১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কক্সবাজারে সাগরের সৃষ্ট নিম্নচাপে ২০ গ্রাম প্লাবিত


কক্সবাজারে সাগরের সৃষ্ট নিম্নচাপে ২০ গ্রাম প্লাবিত

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ সাগরের পানিতে মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে অত্যধিক জোয়ারের কারণে বেড়িবাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। শনিবার দিনের জোয়ারের সময় ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে ধলঘাটা ও মাতারবাড়ি, পেকুয়া বকশিয়া ঘোনা উত্তর ও পশ্চিম পাশের বেড়িবাঁধে দুটি আলাদা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে। এছাড়াও বেড়িবাঁধ উপচে সাগরের পানি ঢুকে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ধলঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সাগরের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভাঙা বেড়িবাঁধের অংশ পানি ঢুকে উত্তর সুতুরিয়া, ভারতঘোনা, শরইতলা, পন্ডিতেরডেইল ও বেগুনবনিয়া গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মাতারবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার মাহমুদুল্লাহ জানান, উত্তর রাজঘাট ও দক্ষিণ রাজঘাটের বেড়িবাঁড়ের ৭০ নং ফোল্ডার ভাঙা ছিল।

সাগরের পানি বেড়ে ওই পয়েন্ট দিয়ে পানি ঢুকে উত্তর ও দক্ষিণ রাজঘাট, ফুলজানমোরা, বানিয়াকাটা প্লাবিত হয়েছে। পশ্চিম দিকে নড়বড়ে বেড়িবাঁধ দিয়েও পানি ঢুকে পড়ায় এতে সাইট পাড়া প্লাবিত হয়েছে। স্লুইচ গেইট বন্ধ থাকায় পানি আটকে রয়েছে। এতে মানুষ দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানয়িরা অভিযোগ করেন, ঠিকাদারা কাজে ফাঁকি দিয়ে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। ঠিক মতো কাজ করেননি। এতে করে অল্প পানি বাড়লেই ভেঙে যাচ্ছে বেড়িবাঁধ। এ ব্যাপারে বেশ কয়েকবার লিখিত অভিযোগ করেও কাজ হয়নি। পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে সাগরের পানিতে প্লাবিত হয়েছে রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়া ঘোনা ও নতুন ঘোনা গ্রাম। এতে ওই এলাকার চিংড়ি ঘের ও কাঁচা বসতঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রাজাখালী ইউপি সদস্য মো: ইসমাইল বলেন, দিনের জোয়ারে পানি প্রবেশ করায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে। স্থানীয়দের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। রাজাখালী ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ নূর বলেন, বেড়িবাঁধের এসব অংশ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বেড়িবাঁধ নির্মাণের কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারের অবহেলার কারণে বকশিয়া ঘোনা এলাকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: