২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বৃষ্টিতে ভিজছে শিশুরা, খাবার জোগাড়ে অনেকে নেমেছে ভিক্ষায়


রাজন ভট্টাচার্য, উখিয়া, কক্সবাজার থেকে ॥ উখিয়া টেকনাফের পথে পথে এখন দু’ধরনের চিত্র। একটি হলো যারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। অন্যটি গণহত্যা আর নির্যাতনের মুখে এখনও খোলা সীমান্ত দিয়ে আশ্রয়ের সন্ধ্যানে আসছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। যদিও আগের তুলনায় অনুপ্রবেশ কমেছে। প্রায় এক মাস আগে যারা এসেছেন তাদের প্রত্যেকেই যে রকম অত্যাচার নির্যাতনের কথা বর্ণনা দিয়েছেন, এখন যার আসছেন একই কথা বলছেন সবাই। যা শুনলে চোখে পানি ধরে রাখার উপায় নেই। অর্থাৎ মিয়ানমারে পরিস্থিতি আগের মতোই। বিশ্ববাসী মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত করলেও দেশটির টনক নড়েনি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নির্যাতন করছে মগ সম্প্রদায়ের মানুষ। এমন অভিযোগ করেছেন শরণার্থী রোহিঙ্গারা।

মঙ্গলবার উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখা গছে, মিয়ানমারে যারা সচ্ছল ছিলেন তাদের অনেকেই এখানে ভিক্ষাবৃত্তিতে নেমেছেন। একটু খাবার বা নগদ অর্থের জন্য পথে পথে হাত পাতা মানুষের অভাব নেই। খোলা আকাশের নিচে, জঙ্গলে, রাস্তার পাশে, কারো বাড়ির আঙ্গিনায় ঠাঁই নিচ্ছেন এখনও। সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি চলছিল মঙ্গলবার। খোলা আকাশের নিচে অনেকেই ভিজতে দেখা গেছে। স্থানীয় লোকজনও এখন অনেকটাই বিরক্ত। তারাও ভাসমান শরণার্থীদের খুব একটা আশ্রয় দিতে চান না। যারা এখনও খোলা আকাশের নিচে, তাদের অনেকের স্বামী নেই। এদের মধ্যে রয়েছে এতিম শিশুও। তাদের বাবা-মা এমনকি পৃথিবীতে কেউ নেই। নবজাতক শিশুদের নিয়ে অনেক মাকে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখা গেছে। অর্থের অভাবে পলিথিন, কিংবা বাঁশ কেনার সামর্থ্য তাদের নেই। যা দিয়ে অন্যদের মতো অস্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা হবে। তাই নিরাপদ আশ্রয় একমাত্র খোলা আকাশ।

উখিয়া-টেকনাথের পথে বালুখালি ডালার মোড়। রাস্তার দু’পাশে অন্তত ১০টি ছোট বড় পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন শরণার্থীরা। খোলা আকাশের নিচেও এখন অনেকের বসবাস। কেউ বা বসতি করার চেষ্টায় আছেন। সড়কের পাশে জঙ্গল। জঙ্গলের গাছের নিচে বৃষ্টি থেকে ১০ দিনের শিশুকে রক্ষার প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন আদিলা বেগম। আরেকটি শিশুকে ডান হাত দিয়ে আগলে রাখার চেষ্টা এই মায়ের। মুষলধারে বৃষ্টি। সামান্য কাপড়ে শিশুদের রক্ষা করা কঠিন। অল্প সময়ের মধ্যে শিশু দুটি ভিজে গেল। ঠা-ায় নবজাতক শিশুটির কান্না কোনভাবেই ‘মা’ থামাতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় এক বাসিন্দার দয়া হলো। তিনি একটি ছাতা এগিয়ে দিয়ে আসলেন। আরেকজন দিয়ে গেলেন কয়েকটি কাপড়।

আদিলা জানালেন বার্মার মংডুর তামিল গ্রামের বাসিন্দা তিনি। স্বামী ব্যবসা করতেন। ভালই চলতেন তারা। কিছু জমিও ছিল। বাড়ি ছিল অনেক বড়। তিন বছর হলো একটি ছোটখাটো বিল্ডিংও তুলেছিলেন। কিন্তু জীবনের গতিপথ যে হঠাৎ করে এতটাই বদলে যাবে তা কখনও ভাবতে পারেননি। স্থানীয় মগরা তার স্বামীকে হত্যা করেছে। স্বামী আলাল বলতেন, নবজাকের নাম রাখবেন তিনি। কিন্তু তা আর হলো না। প্রাণ বাঁচাতে এক কাপড় নিয়ে এখানে আছি। ঘর তোলারও কোন ব্যবস্থা নেই। রাস্তার পাশে থাকি। রোদ বৃষ্টি সবই মাথার ওপর দিয়ে যায়। পাশের এক বাড়িতে আশ্রয় নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, একদিন ছিলাম ওখানে। তারপর তারা আমাকে তাড়িয়ে দেয়।

৫নং থায়ংখালী বাজারের পাশেই ছোট্ট দুই ভাই বোনকে নিয়ে একটি গাছের নিচে বসেছিল জায়েদ। ওর বয়স এখন ১৬। বৃষ্টিতে ভিজে একাকার তিন ভাই বোন। কোথায় যাবে ওরা। এদের আশ্রয় দেবার মতো তো কেউ নেই। কারণ বাবা-মা নেই তাদের। দু’জনকেই হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবেশীরা তাদের নিয়ে এলেও এখন পাশে কেউ নেই। সবাই নিজেকে বাঁচানোর যুদ্ধে নেমেছেন। জায়েদ জানালেন, রাস্তার পাশে থাকার কারণ হলো ভিক্ষে করতে সুবিধা হয়। যাকেই পাই ভাই বোনদের নিয়ে হাত বাড়িয়ে দেই। যাদের দয়া হয় টাকা দেয়। খাবারও পাই। এ দিয়ে আমাদের কোন রকম চলছে। কোনদিন একেবারের খাবারও জোটে না।

দুই ভাই বড়। বোন সবার ছোট। নাম আদরী। বাড়ির সবাই ওকে আদর করত। তাই আদরী নাম রাখা হয়েছে। এখন তো ওকে আদর করারও কেউ নেই। গেল ১৫ দিনে বোনকে একবেলা দুধ খাওয়ানো সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের বাড়িতেই ছিল ১০টি গরু। দুধের কোন অভাব ছিল না।

অসহায়দের আরেকজন হাসিনা বেগম। স্বামীর কোন খোঁজ নেই। তাই তিন সন্তান নিয়ে একাই বাংলাদেশে এসেছেন। সম্বল বলতে ছিল দুটি স্বর্ণের কানের দুল। যা নৌকা ভাড়া হিসেবে দিয়েছেন। এখন তো ২৪ ঘণ্টাই খোলা আকাশের নিচে। রাস্তার পাশে ঠিকানা ব্যবসায়ী ফারুক মিয়ার স্ত্রী সন্তানদের। চলার একমাত্র উপায় হলো ত্রাণ আর ভিক্ষা। হাসিনা বেগম জানান, দোকানে গিয়েছিলেন তার স্বামী। আর ফেরেননি। তার জন্য অপেক্ষা করতে করতে পুরো গ্রাম জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চলে আসা ছাড়া কোন বিকল্প ছিল না তার।

পাঁচ মাসের শিশু সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মেরুলা। তারও কোন ঠিকানা নেই। পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যেখানে রাত হয় সেখানেই থাকেন। তারও বেঁচে থাকার সম্বল ভিক্ষে আর ত্রাণ। দিনের আলোতে যতদূর পারেন হাঁটেন। রাত হলেই থেমে যান। ঘুমান রাস্তার পাশে। জানালেন, টেকনাফ থেকে হেঁটে সামনের দিকে আসছেন তিনি। সর্বশেষ তার সঙ্গে যখন দেখা হয় সে স্থানটির নাম ছিল উখিয়ার কুতুপালং। মেরুলার থেকে কুসুমদারাতো আরও বেশি অসহায়। পাঁচ সন্তান তার। স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দুগ্ধশিশু। কিন্তু নিজের খাবারের নিশ্চয়তা নেই। শিশুদের বাঁচানোই এখন তার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। গত ১০ দিনের মধ্যে কোন শিশুই বুকের দুধ পায়নি। তাই বাচ্চাদের দুধ খাওয়াবেন বলে মানুষের কাছে ভিক্ষে চাইতে দেখা গেছে তাকে।

