২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বাংলাদেশে নতুন খেলা চুকবলের আত্মপ্রকাশ


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আন্তর্জাতিক চুকবল ফেডারেশনের সভাপতি তাইওয়ানের চিন চেং ক্রিস ওয়াং-এর বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে বাংলাদেশে চুকবল খেলার আত্মপ্রকাশ ও এর বিকাশ সম্পর্কে অবহিতকরণের জন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা বৃহস্পতিবার জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চুকবল এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আনম ওয়াহিদ দুলাল, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ ইউসুফ ও কল্লোল দাশ, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসনাত মোঃ বেলাল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে চুকবল খেলা অত্যন্ত দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। দেশের ১৯ জেলাতে নিয়মিতভাবে চুকবল খেলার চর্চা হচ্ছে। অপেক্ষাকৃত কম প্রচলিত এবং নবীনতম সদস্য হওয়া সত্ত্বেও চুকবলে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে বাংলাদেশের আধিপত্য রয়েছে। এই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দল সম্মানজনক স্থান অর্জন করেছে। শারীরিক সক্ষমতা, ফলাফল ও অন্যান্য বিবেচনায় চুকবলে বাংলাদেশের অত্যন্ত উজ্জ্বল ভবিষ্যত রয়েছে। চুকবল খেলাটি আমাদের দেশে নতুন হলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাটি বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক সুনাম বয়ে এনেছে। এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি চুকবল চ্যাম্পিয়ানশিপ ২০১৩তে বাংলাদেশ দল ৫ম স্থান অধিকার করে। এশিয়া প্যাসিফিক চুকবল চ্যাম্পিয়ানশিপ ২০১৪তে বাংলাদেশ দল ৮ম স্থান অর্জন করে। দক্ষিণ এশিয়া চুকবল চ্যাম্পিয়ানশিপ ২০১৪ এবং ২০১৬তে বাংলাদেশ দল দুইবার রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

১৯৭০ সালে খেলাটির জন্ম। ২০ মিটার বাই ১০ মিটার আয়তনের মাঠে এ খেলাটির সময়সীমা ৪৫ মিনিট। ১৫ মিনিট করে তিন অর্ধে খেলা হয়। মাঠে থাকে সাত খেলোয়াড়। খেলায় বলটিকে একটি চারকোণা আকৃতি নেটে আঘাত করতে হয় এবং এর থেকে পয়েন্ট অর্জন করা যায়। নেটে বলের আঘাতের ফলে যে শব্দটি সৃষ্টি হয় তা থেকে খেলাটির নামকরণ হয় চুকবল। এই খেলাটির প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শুধু বলকে কেন্দ্র করে অফেন্স বা ডিফেন্স হয়ে থাকে এবং এই কারণে এটাই পৃথিবীর একমাত্র খেলা যাতে টিম গেমের সব উপাদান থাকা সত্ত্বেও এটি ইনজুরিবিহীন খেলা। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ৮৩টি দেশে খেলাটির চর্চা হচ্ছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: