১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

পুলিশকে মারধর করে আসামি ছিনতাই ॥ আটক ৫


নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ, ১০ নবেম্বর ॥ শুক্রবার সকালে মহাদেবপুরে পুলিশকে মারপিট করে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আহত এক এএসআই ও এক কনস্টেবলসহ তিনজনকে মহাদেবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের হর্ষি গ্রামে। পুলিশ জানায়, এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে থানার এএসআই শরিফুল ইসলাম ও কনস্টেবল নিলমনি ঘোষ ওই গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে ফারুক হোসেনকে (৩৬) একটি চেকের মামলায় তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় প্রতিবেশী রিয়াজ উদ্দীনের ছেলে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদসহ ১০-১২ নারী ও পুরুষ ওই পুলিশ অফিসার ও কনস্টেবলকে মারপিটে আহত করে হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থায় গ্রেফতারকৃত আসামি ফারুককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরপর প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে দুপুর ১২টার দিকে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় পাতনা গ্রাম থেকে হ্যান্ডকাফসহকারে ফারুক হোসেনকে পুলিশ পুনরায় গ্রেফতার করে। একই সময় অভিযান চালিয়ে পুলিশকে মারপিটে আহত করার ঘটনায় জড়িত স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ, মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে রেজাউল করিম বুলু, তার স্ত্রী হালিমা বেগম ও ফারুকের স্ত্রী ফারজানা জান্নাতকে গ্রেফতার করে।

পাথরঘাটায় র‌্যাব পরিচয়ে নৈশপ্রহরীকে অপহরণ

সংবাদদাতা, পাথরঘাটা, বরগুনা, ১০ নবেম্বর ॥ শুক্রবার পাথরঘাটা ডিগ্রী কলেজের নৈশপ্রহরী জাহাঙ্গীরকে (৪৪) দায়িত্বরত অবস্থায় র‌্যাব পরিচয় দিয়ে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে পটুয়াখালী র‌্যাব-৮-এর কমান্ডার সুরাত আলম ঘটনাটি অস্বীকার করেন। পাথরঘাটা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওর তো কোন শত্রু নেই, ও কেন অপহরণের শিকার হলো জানি না। পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, ওসি (তদন্ত) নজরুল ইসলামসহ সব শিক্ষক ও কলেজ গবর্নিং বডির সদস্যবর্গ ওই সভায় যোগ দেন এবং অপহৃত জাহাঙ্গীরকে উদ্ধারের জন্য প্রসাশনের কাছে জোর দাবি জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ফোনে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি বরগুনা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনার সময় ওই কলেজে জয়নাল ও জাহাঙ্গীর নামের দুজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত ছিলেন। জয়নাল জানান, আমরা প্রতিদিনের মতো পাহারা দিচ্ছিলাম। আমরা ছিলাম পশ্চিম পাশের রুমে। হঠাৎ কে বা কারা দরজা খুলতে বলে। আমরা পুলিশের লোক মনে করে দরজা খুলে দেই। ২-৩ জন লোক কথা বলতে বলতে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে পূর্বদিকে হাঁটতে থাকে। আমি ডাক দিলেও কিন্তু জাহাঙ্গীর কোন কথা বলে না। কিন্তু পেছনের এক ব্যক্তি বলে ওঠেন ‘আমরা র‌্যাবের লোক’। তারপর দুটি মোটরসাইকেলের একটিতে জাহাঙ্গীরকে তুলে নিয়ে উত্তর দিকে চলে যায় বলে জানান জয়নাল।