২০ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি, জনজীবনে ভোগান্তি


নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি, জনজীবনে ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকেই শুরু হয় এ বৃষ্টিপাত। শনিবার সারাদিনই তা অব্যাহত ছিল। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বেশিরভাগ এলাকায়ই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপটি ক্রমেই উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূলের দিকে আসছে। এর প্রভাবে উপকূল এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে তারা। জানিয়েছে নিম্নচাপের প্রভাবে আজ রবিবারও সারাদেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে। সোমবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে সেন্টমার্টিনে ৬শ’র বেশি পর্যটক আটকা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে নিম্নচাপের কারণে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের প্রকোপ বেড়ে গেছে। একদিনের ব্যবধানেই তাপমাত্রা প্রায় ৫ ডিগ্রী কমে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াসে। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রাজধানীতেও শীতের ভাব বিরাজ করছে। শনিবার সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। আকাশ মেঘে ঢাকা রয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে বেশিরভাগ এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি। বিশেষ করে মোংলায় বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রী সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে নিম্নচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় জনগণ ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে। চরম ভোগান্তির পাশাপাশি রোপা আমন ধান ও রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আলু, তরমুজ ও বিভিন্ন ধরনের ডালের ক্ষতি ক্রমে বাড়ছে। এতে চাষীরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এখনও ক্ষতির মাত্রা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যায়নি। তবে বৃষ্টিপাত আরও এক-দু’দিন অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে।

আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে দেশের উপকূলের দিকে আসছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত নিম্নচাপটি দুর্বল হয়নি। তিনি বলেন এর প্রভাবে আজ রবিবারও বৃষ্টিপাত হবে। সোমবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এছাড়া উল্লেখ করেন নিম্নচাপের কারণে হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। এরপর আবার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে স্বাভাবিক নিয়মে শীত আসবে। তবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তখন সারাদেশে, শীত জেঁকে বসতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও সামান্য উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি শনিবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৪৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। নিম্নচাপটির প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দর সমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহওয়াবিদ একেএম রুহুল কুদ্দুছ জানান, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিঃ মিঃ যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর সমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে দেশের নদীবন্দর সমূহের ওপর দেয়া আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিঃ মিঃ বেগে বৃষ্টি, বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিঃ মিঃ বেগে বৃষ্টি, বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সকাল থেকে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। আকাশ রয়েছে মেঘলা। ঢাকার পাশাপাশি রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টা বৃষ্টিপাত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। তারা জানায়, নিম্নচাপের প্রভাব কেটে যাওয়ার পর বাতাসের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। তাতে তীব্রতা বাড়বে শীতের।

চট্টগ্রাম অফিস ও কক্সবাজার থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, গভীর সমুদ্রে সৃষ্ট নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করলেও এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা সঙ্কেত জারির পর চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার উপকূলে অধিকাংশ যন্ত্রচালিত নৌযান ও মাছ ধরার ইঞ্জিন বোটগুলো ইতোমধ্যে তীরবর্তী এলাকায় ফিরে এসেছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী সেতু এলাকা পর্যন্ত নদীর দু’পাশে এসব নৌকা ও মাছ ধরার বোট আশ্রয় নিয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠছে। ঝড়ো হাওয়াসহ ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আবহাওয়া সঙ্কেত বৃদ্ধি পেলে কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে বন্দর কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সাগরে চলাচলরত বাণিজ্যিক জাহাজ ও বহির্নোঙ্গরে থাকা দেশী-বিদেশী জাহাজগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে, শুক্রবারের মতো শনিবারও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে মুষলধারে হয়নি। এছাড়া দিনব্যাপী আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানায়, উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বঙ্গোসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে চট্টগ্রাম জেলা ও সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সম্ভাব্য দুর্যোগের আশঙ্কায় উপকূলবর্তী এলাকার মানুষদের সরিয়ে নিতেও প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আবহাওয়ার পরবর্তী সঙ্কেতের ওপর। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানিয়েছে, শনিবার আমদানি ও রফতানি পণ্যের নিয়মিত ওঠানামা ও ডেলিভারি হয়েছে। তবে সঙ্কেত বেড়ে গেলে তা বন্ধ রাখা হবে। কক্সবাজারের ফিশারীঘাট এলাকায় শত শত মৎস্য আহরণকারী নৌকা সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রেখে ইতোমধ্যে উপকূলে ফিরে এসেছে। ফিরে আসা নৌযানের মাঝিমাল্লারা জানিয়েছেন, বহু ইঞ্জিন বোট ফিরে আসার পথে রয়েছে। চট্টগ্রামেও অনুরূপ অবস্থা। ফিশারীঘাট এলাকায় ফিরে আসা মৎস্য আহরণকারী বোটের মাঝিমাল্লারা জানিয়েছেন, উপকূলের কাছাকাছি থাকা ইঞ্জিন বোটগুলো দ্রুত ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে। তবে যে সমস্ত বোট গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা অবস্থায় রয়েছে তারা নিকটবর্তী যে কোন এলাকায় অবস্থান নেয়ার জন্য তৎপর রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, গলাচিপা থেকে জানান নিম্নচাপের প্রভাবে লাগাতার বর্ষণে পটুয়াখালীর দক্ষিণাঞ্চলে মানুষের চরম ভোগান্তির পাশাপাশি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। চাষীরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালী অঞ্চলে বৃহস্পতিবার রাত থেকে চলছে বর্ষণ। কখনও ঝিরিঝিরি। কখনও বড় ফোঁটায় আবার কখনও মৃদু ভারি বর্ষণ হচ্ছে। শনিবার শেষ বিকেলেও বর্ষণ অব্যাহত ছিল। বর্ষার কারণে রোপা আমন নিয়ে চাষীদের দুর্গতি চরম আকার নিয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, মাঠে এ মুহূর্তে বড়জোর ২৫ ভাগ ধান রয়েছে। বাকি ধান কাটা হয়ে গেছে। অর্থাৎ কেবল রাঙ্গাবালী ও গলাচিপা উপজেলায় এখনও ১৫ হাজার হেক্টরেরও বেশি ধান ক্ষেতে রয়ে গেছে। মাঠপর্যায়ের চাষীরা জানিয়েছেন, অকাল বর্ষণে ধান গাছ ক্ষেতে নুয়ে পড়েছে। গাছের কোমর ভেঙ্গে গেছে। এতে ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হয়েছে। রয়েছে পোকার আশঙ্কাও। একইভাবে গোলআলু এবং তরমুজ চাষে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষেতের পর ক্ষেত ডুবে গেছে পানিতে। সে সঙ্গে ডুবে গেছে কৃষকের স্বপ্নের তরমুজ। কোন কোন ক্ষেতের তরমুজে পচনও ধরেছে। বিভিন্ন ধরনের ডাল, মরিচ, তিল, চীনাবাদাম, মিষ্টিআলু, সূর্যমুখীসহ অন্যান্য রবিশস্যেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির মুখে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ ক্রমে বাড়বে, এমন আশঙ্কা চাষীদের।

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল থেকে জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জেলায় সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। শনিবার সকাল থেকে নগরীতে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। যার কারণে জনজীবন কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় নদ-নদীতে ১ নম্বর সঙ্কেত থাকায় লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও ৬৫ ফুটের নিচের লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নৌযান ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বরিশালে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও ৬৫ ফুটের নিচের লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এখন পর্যন্ত নৌযান চলাচলে কোন সমস্যা হয়নি।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: