১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ইমরুলের হাফসেঞ্চুরি, লড়ছে বাংলাদেশ


ইমরুলের হাফসেঞ্চুরি, লড়ছে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রতিপক্ষ শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকা লক্ষ্যমাত্রাও কম নয় ৩৫৪ রান । তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। আর তাই ম্যাচ বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদের রান পাহাড়ের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। তবে এরপর তামিম ও লিটন দাসের বিদায়ে হোঁচট খায় সফরকারীরা। ইমরুল ও মুশফিকের ব্যাটে সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।

ইতোমধ্যেই হাফসেঞ্চুরি হাকিয়েছেন ইমরুল কায়েস। আর তার সাথে আছে মুশফিকুর রহিম ২৮ রানে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১২৩ রান। তামিম ২৫ বলে ২৩ রান করে আউট হয়েছেন। লিটন ১২ বলে ১৪ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন।

বড় লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে নেমে শুরু থেকেই আস্থার সঙ্গে খেলছিলেন তামিম ও ইমরুল। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই রান তুলছিলেন দুজন। তবে অষ্টম ওভারে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ডোয়াইন প্রেটোরিয়াসের করা অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। এরপর ইমরুলের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন লিটন।

এই দুজনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। আন্দিলে ফেলুকওয়োর করা একাদশ ওভারের পঞ্চম বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন লিটন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের। লিটনের বিদায়ের পর ইমরুলের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন মুশফিক।

এরআগে পার্লের বোল্যান্ড পার্কে টসে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান মাশরাফি বিন মুর্তজা। ডি ভিলিয়ার্সের ১৫০ ছাড়ানো ঝোড়ো ইনিংস এবং আমলা ও ডি ককের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৩ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৬ রান করেন ডি ভিলিয়ার্স। তার ১০৪ বলের ইনিংসটি ১৫টি চার ও ৭টি ছক্কায় সাজানো ছিল। ওয়ানডেতে এটিই ডি ভিলিয়ার্সের সর্বোচ্চ ইনিংস। এছাড়া আমলা ৯২ বলে ৮৫, ডি কক ৪৬ এবং জেপি ডুমিনি করেন ৩০ বলে ৩০ রান।

ডি ভিলিয়ার্সের ঝড়ের মুখে পড়ে মাশরাফি ১০ ওভারে ৮২ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। তাসকিন ৯ ওভারে ৭১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। সেই তুলনায় রুবেল ও সাকিব ভালো বোলিং করেছেন। সাকিব ১০ ওভারে ৬০ রান দিয়ে দুটি এবং রুবেল সমান ওভারে ৬২ রান দিয়ে নেন চারটি উইকেট।

উদ্বোধনী জুটিতে আমলা ও ডি কক ৯০ রান তুললে চাপের মুখে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে ১৮তম ওভারে ডি কক ও ফাফ ডু প্লেসিসকে আউট করে টাইগারদের ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন সাকিব। পরপর দুই উইকেট হারিয়েও দমে যায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় উইকেটে আমলা ও ডি ভিলিয়ার্স মিলে ১০৮ বলে ১৩৬ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ে প্রোটিয়াদের মজবুত ভিত এনে দেন। রুবেল হোসেনের করা ৩৬তম ওভারের শেষ বলে মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে আমলা ফিরে গেলে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফেরে টাইগার শিবিরে।

কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। চতুর্থ উইকেটে ডুমিনিকে নিয়ে ৭০ বলে ১১৭ রানের ঝোড়ো জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে দেন ডি ভিলিয়ার্স।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: