১৮ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আগামী নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে জরিপে আওয়ামী লীগের অবস্থান॥ ২শ’র বেশি আসন পাবে


জনকণ্ঠ রিপোর্ট ॥ ক্রমশই দেশ জড়িয়ে পড়ছে নির্বাচনী জ্বরে। বড় বড় রাজনৈতিক দল নির্বাচনে জয়লাভের জটিল অঙ্ক সমাধানের জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্বাচনী কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আটঘাট বেঁধেই মাঠে নামছে দলগুলো। জোট, মহাজোট কিংবা যেভাবেই হোক, সবার একটাই লক্ষ্য নির্বাচনে জয়লাভ। এ লক্ষ্যে দলীয় ও বেসরকারী পর্যায়ে বিভিন্ন জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে বড় দলগুলো মাঠ পর্যায়ে তাদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। তাদের জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীদের তালিকাসহ আসনভিত্তিক দলীয় অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটারও যাচাই করে নিচ্ছে মাঠ পর্যায়ে নানা জরিপের মাধ্যমে।

সম্প্রতি কয়েকটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত একটি মাঠ জরিপের রিপোর্ট জনকণ্ঠের হাতে এসেছে। মাঠ পর্যায়ের সেই জরিপে উঠে এসেছে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুইশ’রও বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য সমমনা দলের নির্বাচনী জোট হলে এই সংখ্যা ২৩০ ছাড়িয়ে যেতে পারে ধারণা করা হয়েছে জরিপে।

একই সঙ্গে জরিপে দেশের শতকরা ৮৩ ভাগ মানুষ মনে করে দেশের চলমান উন্নয়নের জন্য বর্তমান সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সবচেয়ে বেশি যোগ্য। ৭২ ভাগ মানুষ আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। দেশের শতকরা ৯৬ ভাগ মানুষই স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দল জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির জোটকে সমর্থন করেনি এবং ৮৭ ভাগ জনগণই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে সমর্থন জানায়। দেশের ৬ ভাগ জনগণ আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে সমর্থন দেবে এবং ১২ ভাগ জনগণ এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জরিপে উঠে এসেছে।

জরিপে আসন ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, রংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় ৩৩টি আসনের মধ্যে ২৭টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী বেশ এগিয়ে রয়েছেন। বাকি ৬টি আসনের মধ্যে ২টি বিএনপি, ৩টি জাতীয় পার্টি ও একটিতে জাতীয় পার্টি (জেপি) সমর্থিত প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলার ৩৯টি আসনের মধ্যে ২৯টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী বেশ এগিয়ে রয়েছেন। বাকি ১০টিতে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে। খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার ৩৬টি আসনের মধ্যে ২৬টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী জনসমর্থনের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন। বাকি ১০টি আসনের মধ্যে ৯টি বিএনপি ও ১টিতে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।

জরিপ অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলার ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বেশ এগিয়ে রয়েছেন। বাকি ৬টি আসনের মধ্যে ৫টি বিএনপি ও একটিতে জেপি (মঞ্জু) এগিয়ে রয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার ২৪টি আসনের মধ্যে ১৯টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী এগিয়ে। বাকি ৫টিতে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে। ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার ৭০টি আসনের মধ্যে ৫৬টি আসনেই এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। বাকি ১৪টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে বিএনপি ও একটিতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এগিয়ে রয়েছে। সিলেট বিভাগের ৪টি জেলার ১৯টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী বেশ এগিয়ে। বাকি ৪টিতে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলার ৫৮টি আসনের মধ্যে ৪২টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বাকি ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিতে বিএনপি, একটিতে জামায়াত, একটিতে এলডিপি, একটিতে জেএসএস এবং একটিতে ইউপিডিএফ এগিয়ে রয়েছে।

আগামী নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগের অনেক বর্তমান মন্ত্রী-এমপি মনোনয়ন নাও পেতে পারেন বলে জরিপে উঠে এসেছে। নির্বাচনে ইতিবাচক ফলাফল অর্জনের জন্য আওয়ামী লীগ বেশ কিছু আসনে তাদের প্রার্থিতা পরিবর্তন এবং বেশ কিছু আসনে চমক দেয়ার মতো নতুন মুখকে প্রার্থী করতে পারে। যেসব প্রার্থীর এলাকায় যাতায়াত কম, এলাকায় জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন, ভোটারদের সঙ্গে অসদাচারণ, যাদের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ আত্মীয়-স্বজনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও দুর্নীতির কারণে দলের ইমেজ ক্ষুণœ হচ্ছে তাদের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে বলেই ধারণা করা হয়েছে জরিপে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও সংশয়ে রয়েছেন দলটির ভোটার ও সমর্থকরা। এ নিয়ে মাঠের অনেক নেতা-কর্মী ও সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন-শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হলে ৫ বছর আগে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেন বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি? লন্ডনে থাকা তারেক রহমান এখনও দলের প্রবীণ নেতাদের চেয়ে হাওয়া ভবনকেন্দ্রিক তার অনুসারীদের প্রধান্য দিচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে কমিটি গঠনসহ অন্যন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে মায়ের সঙ্গে তার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব দলীয় নেতা-কর্মীদের ভাবিয়ে তুলছে। এছাড়া সংস্কারবাদী কিছু নেতাকে সম্প্রতি দলে ফিরিয়ে আনায় এইসব আসনের ত্যাগী নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করছে। আগামী নির্বাচনে সংস্কারবাদীদের মনোনয়ন দেয়া হলে ঐ সমস্ত আসনে বিএনপির ত্যাগী নেতারাও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। এমন নানা চিত্র ও ভোটারদের মনের কথা উঠেছে মাঠ পর্যায়ের এই গোপন জরিপে।

এছাড়া জরিপে দেখা গেছে, বর্তমান সরকারের আমলে দেশ যে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা সকলের কাছে দৃশ্যমান হওয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জনগণের আস্থা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার চেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের আস্থা অনেক বেশি। অপর পক্ষে দুর্বল নেতৃত্ব, খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা, খালেদা জিয়াকে ঘিরে রাখা কতিপয় সুবিধাবাদী ব্যক্তির আচরণগত সমস্যা, সারাদেশে দলীয় সাংগঠনিক দুর্বলতা, অধিকাংশ নেতাকর্মী বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার ভয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা, দলের বয়োঃজ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে সন্দেহ-অবিশ্বাস ও আন্তঃকোন্দল, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় নেতৃবৃন্দকে দূরে রেখে জামায়াত ঘরানার নেতৃবৃন্দকে প্রাধান্য দেয়াসহ এখনও জোটের সঙ্গে জামায়াতকে রাখার কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধিসহ তরুণ সমাজ বিএনপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় বিএনপির আসন সংখ্যা বেশ কমে আসছে।

এ ছাড়া বিগত দিনগুলোতে লাগাতার অবরোধ ডেকে পেট্রোলবোমা সন্ত্রাস চালিয়ে নিরপরাধ বহু মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, সারা জীবনের জন্য পঙ্গু করে ফেলাসহ অসংখ্য যানবাহন পুড়িয়ে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম করায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিএনপির ভাবমূর্তি যথেষ্ট ক্ষুণœ হয়েছে। এসব কারণে আগামী নির্বাচনে বড়জোর ৬০ থেকে ৬৫টি আসনে বিএনপি জয়লাভ করতে পারে বলে বিভিন্ন জরিপের ফলাফলে উঠে আসে। এ ছাড়াও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশের অবকাঠামোগত কোন উন্নয়ন না হওয়া, বিদ্যুত সেক্টরে উন্নতি না হয়ে খাম্বা প্রকল্পের জন্য সমালোচিত হওয়া, সারের জন্য কৃষক হত্যা এবং হাওয়া ভবনকেন্দ্রিক ব্যাপক দুর্নীতির কথা স্মরণ করে জনগণ তাদের ওপর আর আস্থা রাখতে পারছে না। এ ছাড়া খালেদা জিয়াসহ বিএনপির বেশ কিছু কেন্দ্রীয় বয়োঃজ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ বার্ধক্যজনিত ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে আগের মতো আর চলাফেরা করতে পারছেন না। ফলে বিএনপিতে আস্থাশীল ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব শূন্যতা সৃষ্টি হওয়ায় দেশ পরিচালনায় বিএনপির সক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিক সচেতন মহলে যথেষ্ট সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।

জরিপের এই ফলাফল সম্পর্কে রাজনৈতিক অভিজ্ঞ ও সচেতন মহল মনে করে, দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব, চলমান মেগা প্রকল্প ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রান্তিক জনগণের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় গৃহীত সেবামূলক ক্ষুদ্র প্রকল্পসমূহ আগামী নির্বাচনের ফলাফলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক চাকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গত ৮ বছরে ৫ কোটির বেশি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে উঠে এসেছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের একটি। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন প্রায় ৮ লাখ কোটি টাকারও বেশি যা জিডিপির ভিত্তিতে বিশ্বে ৪৪তম এবং ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে ৩২তম। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬০২ মার্কিন ডলার। বৈদেশিক বিনিয়োগ ২২৩ কোটি ডলার। রফতানি আয় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। রেমিটেন্স আয় ১৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন।

এছাড়া বর্তমানে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭ ভাগেরও ওপরে। দেশীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপকে দেশের ৯০ ভাগ মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণ, কর্ণফুলী ট্যানেল, ১০০টি অর্থনৈতিক জোন, উত্তরা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল প্রকল্প, গাজীপুর থেকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্প, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ, ভারত ও মিয়ানমারের কাছ থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৮ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার অধিকার অর্জন, ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের ভূখ-ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা, পায়রাবন্দর নির্মাণসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত সম্পর্ক উন্নয়নের পদক্ষেপ বাস্তবায়নে দেশের ভোটাররা আবারও আওয়ামী লীগকেই ক্ষমতায় আনতে চায়।

বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি, মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় নির্মাণ/মেরামত ও সংস্কারকরণ, মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধিসহ সুবিধাভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ, ভিজিএফ, কাবিখা, কাবিটা, ১০ টাকা কেজি দরে ৫৫ লাখ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র ঋণ, একটি বাড়ি একটি খামার, কমিউনিটি ক্লিনিক, বছরের শুরুতেই ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণ, শিক্ষা উপবৃত্তি, স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে অধ্যায়ন, প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজকে সরকারীকরণ, দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় প্রায় ১ কোটি শিক্ষার্থীকে মিড-ডে-মিল প্রদান করাসহ দারিদ্র্যবিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় গৃহীত প্রকল্পের সুবিধা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ বর্তমান সরকারের প্রতি যথেষ্ট খুশি বলে জরিপে উঠে এসেছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: