১৭ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সীতাকুণ্ডে অভিযুক্ত স্কুলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু


সীতাকুণ্ডে অভিযুক্ত স্কুলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) ॥ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বোর্ড নির্দেশিত নিয়ম উপেক্ষা করে এসএসসি’র ফরম পূরনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে মাধ্যামিক ও উচ্চ মাধ্যামিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম তদন্ত শুরু করেছে। একইভাবে অভিযুক্ত স্কুলের প্রধানকে আগামী তিন কার্য্যাদিবসের মধ্যে ঘটনার বিষদ বিবরণসহ লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে বলে উপজেলা মাধ্যামিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মামুন স্বীকার করেন।

এছাড়া বিদ্যালয়ের টেষ্ট পরীক্ষায় উর্ত্তীন না হওয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি’র দু’তিনগুন টাকা আদায়েরও অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। অতিরিক্ত ফি দিতে অস্বীকৃতি জানালে কুমিরা বালিকা আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ নাছির উদ্দিন লাঞ্চিত করেন বলে অভিযোগ করেছে স্ত্রী ও সন্তানের সামনে জামাল উদ্দিন নামে এক অভিভাবক । বোর্ডের বিধান অনুযায়ী পরীক্ষার নির্ধারিত ফি ও কেন্দ্র ফিসহ বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫৬৫ টাকা, মানবিক ও বানিজ্য বিভাগের পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১ হাজার ৪৭৫ টাকা আদায় করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু ইতিমধ্যে সীতাকুণ্ডের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসির ফরম পূরনের সঙ্গে কোচিং ফি ও আগামী বছরের জানুয়ারী থেকে মার্চ মাসের বকেয়া বেতন আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।

জানা যায়, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ফরম পূরণে বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে কুমিরা আবাসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে কোচিং ফিসহ ৪৫০০ টাকা এবং মানবিক ও বানিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০০০ টাকা আদায় করছেন। এছাড়া পরীক্ষায় কয়েক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা আদায় করছেন। একিভাবে ফরম পূরনে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন বাড়বকু- উচ্চ বিদ্যালয়, সিসিসি উচ্চ বিদ্যালয়, মাহামুদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়,হামিদুল্লা হাট উচ্চ বিদ্যালয়, ক্যাপ্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, জাফর নগর অর্পণা চরন উচ্চ বিদ্যালয় ও হাফিজ জুট মিল সবুজ শিক্ষায়তন ও যুবাইদিয়া মাদ্রাসাসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়। এ বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সংশিষ্ট স্কুলকে আগামী তিন কার্য্যা দিবসের মধ্যে লিখিত আকারে প্রতিবেদন দিতে বলেন এবং উপজেলা মাধ্যামিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে মাধ্যামিক ও উচ্চ মাধ্যামিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো.মাহবুব হাসান বলেন, ‘অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়টি আমরা পত্রিকায় দেখার পর স্কুল প্রধান শিক্ষককে মুটোফোনে আগামী তিন কার্য্যা দিবসের মধ্যে লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করি এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দিতে বলি।’

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: