২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আসামির স্বীকারোক্তিতে মির্জাপুরে দোকান কর্মচারী শাকিল হত্যার ঘটনা


আসামির স্বীকারোক্তিতে মির্জাপুরে দোকান কর্মচারী শাকিল হত্যার ঘটনা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর ॥ মির্জাপুর বাজারের দোকান কর্মচারী শাকিল হত্যাকান্ডের বর্ননা দিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এক আসামি। সুবর্না নামে এক মেয়ের সঙ্গে শাকিলের প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে এই হত্যাকান্ডটি ঘটে। ১০ অক্টোবর রাতে নিখোঁজ হন শাকিল। এর দুইদিন পর উপজেলার ধেরুয়া বিল থেকে শাকিলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মির্জাপুর থানার ওসি মো. মিজানুল হক জানিয়েছেন, শাকিল হত্যাকান্ডে অংশ নেয়া আসামি মেহেদী হাসান রাকিব সোমবার টাঙ্গাইল কোর্টে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। রাকিব শাকিলের বন্ধু। রাকিব ও সুবর্নার ভাই শুভ এই কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয়। ধেরুয়া গ্রামের নয়া মিয়ার মেয়ে ও শুভর বোন সুবর্নার সঙ্গে শাকিলের ছিল দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমের সম্পর্কের এক পর্যায় শাকিল ও সুবর্নার মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। দৈহিক সম্পর্কের আপত্তিকর কিছু ছবি মোবাইলে ধারণ করে রাখেন শাকিল। মোবাইলে বোনের আপত্তিকর ছবি ধারণ করার বিষয়টি শুভ বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারেন। বোনের সাথে অবৈধ সর্ম্পের বিষয়টি স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারেননি শুভ। অন্যদিকে এই ছবির মাধ্যমে শাকিল বোনের এবং পরিবারের ক্ষতি বা সম্মান হানি করতে পারে ভেবে শুভ শাকিলকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

গত ১০ অক্টোবর রাত ১০ টার দিকে রাকিবকে দিয়ে শুভ মোবাইল ফোনে শাকিলকে ধেরুয়া রেল লাইনের কাছে ডেকে নেয়। পরে তারা হত্যার পর শাকিলের মরদেহ ধেরুয়া বিলের জঙ্গলে লুকিয়ে রাখে। ঘটনার দুইদিন পর পুলিশ শাকিলের লাশ উদ্ধার করে। আসামি রাকিবের বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায়। তার পিতার নাম মজিবর শেখ। রাকিব এ উপজেলার গোড়াই নাজির পাড়া ধলা মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকে। সে একজন বখাটে প্রকৃতির ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহত শাকিল উপজেলার বাইমাইল গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। সে মির্জাপুর বাজারের মসজিদ মার্কেটের একটি কাপড়ের দোকানের কর্মচারী ছিলেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: