২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

খালেদা জিয়াকে একটি জীর্ণ ও পরিত্যক্ত কারাগারে রাখা হয়েছে

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৬:২৮ পি. এম.
খালেদা জিয়াকে একটি জীর্ণ ও পরিত্যক্ত কারাগারে রাখা হয়েছে

অনলাইন রিপোর্টার ॥ খালেদা জিয়াকে একটি জীর্ণ ও পরিত্যক্ত কারাগারে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের এই সংগ্রাম, এই লড়াই দেশনেত্রীকে মুক্ত করে নিয়ে আসার লড়াই। এই লড়াই আমাদের নেতা-কর্মীদের মুক্ত করার লড়াই। এই লড়াই বাংলাদেশের মানুষকে মুক্ত করার লড়াই, গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লড়াই।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে গণবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। সরকার দেউলিয়া হয়েছে বলেই আজকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং প্রায় ১৫ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।

অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে রাখা হয়েছে। বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে চায় সরকার। খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে ছাড়া আগামী সংসদ নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘আজ কারাগারে যাওয়ার পর খালেদা জিয়া আরও শক্তিশালী হয়েছেন এবং জাতীয় নেতা থেকে আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে পরিণত হয়েছেন। খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া এ দেশের জনগণ আগামী নির্বাচন হতে দেবে না।’

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি।

বিএনপির কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকে দলের নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। জলকামানের গাড়িসহ পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ ও সংস্থার বেশ কিছু গাড়ি কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

আজকের কর্মসূচিতে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, বরকতউল্লাহ বুলু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সেলিম ভূঁইয়া, আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, মামুন হাসান প্রমুখ।

২০-দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে এলডিপির শাহাদত হোসেন সেলিম, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিপির মঞ্জুর হোসেন ঈশা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, পিজিপির আবদুল মতিন সাউদ প্রমুখ অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৬:২৮ পি. এম.

১৩/০২/২০১৮ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

জাতীয়



শীর্ষ সংবাদ: