১৩ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

আমিরাত এ বছরই বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করবে


ফিরোজ মান্না ॥ সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে এ বছরই কর্মী নিয়োগ করবে। সম্প্রতি দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বছরের গোড়ার দিকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের পর দেশটির শ্রমবাজারে ধাপে ধাপে অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক মাসে দুই দেশের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠকের পর এখন কর্মী নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে কর্মরত ৭ লাখ বাংলাদেশী কর্মীর আকামা (চাকরি) পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন থেকে বাংলাদেশী কর্মীরা তাদের ইচ্ছে মতো চাকরি পরিবর্তন করতে পারছেন। আকামা পরিবতন একটি বড় কাজ হয়েছে বলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি সম্প্রতি বলেছেন, দেশটির মানবসম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রী সাকর গোবাশ সাঈদ গোবাশের সঙ্গে তার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে অধিক সংখ্যক কর্মী নেয়া ও কর্মীদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সরকারের কাছে বাংলাদেশী কর্মীর চাহিদাপত্র শীঘ্রই পাঠানো হবে। এই চাহিদার অনুকূলে কত সংখ্যক কর্মী তারা নেবে সে বিষয়টি ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠক করেছেন। আমিরাতের প্রতিনিধি দল ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে। কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এর আগে দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রী গোবাশ বলেছেন, অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশী কর্মীদের আকামা পরিবর্তনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। দুই দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মুসলিম প্রধান দেশ, একই ধর্মীয় মূল্যবোধের অনুভূতি ও পারস্পরিক অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা বজায় রাখার জন্য পরস্পরের প্রতি একটা ঘনিষ্ঠতা আগে থেকেই বিরাজমান রয়েছে। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে একযোগে কাজও করে যাচ্ছে। উভয় দেশ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফোরামসমূহে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে সুষ্ঠু ও নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের বিভিন্ন ইস্যুতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছে। এতে কর্মীদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবসম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় বিদেশী কর্মীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে জারিকৃত সর্বশেষ ডিক্রিসমূহের উদ্যোগকে প্রশংসা করেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: