১৯ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ভারতকে মোটেও ভয় পাচ্ছে না মারিয়ারা


ভারতকে মোটেও ভয় পাচ্ছে না মারিয়ারা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বিগত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং তিন-তিনটি সাফল্যের সুবাদে আত্মবিশ্বাসের পারদ এখন তুঙ্গে। সেই আলোকেই এখন জোর গলায় বলা যাচ্ছে শিরোপা জেতার কথা। বলা হচ্ছে বাংলাদেশ অ-১৫ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের কথা। আর ক’দিন পরেই তাদের অবতীর্ণ হতে হবে সাফ অ-১৫ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে যা অনুষ্ঠিত হবে নিজেদের দেশের মাটিতেই (টার্ফে)। স্বাগতিক হওয়ার সুবাদে ভাল ফল করার সুযোগ থাকছে বাংলাদেশ দলের। আসরকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছে গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যারা। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার ঘাটতি থাকলেও নিজেদের সামর্থ্যরে সেরাটা দিয়ে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে চায় মারিয়া মান্ডারা।

এদিকে আসর শুরুর আগে ভেন্যু কমলাপুর স্টেডিয়াম পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে আশ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। চারদিকে কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়া। প্রকৃতির এই শীতার্ত আচরণের মাঝেও বাফুফের আর্টিফিসিয়াল টার্ফে কঠোর অনুশীলনে ব্যস্ত অ-১৫ নারী ফুটবল দল। হাতে আছে খুব অল্প সময়। তাই একটি মুহূর্তও হেলায় হারাতে নারাজ মারিয়া, মনিকারা। আসরে নেপাল, ভুটান ছাড়াও লড়তে হবে ভারতের মতো শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলা ছাড়া প্রতিবেশী কোন দেশের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ মেলেনি মেয়েদের। এ নিয়ে খানিকটা আক্ষেপ থাকলেও বছরজুড়েই খেলার মধ্যে থাকায় ভাল করার ব্যাপারে আশাবাদী ফুটবলাররা। আসরের ভেন্যু কমলাপুর স্টেডিয়াম এখনও প্রস্তুত নয় পুরোপুরি। ফ্লাডলাইট অকেজো। তাই সব খেলাই হবে দিনের আলোতে। ফ্লাডলাইট ছাড়া অন্য সব কাজই দ্রুত শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে বাফুফে। লম্বা সময় ক্যাম্পে থেকে অনুশীলন এবং নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে মেয়েরা। তাই মূল মঞ্চে প্রতিযোগিতার আগে অন্যান্য দেশের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার আয়োজন করেনি ফেডারেশন। এমনটাই জানিয়েছেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ ছোটন বলেন, ‘ফুটবলাররা বিশ্বের সেরা দলগুলোর দেশে যে ক্যাম্প করে খেলেছে সুতরাং এবার তারা ভাল ফুটবল খেলবে। ভারত, নেপাল, ভুটান শক্তিশালী দল ঠিকই কিন্তু এ মুহূর্তে আমরাও বড় দল।’ সাম্প্রতিক সময়ে দেশের মেয়েদের পারফর্মেন্সে মুগ্ধ হয়েছে ফুটবলপ্রেমীরা। আসন্ন এই টুর্নামেন্টেও ভাল করে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে তহুরারা, এমন প্রত্যাশা ফুটবলপ্রেমীদের। আত্মবিশ্বাসই দলটির মূল শক্তি। গত দুই-তিন বছর এক সঙ্গে খেলছে তারা। কম্বিনেশন নিয়ে ফুটবলারদের বোঝাপড়া দারুণ। আশাবাদী বাফুফেও। সাফে বাংলাদেশের সবসময় বড় বাধা ভারত। এবারও তাদেরই ভাবা হচ্ছে স্বাগতিকদের শক্ত প্রতিপক্ষ। তবে ভয় পাচ্ছে না ফুটবলাররা। ১৭ ডিসেম্বর ভারত-ভুটানের ম্যাচ দিয়ে শুরু চার দলের আসর। একইদিন দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপাল। নিষেধাজ্ঞার কারণে অংশ নিতে পারছে না পাকিস্তান। শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করেছে শ্রীলঙ্কা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: