২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

প্রিন্স আজিজের অবস্থান নিয়ে রহস্য


প্রিন্স আজিজের অবস্থান নিয়ে রহস্য

অনলাইন ডেস্ক ॥ সৌদি রাজ পরিবারের সদস্য ও সাবেক বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের ছেলে প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিয়ে বড় ধরনের রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। এক দিন আগে পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও সৌদি কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছে।

তবে তার অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। গত রোববার থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রিন্স আবদুল আজিজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবরে বলা হয়, শনিবার গ্রেফতার অভিযানের সময় পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন এই প্রিন্স। তবে গত বুধবার বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে সৌদি সরকার।

এক বিবৃতিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ খবরের সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রিন্স আবদুল আজিজ জীবিত ও ভালো আছেন। এ বিষয়ে একটি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছে, কয়েক মাস ধরেই প্রিন্স আবদুল আজিজ গৃহবন্দী আছেন। সম্প্রতি জেদ্দা থেকে তাকে রিয়াদের কিং ফয়সাল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এই হাসপাতালের কাছেই রিজ কার্লটন হোটেলে রাখা হয়েছে শনিবার আটক হওয়া এগারো প্রিন্সসহ ও শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের।

সূত্রটি দাবি করেছে, আটককৃতরা শিগগিরই মুক্তি পাবেন। ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হবে। এ সময় পর্যন্ত তারা গৃহবন্দী হিসেবে থাকবেন।

সাবেক সৌদি বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের ছোট ছেলে প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ। একসময় সম্ভাবনাময়ী এই প্রিন্সকেই ভাবা হতো সৌদি সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে। বাদশাহ ফাহাদও তাকে সেভাবেই গড়ে তুলেছেন। তবে ২০০৫ সালে বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর পর থেকেই রাজ পরিবারে তার অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। ফাহাদের মৃত্যুর পর আজিজকে সরকারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তবে এ সময় ব্যবসায় উন্নতি করে শীর্ষস্থানীয় ধনীদের একজন হয়েছে আজিজ।

অনেকেই বলছেন, ধনী হওয়ার কারণেই তিনি টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দৃষ্টি ধনী প্রিন্সদের বাজেয়াপ্ত করা ৮০০ বিলিয়ন ডলারের দিকে। এ কারণেই তিনি ও প্রিন্স আল ওয়ালিদ বিন তালাল ক্রাউন প্রিন্সের রোষানলে পড়েছেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: