২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রবিবারও ছিল তীব্র যানজট ॥ সীমাহীন দুর্ভোগ


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রবিবারও ছিল তীব্র যানজট ॥ সীমাহীন দুর্ভোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর ॥ রবিবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দিনভর যানজট অব্যাহত ছিল। যানজটে আটকা পড়ে হাজার হাজার যাত্রীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। শুক্রবার থেকে টানা দুইদিনের বর্ষণে মহাসড়ক খানাখন্দক ও দেবে কর্দমাক্ত হয়ে এই যানজটের সৃষ্টি হয়। অভিরাম বৃষ্টির কারণে চাকা দেবে যানবাহন বিকল হয়ে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা করেও মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে পারছে না বলে মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি খলিলুর রহমান পাটোয়ারী জানিয়েছেন।

গাজীপুর জেলার চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা করে গাড়ীর চাকা সচল করলেও পরক্ষণেই তা থেমে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে মহাসড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে বেশী ভোগান্তিতে পড়তে হয় নারী ও শিশুদের।

এই যানজটে আটকা পড়া টাঙ্গাইলগামী ট্রাকের চালক বিপ্লব মিয়া জানান, চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর পযন্ত ১৫ কিলোমিটার রাস্তা আসতে ৫ ঘন্টা সময় লেগেছে। একই কথা বলেন, বিনিময় পরিবহনের চালক মদন মিয়া।

রবিবার বিকেলে পাঁচটায় গোড়াই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। চারলেনের কাজে যেখানে খুড়াখুড়ি করা হয়েছে সেখানে যানবাহন চলছে থেকে থেমে।

মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি খলিলুর রহমান পাটোয়ারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দুই দিনের টানা বর্ষণে মহাসড়কের গোড়াই এবং মির্জাপুর বাইপাস এলাকায় সড়ক দেবে যাওয়ায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে আকাশের অবস্থা অনুকুলে আসায় দুপুরের পর থেকে যানজটের তীব্রতা কমে এসেছে বলে তিনি জানান।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: