২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বাংলাদেশের মানুুষের উদারতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে॥ প্রধানমন্ত্রী


জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ রোহিঙ্গা সঙ্কটে বাংলাদেশের মানুষের উদারতা ও মহানুভবতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে অংশ নিয়ে আমি সাধারণ বিতর্ক পর্ব, ওআইসি কনট্যাক্ট গ্রুপের উচ্চ পর্যায়ের সভাসহ সব দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা তুলে ধরেছি। চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় বিশ্ব নেতারা আমাদের প্রশংসা করেছেন। স্থান ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের জনগণ এসব অসহায় ও নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, তাদের খাদ্য ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের এই উদারতা ও মহানুভবতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।’ খবর ওয়েবসাইটের।

নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার কিছুক্ষণ পর (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা) নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানসহ সফর নিয়ে ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন এমন একটি সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন মিয়ানমারে জাতিগত নিধন অভিযানের ফলে হাজার হাজার নিরীহ রোহিঙ্গা প্রতিদিন প্রাণভয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। গত তিন সপ্তাহে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এদের বেশিরভাগই নারী, শিশু ও বয়স্ক। আগে থেকেই চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ছিল। ফলে বর্তমানে মোট আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আমাদের দেশে অবস্থান করছে। এদের খাদ্য, বাসস্থান ও জরুরী সহায়তা সঙ্কুলান এবং এদের স্বদেশে প্রত্যাবাসন নিয়ে আমরা জটিল সঙ্কটের মুখোমুখি। এ অধিবেশনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গা সমস্যা তুলে ধরা ও এর সমাধানে বিশ্ববাসীর সহযোগিতা নিশ্চিত করা ছিল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। যুক্তরাজ্য প্রথম থেকেই এ বিষয়ে সোচ্চার ছিল। তাদের দেয়া নোটিসের কারণে দুইবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা বিষয়টি আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান কিভাবে করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা করেন এবং ঢাকা এ বিষয়ে লন্ডনের সহায়তা চায়।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: