মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
১৯ আগস্ট ২০১৭, ৪ ভাদ্র ১৪২৪, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

দুর্গাপুরের ৭ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ॥ ২১ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত : ১২ আগস্ট ২০১৭, ০৬:২৮ পি. এম.
দুর্গাপুরের ৭ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ॥ ২১ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত

সঞ্জয় সরকার, নেত্রকোনা থেকে ॥ টানা দু’দিনের বিরামহীন বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সদরসহ সাতটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ৩১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকেছে। ফলে ২১টি বিদ্যালয়ে শনিবার অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে পাহাড়ী নদী সোমেশ্বরীর পানি বিপদ সীমার ১শ ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, গত দু’দিনের ভারি বৃষ্টির পাশাপাশি মেঘালয় থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে পাহাড়ী জনপদ দুর্গাপুরে আকষ্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে দুর্গাপুর সদর ইউনিয়নের মেনকীফান্দা, মাসকান্দা, চন্দ্রকোনা মায়ানগর, শ্যামনগর, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের ভাদুয়া, দক্ষিণ ভবানীপুর, শংকরপুর, তিতারজান, কুল্লাগড়া ইউনিয়নের কামারখালী, সনারকান্দা, খুজিগড়া, বিপিনগঞ্জ, বিরিশিরি ইউনিয়নের দাখিনাইল, করুনিয়া, গাভীনা, সাগরদিঘীর পাড়, কাকৈরগড়া ইউনিয়নের ঝাঞ্জাইল বাজার, নগুয়া, তাতিরকোনা, লক্ষীপুর, বাকলজোড়া ইউনিয়নের কেট্টা, গুজিরকোনা, রামনগর, নাগেরগাতী, চন্ডিগড় ইউনিয়নের কেরনখলা, গোহালিয়াকান্দা, ফেচিয়া, সাতাশী এবং দুর্গাপুর পৌর এলাকার বুরুঙ্গা, মাকরাইল, চর মোক্তারপাড়া, মুজিবনগর, দক্ষিণপাড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার বহু বাড়িঘর পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। অনেক রাস্তাঘাট এবং মৎস্য খামার তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাহিদা ইয়াসমিন রোজী জানান, উপজেলার মোট ৩১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকেছে। শিক্ষার্থীরা আসতে না পারায় শনিবার ২১টি বিদ্যালয়ের অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এসব বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা লাগতে পারে। এদিকে উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, নিম্নাঞ্চলে সদ্য রোপনকৃত বেশকিছু আমন জমিতে পানি ঢুকেছে। দ্রুত পানি না সরলে ফসল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, দুর্গাপুরের পাহাড়ী নদী সোমেশ্বরীর পানি বিপদ সীমার ১৫০ সেঃ মিঃ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি কিছু প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছি।

প্রকাশিত : ১২ আগস্ট ২০১৭, ০৬:২৮ পি. এম.

১২/০৮/২০১৭ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: