১৯ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বাংলাদেশ থিয়েটারের ৩১ বছর পূর্তি উৎসব শুরু আজ


বাংলাদেশ থিয়েটারের ৩১ বছর পূর্তি উৎসব শুরু আজ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকার মঞ্চে ১৯৮৬ সালে ১৪ নবেম্বর প্রতিষ্ঠিক হয় অন্যতম নন্দিত নাট্য সংগঠন বাংলাদেশ থিয়েটার। এ বছর দলের ৩১তম বর্ষপূর্তি হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে আজ থেকে তিনদিনব্যাপী নাট্য উৎসবের আয়োজন করেছে দলটি। উৎসবে থাকবে আলোচনসভা, স্মৃতিচারণ, সম্মাননা প্রদান এবং নাটক মঞ্চায়ন। উৎসবে তিনদিন বাংলাদেশে থিয়েটারের তিনটি নাটক মঞ্চস্থ হবে। এর মধ্যে আজ ৭ ডিসেম্বর মঞ্চস্থ দলের অন্যতম প্রশংসিত প্রযোজনা ‘সিরাজ যখন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা’, পরদিন ৮ ডিসেম্বর মঞ্চস্থ হবে ‘সী মোরগ’। এদিন সকালে রয়েছে আনন্দ র‌্যালী ও শোভাযাত্রা।

শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন বাংলাদেশ থিয়েটারের কর্মীরা এবং দেশের সংস্কৃতি কর্মীরা। উৎসবের শেষদিন ৯ ডিসেম্বর এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হবে দলের অন্যতম নন্দিত প্রযোজনা ‘আমি’। এর মধ্যে বাংলাদেশ থিয়েটারের চতুর্থ প্রযোজনা ‘সী মোরগ’ নাটকটি রচনা করেছেন আসাদুল্লাহ ফারাজী। নির্দেশনা দিয়েছেন হুমায়ুন কবির হিমু। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন খন্দকার শাহ আলম, ফিরোজ খান, মোশাররফ হোসেন মনা, আজিজ রেজা, মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, মাসুদা খান, নবনীয়া ইসলাম রীতা, ফারজানা ফাতেমা চৌধুরী সুমি, আখতার মাহমুদ, এসএম নাসির উদ্দিন, রেজাউর রহমান রাজা, দেলোয়ার হোসেন রাতুল, খালিদ মাহমুদ শাওন প্রমুখ।

দলের ১৫তম প্রযোজনা ‘সিরাজ যখন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা’ নাটকটি নব নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন আব্দুল আজিজ। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন খন্দকার শাহ আলম, আখতার মাহমুদ, খালিদ মাহমুদ শাওন, রেজাউর রহমান রাজা, ফারজানা ফাতেমা চৌধুরী সুমি, সাইফুল ইসলাম সুমন, নবীয়া ইসলাম রীতা, ফিরোজ শাহী, সামিউল ইসলাম সামি, তৌফিকুল ইসলাম দর্পন, শফি কামাল, এসএম নাসির উদ্দিন, মোঃ রেজাউল হক, মাসুদা খান, মীর আফরোজ জামান, দেলোয়ার হোসেন রাতুল, মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন মনা প্রমুখ।

দলের একক অভিনয়ের প্রযোজনা ‘আমি’ নাটকটি রচনা করেছেন মাহবুব আলম। নির্দেশনা দিয়েছেন ড. আইরিন পারভীন লোপা। আর নাটকটিতে একক অভিনয় করেন খন্দকার শাহ আলম। নাটকটি বাংলাদেশ থিয়েটারের সপ্তদশ প্রযোজনা। নাটকটির মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন ফজলে রাব্বী সুকর্ণ, আলোক পরিকল্পনায় কলকাতার জয়ন্ত মুখার্জী। আবহসঙ্গীত পরিকল্পনা করেছেন শেখ জসিম। এ পর্যন্ত নাটকটির ৭টি সফল মঞ্চায়ন হয়েছে।