এবং মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন ঝুঁকিপূর্ণ সেতুসমূহ (১৩টি সেতু) স্থায়ী কংক্রিট সেতু দ্বারা প্রতিস্থাপন। স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী এ সময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা, নারায়ণগঞ্জ এবং মুন্সীগঞ্জ এলাকার উপকারভোগী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা যোগাযোগ ব্যবস্থা করছি যাতে দিনে এসে মানুষ কাজ করে দিনেই নিজ গৃহে ফিরে যেতে পারে। রাজধানী থেকে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা পর্যন্ত যেন সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয় সে জন্য একটি সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। যার সুভফল পাচ্ছে দেশের জনগণ। তিনি বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটলে শুধুমাত্র চালককে দায়ী করলে চলবে না, বরং কি কারণে দুর্ঘটনা ঘটল সেজন্য যে পথচারী এবং দুর্ঘটনা কবলিত যানের যে চালক তারও কি ভুল আছে সেটাও কিন্ত দেখা দরকার। সেজন্য আমি বলব চালক থেকে শুরু করে যারা সড়ক ব্যবহারকারী সবারই সচেতনতা একান্তভাবে প্রয়োজন।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, একটি দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো নানা দুঃখ কষ্টের শিকার হয়, কেউ মারা যায়, কেউ পঙ্গু হয়ে থাকে, বিভিন্নভাবে তাদের জীবনমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাজেই এই দিকটা সকলকেই দেখতে হবে। তিনি এজন্য স্কুল পর্যায় থেকেই সড়কে চলাচলের আইন প্রশিক্ষণ দেয়ায় তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, রাস্তার কোনদিক থেকে হাঁটতে হবে, সেটাও একটি শিক্ষণীয় বিষয়। কখন পার হতে হবে সেটাও শিক্ষণীয় বিষয়। আমি মনে করি, আমাদের প্রতিটি স্কুলে এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই স্কুলজীবন থেকেই এই শিক্ষাটা প্রদান করা একান্তভাবে দরকার।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার উদ্বোধন করা সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার এবং বাইপাস ব্যবহারে সকলকে যতœবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমি তৈরি করে দিচ্ছি, কিন্তু এটা দেখভালের দায়িত্ব এবং এটা যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য যারা ব্যবহার করবেন এবং স্থানীয় জনগণ সকলেরই এ ব্যাপারে দায়িত্ব রয়েছে। সে দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন বলেই আশা করি। এ সময় বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তার সরকার অবশ্যই সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গণভবন প্রান্তে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, পিএমও সচিব সাজ্জাদুল হাসানসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং গণভবনের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও উর্ধতন সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্ব ব্যাংক এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে মিনতি করছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলেন, তার সৃজনশীল, প্রজ্ঞা, সাহসী ও গতিশীল নেতৃত্বে দেশ সবদিক থেকে এগিয়ে চলেছে।

প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর ২০১৯

১৭/১০/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: