১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বসুন্ধরা পেপারের নিলামে সর্বোচ্চ দর ৮৬ সর্বনিম্ন ২০ টাকা


বসুন্ধরা পেপারের নিলামে সর্বোচ্চ দর ৮৬ সর্বনিম্ন ২০ টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বসুন্ধরা পেপার মিলসের প্রতিটি শেয়ার সর্বোচ্চ ৮৬ টাকা দিয়ে নিলাম শুরু হয়েছে। নিলামের প্রথম দিনে শুরুতে একজন যোগ্য বিনিয়োগকারী প্রতিটি ৮৬ টাকা দরে ২ লাখ ৯০ হাজার ৬০০টি শেয়ার কেনার জন্য দর হাঁকিয়েছেন করেছেন। একইদিনে সর্বনিম্ন ২০ টাকা দরে এক বিনিয়োগকারী ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার কেনার ঘোষণা দেন।

জানা গেছে, বসুন্ধরা পেপারসের নিলাম শুরু হয়েছে সোমবার বিকাল ৫টায়। যা চলবে ১৯ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এক্ষেত্রে ইলিজিবল ইনভেস্টর অর্থাৎ যোগ্য বিনিয়োগকারী অংশ নেবে।

সোমবারে অংশ নেওয়া অন্য বিনিয়োগকারীরা ৮৩ টাকায় ৩ লাখ ১ হাজার ২শ, ৮২ টাকায় ৩ লাখ ৪ হাজার ৮শ, ৮০ টাকায় ৯ লাখ ৩৭ হাজার, ৩৩ টাকায় ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ, ২৫ টাকায় ২০ লাখ, ২১ টাকায় ১ লাখ ১৯ হাজার টি শেয়ার কেনার ঘোষণা দেন। অর্থাৎ প্রথম দিনে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত মোট ৮ জন যোগ্য বিনিয়োগকারী দর হাকিয়েছেন।

এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬১০তম সভায় কোম্পানিটির নিলামের অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ২০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এরমধ্যে ১২৫ কোটি টাকার জন্য নিলাম সম্পাদিত হবে।

বসুন্ধরা উত্তোলিত অর্থ দিয়ে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্চাম ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচে ব্যয় করবে। ইলেকট্রনিক নিলাম সম্পাদনের মাধ্যমে কোম্পানিটির কাট অফ প্রাইস নির্ধারিত হবে। যে দরে শেয়ার ক্রয় করবেন বিডিংয়ে অংশ গ্রহনকারী যোগ্য বিনিয়োগকারীরা। আর কাট অফ প্রাইসের ১০ শতাংশ কমে পাবেন সাধারন বিনিয়োগকারীরা।

৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক বিবরনী অনুযায়ী শেয়ার প্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু (রিভ্যালুয়েশন রিজার্ভসহ) হয়েছে ৩০.৪৯ টাকা, শেয়াার প্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু (রিভ্যালুয়েশন রিজার্ভ ছাড়া) হয়েছে ১৫.৭৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ওয়েটেড এভারেজ ) হয়েছে ১.৪৬ টাকা।

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা পেপার মিলস বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে টাকা সংগ্রহের লক্ষে গত বছরের ৩০ জুন ‘রোড শো’ সম্পন্ন করেছে। ৫০০ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ১৪৭ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। কোম্পানিটি ১৯৯৭ সালে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। এরপরে ২০১১ সাল থেকে ২১টি দেশে পণ্য রপ্তানি করে আসছে।