জানালেন, মাছ-মাংস-ডিম না খেলে বাচ্চারা দুধ পাবে না। ভিক্ষের টাকা দিয়ে অন্য শিশুদের খাওয়ান। সেখান থেকে তিনি নিজে কিছু খেলেও বুকে দুধ নেই। আবার সবটুকু খাবারও নিজের পেটে ভাল খাবার ঢুকে না। বললেন, আজ ও কালের ভিক্ষের টাকা দিয়ে আমি নিজেই খাব। বাচ্চাদের কান্না আর সহ্য হয় না।

এদিকে আইওএমের সমন্বয়ে শরণার্থীদের আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ইন্টার সেক্টর ক্রাইসিস গ্রুপের (আইএসসিজি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পালিয়ে আসা শরণার্থীদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৮৮ হাজার রোহিঙ্গা টেকনাফ উখিয়া এলাকার স্থানীয়দের বাড়িঘরে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার শরণার্থী এখনও উপযুক্ত আশ্রয়ের সংস্থান করতে পারেনি। এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি আশ্রয়হীন কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়ে থাকা এই তিন লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গার জরুরী আশ্রয়ের প্রয়োজন।

আইওএমের সমন্বয় করা সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- কমপক্ষে দশটি স্থানে অবস্থান নিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের সরকার নির্ধারিত বালুখালিতে স্থানান্তর শুরু হলেও সেখানে প্রবেশের রাস্তা না থাকায় রোহিঙ্গার জন্য আশ্রয় নির্মাণে দেরি হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুদিন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের হার কমে গেলেও আশ্রয়ের সন্ধানে প্রতিনিয়ত ছোটাছুটি করছে রোহিঙ্গারা।

শরণার্থী আসছে, বন্ধ হয়নি ধ্বংসযজ্ঞ

এক মাসের বেশি সময়েও মিয়ানমারের পরিস্থিতির দৃশ্যমান কোন উন্নতি হয়নি। এখনও গ্রাম জ্বলছে। নির্বিচারে দেয়া হচ্ছে আগুন। হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট সবই আগের মতোই। নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হচ্ছে মানুষের বসতি। মুছে দেয়া হচ্ছে জনপদের স্মৃতিচিহ্ন। কিছু এলাকায় যেখানে ঘরবাড়ি ছিল সেখানে রাতারাতি পুকুর কাটা হচ্ছে। নির্মাণ হচ্ছে নতুন নতুন স্থাপনা। গ্রামগুলো এখন পুরুষশূন্য। কোন কোন গ্রামে জনমানব বলতে কিছু নেই।

গত তিন দিনে যারা বাংলাদেশের প্রবেশ করেছেন তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য ঠিক এ রকমই। নাফ নদীসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আসছেন তারা। দিনের চেয়ে রাতে বেশি আসছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতি রাতে প্রায় হাজারখানেক রোহিঙ্গা নৌকায় করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। নতুন আশ্রিতারা নিরাপদ স্থানের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় ছুটছেন। কেউ কেউ বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে থাকার চেষ্টা করছেন। তাদের ইচ্ছা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই দ্রুত বাড়ি ফিরতে চান।

মঙ্গলবার কুতুপালং এলাকায় নতুন শরণার্থীদের ট্রাকে করে নামতে দেখা গেছে। তারা জানান, নাফ নদী দিয়ে শাহপরীর দ্বীপে প্রবেশের পরই তারা আশ্রয় পান জামেয়া আহমাদিয়া বাহরুল উলুম মাদ্রাসায়। সেখানে তাদের কয়েক বেলা খাবার দেয়া হয়। তিনরাত থাকার পর তাদের ট্রাকে করে পাঠানো হয় কক্সবাজারের ক্যাম্পের দিকে। সফুরা জানালেন, আমরা একসঙ্গে প্রায় ২০টি পরিবার পালিয়ে এসেছি। এখনও অনেক মানুষ মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি জঙ্গলে নয়ত নিরাপদ স্থানে পালিয়ে আছে। অনেকেই ভয়ে জঙ্গল থেকে বেরুচ্ছেন না। আবার অর্থের অভাবে নৌকা ভাড়া দিয়ে আসতে পারছে না অনেক পরিবার। বাংলাদেশে আমাদের আত্মীয় আছে। তারা টাকা পাঠানোর পর আমরা এলাম।

নতুন আশ্রয় নেয়া মদিনা বেগম বলেন, বাংলাদেশে আসতে ১ লাখ রুপী লাগে (প্রায় ৫ হাজার টাকা)। টাকা না থাকায় আমরা এতদিন পালিয়ে বেড়িয়েছি। বাংলাদেশ থেকে আমাদের ভাই টাকা নিয়ে আসার পর আমরা রওনা হই। রাখাইনের আব্দুল্লাহ জানালেন, ১০ দিন জঙ্গলে পালিয়ে ছিলাম। মিলিটারিরা আমাদের গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছিল। পুরুষদের নির্বিচারে হত্যা করছিল। তাই পরিবার নিয়ে পালানো ছাড়া উপায় ছিল না। তা-ব শেষ করে ওরা চলে যায়। তারপর আমরা জঙ্গল থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশ আসি। আমার মতো অনেক পরিবার এখনও জঙ্গলে। কেন এই অত্যাচার এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, মিলিটারিদের বক্তব্য দেশ ছাড়। এটা তোমাদের দেশ নয়। তোমাদের দেশ বাংলাদেশ। সেখানে যাও। এখানে থাকলে মৃত্যু।

তিনি কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমরা তো বার্মার মাটি-পানি আর বাতাসের সঙ্গে মিশে বড় হয়েছি। মিয়ানমারের অক্সিজেনে আমাদের জীবন বাঁচে। পূর্ব পুরুষদের বসতিও বার্মাতেই। তাহলে আমরা কেন সে দেশের মানুষ নই। এর বিচার কার কাছে চাইব। অথচ আমাদের রক্ষাকবচ ছিলেন সুচি। যাকে রোহিঙ্গারা দেবতার মতো মানে। ভালবাসে তাকে। ভোট দেয়। অথচ ভোট শেষেই আমাদের ওপর তিনি হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠলেন। আমরা তো তার থেকে এমন আশা করিনি। তবে আমি নিশ্চিত, মিয়ানমার রাষ্ট্র একদিন এই ভুলের জন্য গোটা বিশ্ববাসীর কাছে ক্ষমা চাইবে। আমরা সেদিনের অপেক্ষায়।

রাখাইন রাজ্যের মংডুর খুইন্ন্যা পাড়া থেকে আগত হাবিবুল্লা ৪ সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে সোমবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, এ মাসের প্রথম দিন থেকে আমরা গ্রাম ছাড়া হয়েছি। পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম। কখনও মানুষের গোলা ঘরে আবার কখনও কলা গাছের বাগানের ভেতর থেকেছি। মিলিটারিদের সঙ্গে মগদের ঘোরাফেরা করতে দেখেছি। তারা মিলিটারিদের নির্দেশে ঘরবাড়িতে আগুন দিচ্ছেন। আর সামনে দিয়ে কেউ দৌড়ে পালালে তাকে গুলি করছে। কাছাকাছি কাউকে পেলে অস্ত্র দিয়ে আঘাত করছে। মগরা সরাসরি জবাই করে হত্যা করছে। আমাদের সামনে একজন বয়স্ক লোককে হত্যা করেছে। আমরা গত দুদিন নৌকার অপেক্ষা করে অবশেষে এখানে এলাম। সুলতান নামের আরেকজন জানালেন, প্রায় এক সপ্তাহ নাফের তীরে একটি পাহাড়ের ঢালে লুকিয়ে ছিলাম। আমাদের সামনে বার্মার দুজন একটি নৌকায় কয়েকটি ছাগল নিয়ে পারাপারের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে ছিল। মিলিটারিরা এসে তাদের গুলি করে মেরে ফেলে। মগরা ছাগলসহ নৌকাটি উল্টে দেয়।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: