১৭ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নওগাঁয় আটককৃত কালো এ্যালাচ হাইকোর্টে বৈধ ঘোষনা


নওগাঁয় আটককৃত কালো এ্যালাচ হাইকোর্টে বৈধ ঘোষনা

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ নওগাঁয় ডিবি পুলিশ কর্ত্তৃক আটক ১শ’ বস্তা কালো এ্যালাচ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোট বিভাগ কর্র্ত্তক বৈধ বলে ঘোষনা করে তা প্রকৃত মালিকের নিকট ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

সেই মোতাবেক প্রকৃত মালিকের কাছে এ্যালাচগুলো ফেরত দিয়েছে পত্নীতলা শুল্ক বিভাগ। তবে এ সময়ের মধ্যে ৭৪৪ কেজি এ্যালাচ শুল্ক বিভাগের পেটে চলে গেছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১০ লাখ ৪১ হাজার ৬শ’ টাকা। ঘটনাটি এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, গত ১৮-১০-১৬ তারিখে নওগাঁ সদর উপজেলার চক জাফরাবাদ (ডাক্তারের মোড়) গ্রামের মৃত মছির উদ্দিনের পুত্র সার ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল খালেকের গোডাউন থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ ১শ’ বস্তা কালো এ্যালাচ আটক করে। প্রতিটি বস্তায় ২০ কেজি করে এ্যালাচ ছিল।

আটক এ্যালাচের মুল্য কাষ্টমবিভাগ ৩০ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করে। ওই সময় আব্দুল খালেক দাবী করেছিলেন, এগুলো বৈধভাবে মেসার্স সনোম এন্টারপ্রাইজ, সান্তাহার রোড, বগুড়া থেকে ব্যবসার লক্ষ্যে ক্রয় করেছিলেন। প্রতিটি বস্তার ওপর ওই প্রতিষ্ঠানের নাম এবং মোবাইল নম্বর উল্লেখ ছিল।

সে সময় উক্ত আব্দুল খালেককে গ্রেফতারসহ এ্যালাচগুলো আটক করা হয়। এগুলোর মধ্যে এক বস্তা আদালতে নমুনা হিসেবে পাঠানো হয় এবং ৯৯ বস্তা এ্যালাচ পতœীতলা কাষ্টমস অফিসে জমা করা হয়। যার ওজন ১৯৮০ কেজি। কাষ্টম অফিস ১৯৮০ কেজি এ্যালাচ গ্রহন করে।

এ ব্যপারে মামলাটি’র শুনানী অন্তে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মিস কেস নং ২৪০৮৫/২০১৭ তারিখ ৩১/০৫/১৭ মোতাবেক এক আদেশে আটক এ্যালাচগুলো বৈধ ঘোষনা করে তা প্রকৃত মালিকের নিকট ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। হাইকোর্টের উক্ত আদেশ এবং জেলা প্রশাসকের পত্র নং ৫.৪৫.৬৪০০.১২.০৪.০০১.১৭.৮৫০ তারিখ ২১/০৬/১৭ মোতাবেক রবিবার পতœীতলা কাষ্টম অফিস থেকে মোঃ আব্দুল খালেকের নিকট উক্ত কালো এ্যালাচ ফেরত দেয়া হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানকার সহকারী কমিশনার ভুমি এবং কাষ্টম কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। ফেরত দেয়ার সময় প্রতিটি বস্তার মাঝখানে কেটে আবার সেলাই করা অবস্থায় দেখা যায়। আব্দুল খালেকের দাবী অনুযায়ী সেগুলো ওজন করলে ১২৩৬ কেজি কালো এ্যালাচ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে কাষ্টম বিভাগ কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। কখনও কখনও বলেছেন। ইঁদুরে খেয়েছে। এক্ষনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, যেহেতু মসলা সম্পূর্ন শুকনা থাকে সেহেতু ওজনের কমে যাওয়া, ইদুরে মসলা খায় কিনা এবং কোন কোন বস্তার গা কেটে তা আবার সেলাই করা কেন?

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: