১৮ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আজ চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ নির্বাচন


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে দীর্ঘ একযুগ পর অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ (কর্মচারি পরিষদ) নির্বাচন। প্রতি দু’বছর অন্তর সিবিএ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে নানাবিধ বিরোধ অন্তর্কোন্দলসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘ সময়জুড়ে এ নির্বাচন হতে পারেনি। এবারের নির্বাচনও পেছানোর নানামুখী চেষ্টা হয়েছে। আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে। কিন্তু সবশেষে এর অবসান হয়েছে। অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল কাক্সিক্ষত এ নির্বাচন। বন্দর সিবিএ নির্বাচন সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০০৫ সালে। এবারের নির্বাচনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি তথা আওয়ামী লীগ সমর্থিত তিনটি প্যানেল নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছে। এছাড়া একই মনোভাবা আরেকটি প্যানেলও এ নির্বাচনে রয়েছে। তবে এদের সমর্থন প্রধান তিনটির তুলনায় একেবারেই কম। বিএনপি-জামায়াত ও ইসলামী ব্যানারের কোন প্যানেল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। আবার বয়কটও করেনি। আশা করা হচ্ছে, এদের সমর্থিতরা সকলেই ভোটে অংশ নেবে। আরও উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে, নির্বাচনকে ঘিরে প্যানেল সমর্থিতদের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক নেতাদের কেউ প্রকাশ্যে প্রচারণায় নামেননি। এবারের নির্বাচনে ২৫টি পদের জন্য শতাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৮৬২।

শ্রমিক সংগঠনগুলো সূত্রে জানা গেছে, সিবিএ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী মূল তিনটি প্যানেল হচ্ছে সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী সমর্থিত আবদুর রহমান সিকদার, রফিউদ্দিন খান ও শহিদুল আলম বকুল প্যানেল, বর্তমান মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন সমর্থিত আবুল মনসুর আহমেদ ও ফখরুল ইসলাম প্যানেল এবং স্থানীয় এমপি এমএ লতিফ সমর্থিত সৈয়দ আহমেদ বাদল ও সালাউদ্দিন খান প্যানেল। এছাড়া ক্ষুদ্র একটি প্যানেলও রয়েছে, যেটি গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার হোসেনের আর্শিবাদপুষ্ট বলে প্রচার রয়েছে। তবে এবারের নির্বাচনকে ঘিরে নেতাদের কেউ প্রচারণায় নামতে দেখা যায়নি। শুধু গত মঙ্গলবার মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন তাঁর সমর্থিত প্যানেলের প্রচারে সিবিএ অফিসে বক্তব্য রেখেছেন।

সূত্রে আরও জানা গেছে, বন্দর মন্ত্রী শাজাহান খানকে ঘিরে একটি প্যানেল তৎপর থাকলেও মন্ত্রী তাদের পক্ষে কোন ধরনের লবিং বা প্রচারণায় নেই। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, যারাই নির্বাচিত হয়ে আসবেন তাদের প্রতি তাঁর সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে।

এদিকে, বুধবার পর্যন্ত এ নির্বাচনকে ঘিরে কোন ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির জন্ম নেয়নি।

আজ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কোনরূপ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হতে পারে তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এরপরও অনেকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে এ নির্বাচন প- করার অপতৎপরতা চালাতে পারে। যদিও নির্বাচন পরিচালনাকারীদের পক্ষে তা নাকচ করে দেয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: