১৭ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ বসুর মৃত্যু হয়নি


বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ বসুর মৃত্যু হয়নি

অনলাইন ডেস্ক ॥ কীভাবে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মৃত্যু হয়? বিতর্কিত এই প্রশ্নের উত্তর সঠিক উত্তর পেতে ভারতের সরকার তিনটি কমিশনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছিল। কমিশনগুলো হলো- শাহ নওয়াজ কমিটি (১৯৫৬), খোসলা কমিশন (১৯৭০) এবং মুখার্জি কমিশন (১৯৯৯)।

এর মধ্যে নওয়াজ কমিটি এবং খোসলা কমিশন জানিয়েছে, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট জাপানের তাইপেইয়ের তাইহোকু বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন সুভাষ চন্দ্র। কিন্তু মুখার্জি কমিশনের দাবি, বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়নি। তবে তাঁর এই দাবি ভারত সরকার প্রত্যাখ্যান করে।

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার সেই দাবি না মানলেও বিশেষজ্ঞরা থেমে থাকেননি। সত্য উদ্ঘাটনে মরিয়া ছিলেন তাঁরা।

সম্প্রতি ফ্রান্সভিত্তিক ইতিহাসবিদ জে বি পি মোরের এক গোপন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯৪৭ সালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হননি সুভাষ।

নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু তাইওয়ানের বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন এমন কোনো তথ্যও সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তাঁর অবস্থা সম্পর্কে কোনো কিছু জানা যায়নি।

মোর বলেন, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ চন্দ্র মারা যাননি। তিনি ইন্দো-চীন থেকে জীবিত অবস্থায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে তাঁর আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, এ থেকে বোঝা যায় নেতাজি কোনো এক স্থানে বেঁচে ছিলেন এবং ১৯৪৭ সালে মারা যাননি।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: