১২ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বিসিবি পর্ষদকে বার্ষিক ও বিশেষ সাধারণ সভা থেকে বিরত রাখতে রিট


স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদকে কার্যক্রম চালানো ও ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক ও বিশেষ সাধারণ সভা থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বাঁশখালী আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটির পদে থাকায় কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী) আসনের এমপি আব্দুর রউফের সভাপতি পদ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার সভাপতির পদ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে তিন মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। রবিবার হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ আদেশগুলো প্রদান করেছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক মাহবুব। বিসিবির সাবেক পরিচালক মোবাশ্বের হোসেনের পক্ষে রিটটি দায়ের করেন শফিক মাহবুব। আজ সোমবার হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এমপির কলেজ সভাপতির

পদ হাইকোর্টে স্থগিত

বাঁশখালী আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটির পদে থাকায় কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী) আসনের এমপি আব্দুর রউফের সভাপতি পদ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার সভাপতির পদ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট কলেজের প্রিন্সিপাল ও এমপি আব্দুর রউফকে উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদেশের পর রিটকারী আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ জানান, এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি নিয়ে রবিবার বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

খাগড়াছড়িতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থিতাবস্থা জারি

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে তিন মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে রবিবার বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোঃ সাইফুর রহমান। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক। এর আগে গত ২৫ আগস্ট খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৩৫৮টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয়। এরপর ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাত থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ-দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে।

পরে ওই পরীক্ষায় দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে। অনিয়ম ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে গত ১৯ সেপ্টেম্বর জেলায় হরতাল পালন করা হয়। এসবের প্রেক্ষাপটে গত ১৯ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু তদন্ত চলাকালীন নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পলাশ চৌধুরী ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ নামে দুই ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি শেষে রবিবার হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া তিন মাসের জন্য স্থিতাবস্থার নির্দেশ দেন।