২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

খালেদার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে নড়েচড়ে বসেছে বিএনপি


খালেদার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে নড়েচড়ে বসেছে বিএনপি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার লন্ডন থেকে দেশে ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে নড়েচড়ে বসেছে বিএনপি। ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীরা দলে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার বিমানবন্দরে ব্যাপক শোডাউন করে খালেদা জিয়াকে সম্বর্ধনা দেয়ার মধ্য দিয়ে দেশবাসীর কাছে দলের অবস্থান তুলে ধরতে চায় বিএনপি।

সূত্র মতে, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আরও কিছুদিন লন্ডনে অবস্থান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে তাঁর বিরুদ্ধে পর পর তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন তিনি। বিশেষ করে ৩ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও যখন বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথ উত্তপ্ত করতে পারেনি তখন তিনি ক্ষুব্দ হয়ে দ্রুত দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর এ নিদ্ধান্তের পর শনিবারই প্রথমে লন্ডন থেকে তাঁর একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার এবং পরে বিএনপি নেতাকর্মীরাও বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৬ টায় খালেদা জিয়া এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে দেশে ফিরে আসবেন বলে জানান।

এদিকে শনিবার রাতেই কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে রাজধানীর প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতাদের বুধবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে সম্বর্ধনা দিতে নিজ নিজ এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। রবিবার ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির বিভিন্ন স্তরে বৈঠক করে বিএনপি চেয়ারপার্সনকে বিমানবন্দরে সম্বর্ধনা দেয়ার প্রস্তুতি আলাপ-আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া ইতিমধ্যেই ঢাকার পাশের গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ ও নরসিংদী জেলা নেতাদেরর নিজ নিজ এলাকা থেকে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে আসতে বলা হয়েছে।

সূত্র মতে, রবিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে দলের পক্ষ থেকে ২০ দফা প্রস্তাবনা দেয়া এবং এসব প্রস্তাবনাকে নির্বাচন কমিশন ইতিবাচক হিসেবে নেয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদেও মধ্যে কিছুটা গতির সঞ্চার হয়। আর বুধবার খালেদা জিয়া দেশে ফিরে এলে দলে আরও গতি সঞ্চার হবে বলে বিএনপি নেতারা মনে করছেন।

জানা যায় খালেদা জিয়া দেশে ফিরে প্রথমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া মামলাগুলো আইনগতভাবে মোকাবেলা করে জামিন নেয়ার চেষ্টা করবেন। আর জামিন পাওয়ার পর এ মাসের শেষের দিকে ভারতের পররাস্ট্রমন্ত্রী সুষমা সরাজ বাংলাদেশ সফওে এলে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এর পর তিনি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রস্তাব চূড়ান্ত করবেন এবং সুবিধাজনক সময়ে তিনি তা ঘোষণা করবেন। আর সহায়ক সরকারের প্রস্তাব ঘোষণা করার পর তিনি এ নিয়ে জনমত তৈরী করতে সারাদেশের বিভিন্ন এলাকা সফর করবেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: