২১ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে পরিবারভিত্তিক তালিকা তৈরির উদ্যোগ


তৌহিদুর রহমান ॥ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে পরিবারভিত্তিক তালিকা তৈরি করছে সরকার। বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের প্রাথমিক তালিকা তৈরি হলেও পরিবারভিত্তিক তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সে কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্ব হতে পারে। এদিকে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে যোগ দিতে আজ রবিবার মিয়ানমার যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল। আগামীকাল সোমবার নেপিডোয় দুই দেশের মধ্যে এই বৈঠক শুরু হবে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের একটি ডাটাবেজ ইতোমধ্যেই তৈরি করেছে সরকার। এই ডাটাবেজে প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে আরও একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রথম দফায় এক লাখ রোহিঙ্গার একটি তালিকা তৈরি করছে সরকার। তবে এই তালিকা হচ্ছে পরিবারভিত্তিক। কেননা এককভাবে কোনো রোহিঙ্গাকে পাঠানো হবে না। এক একটি পরিবারের পুরো সদস্যদের পাঠাতে হবে। সে কারণে পরিবারভিত্তিক তালিকা তৈরি ছাড়া সেটা সম্ভব নয়। তবে এই তালিকা তৈরি এখনো সম্পন্ন হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিবারভিত্তিক তালিকা তৈরি একটি জটিল প্রক্রিয়া। এই তালিকা তৈরিতে অনেক সময় লাগতে পারে। আর এই তালিকায় থাকা রোহিঙ্গাদের রাখাইনের আবাসস্থলের ঠিকানা যাতে নির্ভুল হয়, সেজন্য সতর্কতাও অবলম্বন করা হচ্ছে। কেননা রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ির ঠিকানা না দিতে পারলে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রহণ নাও করতে পারে।

এদিকে আগামীকাল সোমবার বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠক নেপিতোয় অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে যোগ দিতে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ মিয়ানমারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চুক্তি (মাঠ পর্যায়ে বাস্তব ব্যবস্থা) সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মিয়ানমার যাচ্ছেন। প্রতিনিধি দলে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুবকর ছিদ্দীক, কক্সবাজারের ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (শরণার্থী) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনিরুল ইসলাম আখন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক মনজুরুল করিম খান চৌধুরী প্রমুখ রয়েছেন।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ। এই চুক্তির খসড়া মিয়ানমারের নিকট ইতোমধ্যে পাঠানোও হয়েছে। এই চুক্তির মধ্য দিয়েই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে গত ১৯ ডিসেম্বর যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হয়। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ দুই দেশের প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেবে। গত ২৩ নবেম্বর নেপিতোয় উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আলোকে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হয়। এখন উভয় দেশ ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সই করবে।

রোহিঙ্গাদের ফেরানোর কার্যক্রম আগামী ২৩ জানুয়ারির মধ্যে হওয়ার কথা ছিল, সেটি দেরি হতে পারে। চলতি মাসের শেষ অথবা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে রোহিঙ্গা ফেরত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। তবে পরিবারভিত্তিক তালিকা তৈরির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্ব হতে পারে।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে, তার জন্য পৃথকভাবে একটি দলিলে সই করেছে উভয় পক্ষ। এখন মাঠ পর্যায়ে যাবতীয় বিষয়াদি তদারকি ও ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে উভয়পক্ষ একটি ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্টে সই করবে। এরপরেই রোহিঙ্গাদের ফেরত প্রক্রিয়া শুরু হবে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে ঢাকায় এক বৈঠকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়। এই যৌথ গ্রুপ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন শুরু করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেবে। দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে ১৫ জন করে সদস্য নিয়ে মোট ৩০ সদস্যের এই গ্রুপ গঠন করা হয়।

রাখাইনে নতুন করে সেনা অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারে নিপীড়নের মুখে গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে আরও প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা। সেনাবাহিনী অভিযান এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে শরণার্থীদের ফেরত নিতে সম্মত হয় মিয়ানমার। রোহিঙ্গাদের ঘরে ফেরার পথ তৈরি করতে গত ২৩ নবেম্বর নেপিতোয় দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ অক্টোবর সেনা অভিযানের মুখে ৮৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। আর চলতি বছর ২৫ আগস্টের পর নতুন করে বাংলাদেশে আসে সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এর আগে বিভিন্ন সময়ে জাতিগত দমন-পীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে শরণার্থী জীবন কাটাচ্ছে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম। বাংলাদেশের আহ্বানে ১৯৯২ সালে দ্বিপক্ষীয় একটি চুক্তির আওতায় মিয়ানমার কিছু রোহিঙ্গাকে ফেরত নিলেও পরে আর সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি।

রোহিঙ্গাদের গণহত্যা ও বিতাড়িত করার দায় নিতে হচ্ছে মিয়ানমারকে ॥ মোয়াজ্জেমুল হক ও এইচএম এরশাদ জানান, আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যা, নারী ও যুবতী ধর্ষণ, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার পাশাপাশি বিতাড়িত হতে বাধ্য করার নেপথ্যে ছিল সে দেশের সেনাবাহিনীর বর্বর অভিযান। আর এ বর্বর অভিযানের নেপথ্য কুশিলব হিসাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চিহ্নিত হয়েছেন সে দেশের এনএলডি নেত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আউং সান সুচি। ১০ রোহিঙ্গার একটি গণকবর আবিষ্কৃত হওয়ার পর এ নিয়ে সেনা তদন্ত হয়েছে। সে তদন্ত রিপোর্টে ঘটনার জন্য সেনাবাহিনীকে দায়ী করা হয়েছে। এ ঘটনার পর আউং সান সুচি প্রকাশ্যে বললেন, সেনাবাহিনী তাদের সদস্যদের কর্মকা-ের দায় নিচ্ছে। এ ঘটনার ব্যাপারে আরও পদক্ষেপ নেয়া হবে। মূলত বিশ্ব চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার ও সে দেশের সেনাবাহিনী তাদের বর্বরতম কাজের দায় গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে। শুধু তাই নয়, রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদেরও বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যার পর গণকবর দেয়ার কথা স্বীকার করে। আর শুক্রবার নেপিদোতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারাকোনোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সুচিকে সেনাবাহিনীর অপকর্মের স্বীকারোক্তির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন তদন্ত করা হয়েছে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেনাবাহিনীর পক্ষে রোহিঙ্গাদের হত্যার ব্যাপারে আরও জানতে চাওয়া হয় সুচির কাছ থেকে। সুচিকে প্রশ্ন করা হয়, পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গারা সেখানে ফিরে যেতে চাইবে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে সুচি বলেন, কিছু মানুষ ভয় পেতে পারে, তবে ভয় পাওয়ার মতো এখন আর কিছুই নেই। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে আর না ঘটে সে লক্ষ্যেই তো তদন্ত করা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে আশ্রিত ১০ লক্ষ্যাধিক রোহিঙ্গার মাঝে প্রত্যাবাসন প্রশ্নে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অর্থাৎ কেউ কেউ ফিরে যেতে চান। আবার কেউ ফিরে যেতে চান না। আবার অনেকেই রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্বে। এ অবস্থায় আগামীকাল ১৫ জানুয়ারি মিয়ানমারের নেপিডোতে দুদেশের ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকটি বসছে। বৈঠকে অংশ নিতে ঢাকা থেকে প্রতিনিধিদল শনিবার মিয়ানমার গেছে। এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মোঃ শহীদুল হক। আর মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের পার্মান্যান্ট সেক্রেটারি মিন্ট থো। বাংলাদেশে থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরুর কথা রয়েছে। খুব বেশি দেরি নেই। কিন্তু এর পরও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামছে না। শনিবার সকালেও একটি ইঞ্জিনবোটে করে শাহপরীরদ্বীপ পয়েন্ট দিয়ে নতুন ৪৪ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এদের মানবিক সহায়তা দিয়ে উখিয়া-টেকনাফ ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রোহিঙ্গাদের গণকবর আবিষ্কার ও এ ঘটনার সঙ্গে সেনাবাহিনীর দায় স্বীকারের পর রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ১০ রোহিঙ্গার গণকবর আবিষ্কারের পর সে দেশের সেনাপ্রধান মিন অং লাই দাবি করেছেন, ওগুলো বাঙালী সন্ত্রাসী। সীমান্তের ওপারের আন্ডাং এলাকার অবস্থানরত রোহিঙ্গারা দাবি করেছে, নিহতরা সকলেই রোহিঙ্গা। তবে তারা কোন সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহী বা জঙ্গী কোন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নয়। সেনা অভিযান চলাকালে আন্ডাং গ্রাম থেকে এসব সাধারণ রোহিঙ্গাদের ধরে নিয়ে সেনা সদস্যরা ঠা-া মাথায় খুন করেছে।

অপরদিকে আরসার পক্ষ থেকে শনিবার তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গণকবরে যে ১০টি লাশের সন্ধান মিলেছে তাদের কেউ আরসার সঙ্গে জড়িত নয়। এমনকি তারা আরসার কোন কর্মকা-েও জড়িত ছিল না। তারা ছিল খেটে খাওয়া মানুষ। আন্ডাং এলাকায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত আগস্ট মাসে তাদের বৈঠকের কথা বলে সেনাবাহিনী ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। হত্যাকা-ের শিকার রোহিঙ্গারা ছিল জেলে ও কৃষক। গত ২০ ডিসেম্বর আন্ডাংয়ে একটি গণকবর থেকে এদের উদ্ধারের পর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এরা হলেন- আন্ডাংয়ের বাসিন্দা মৌলভী আবদুল মালেক (৩৫), আবুল হাশেম ৩০), আবদুল্লাহ (২১), হাফিজ উল্লাহ (২০), আবদুল মজিদ (৪৫), বান্ডু (২৫), দিলু (৩০), বোতা মিয়া (৪৫) এবং রফিক (২৫)। গেল বছরের ২৫ আগস্ট সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা বসতিগুলোতে হামলে পড়ে। দীর্ঘদিন অভিযান চলাকালে সাত হাজারের বেশি রোহিঙ্গা হত্যার শিকার হয়েছে। ৫৫ হাজার বাড়িঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে সাগর ও নাফনদীতে নৌকাযোগে আসতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও চার শতাধিক রোহিঙ্গা।

ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা খুন ॥ কক্সবাজারের উখিয়ায় মমতাজ আহমদ (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক খুন হয়েছে। আরিফুল্লাহ নামের আরেক রোহিঙ্গা মমতাজ আহমদকে ছুরিকাঘাত করলে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি প্রাণ হারান। উখিয়া পুলিশ জানিয়েছে, মিয়ানমার রাজ্যে গেল দুবছর আগে খুনি আরিফ উল্লাহর ভাইকে হত্যা করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে মমতাজ। এরপর আরিফ উল্লাহও বাংলাদেশে চলে আসে। তার ভাইয়ের খুনীতে খুঁজতে থাকে। শনিবার দুপুরে লম্বাশিয়া ক্যাম্পে মমতাজকে পেয়ে আরিফ উল্লাহ ছুরিকাঘাত করে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: