মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৬ আশ্বিন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের ১০ শতাংশ বরাদ্দ দাবি

প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৭, ০৪:৩৬ পি. এম.
স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের ১০ শতাংশ বরাদ্দ দাবি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রবিবার প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত ও ভোক্তা অধিকার’ শীর্ষক সেমিনারে এই দাবি জানায় সংগঠনটি। এতে মূল প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন ক্যাবের সহ-সভপতি এস.এম. নাজের হোসেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে, কোনো দেশে কোনো নাগরিকের স্বাস্থ্য ব্যয় তার সামগ্রিক ব্যয়ের ৩০ শতাংশের বেশি হলে সেই দেশে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল বলে বিবেচিত হয়। অথচ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তিগত ব্যয় ৬৩ শতাংশ।

নাজের হোসেন বলেন, বৃদ্ধ ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারিত করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্য সেবার মান নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত ও পাইলটিং বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

ক্যাবের সহ-সভাপতি বলেন, জনগণকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে হবে। একইসঙ্গে জাঙ্কফুড ও তামাকজাত পণ্যের মতো অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পণ্যে আসক্তি কমাতে সেগুলোর ওপর কর বাড়াতে হবে।

ক্যাবের চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.এ.কে. আজাদ চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. প্রাণ গোপাল, বাংলাদেল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তেরর মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম লস্কর প্রমুখ।

অধ্যাপক ড.এ.কে. আজাদ চৌধুরী বলেন, আমাদের স্ব স্ব দায়িত্ব মানা উচিৎ। তা না হলে দেশের কোনো খাতে উন্নয়ন হবে না। আর স্বাস্থ্য সেবায় উন্নতি করতে হলে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবার নিয়ম মানা প্রয়োজন।

মেজর জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন সাধনের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনেক বড় ভূমিকা পালন করছে। কার্ডিয়াক সার্জারিতে আমরা এখন অনেক উন্নয়ন করেছি। সারাদেশে মডেল ফার্মাসি করার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে ১৭ জেলায় মডেল ফার্মাসি স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ফার্মাসি দোকানগুলোকে লাইসেন্সের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। আমাদের সমস্যা আছে; ভোক্তা পর্যায়েও সমস্যা আছে। এ সমস্যা দূরীকরণে ভোক্তাকে অধিকার সম্পর্কে জানাতে হবে। একইসঙ্গে সচেতন করতে হবে।

ডা. প্রাণ গোপাল বলেন, শিক্ষা আর চিকিৎসা যখন বাণিজ্য ক্ষেত্রে পরিণত হয়- তখন দেশের উন্নতিও নষ্ট হয়। ফলে উন্নতি সাধনের জন্য এই খাতে বিশেষ নজর বাড়াতে হবে। প্রবীণদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের মূল্য কমানো এবং তাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন তিনি।

প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৭, ০৪:৩৬ পি. এম.

১৮/০৬/২০১৭ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: