১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

খালেদাসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা


খালেদাসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ ॥ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। সরকার করেনি। এখানে সরকারের ষড়যন্ত্রের কিছু নেই। ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা কি সরকারের গ্রেফতারি পরোয়ানা? না আদালতের। আদালতের কোন আদেশ বা রায় যখন সরকারের বিরুদ্ধে যায় তখন বিএনপির খুশি রাখার জায়গা থাকে না।

খুশিতে তারা আটখানা হয়ে যায়। আবার কোন রায় বা আদেশ যখন তাদের বিরুদ্ধে যায় তখন তারা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করে। এটার অর্থ হচ্ছে আদালতের রায়কে অমান্য করা। আমার প্রশ্ন তারা কি আদালতের রায়কে অমান্য করতে চান। যখন ষোড়ষ সংশোধনীর রায় দেয় তখন বিচার বিভাগ স্বাধীন। আবার তাদের বিরুদ্ধে যথন রায় বা আদেশ যায় তখন সেটা সরকারের হস্তক্ষেপ। সরকার ষোড়ষ সংশোধনী রায়ের বিরুদ্ধে যখন হস্তক্ষেপ করেনি, এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে কেন?

ষোড়ষ সংশোধনীর রায় দিতে সাহস পায় বিচারক, এই আদেশ দিতে বিচারক সাহস পাবেনা এটা মনে করার কোন কারণ নেই। তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে বিচার বিভাগ সম্পুন্ন স্বাধীন। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোসনারগাঁয়ে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অবস্থিত ওজন স্কেল মেশিনের লোড আনলোডের কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের র্মীজা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে বলেন, আমি র্মীজা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলবো, যে বিচারক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন, তাকে জিজ্ঞাসা করুন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে আদেশ দিয়েছেন কিনা? বিএনপির আদালতের স্বাধীনতা নিয়ে দ্বিচারনতা কেন?

মন্ত্রী বলেন, আগামী নবেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে মহাসড়ক রক্ষায় ওজন স্কেলের নীতিমালা কঠোর ভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এতে কোন ছাড় দেয়া হবেনা। অতিরিক্ত মাল বোঝাই কোন ট্রাক বা লরি রাস্তায় চলতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, বিষয়টি মালিক শ্রমিক নেতাদের মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে সরকারের কঠোর সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন সরকারের স্কেল নীতিমালা কঠোর ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য।

নাম মাত্র জরিমানা দিয়ে কি ভাবে অতিরিক্ত লোড গাড়ি পার হচ্ছে তা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নত করা হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে রাস্তার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আগামী বছরের এই রাস্তা আরো ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, রাস্তা যদি না থাকে তবে যানবাহন কোথায় চালাবেন। এ বিষয়টি মালিক শ্রমিকদের অুনুধাবন করা উচিত।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ন করিব মজুমদার ও দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সুমনসহ সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: