মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২২.৮ °C
 
২৪ মে ২০১৭, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

সাইকেল চালালে ক্যান্সার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল ২০১৭, ১২:৩২ পি. এম.
সাইকেল চালালে ক্যান্সার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে

অনলাইন ডেস্ক ॥ বেশিদিন বাঁচতে চান? ক্যান্সার বা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে চান? তাহলে নিয়মিত সাইকেল চালান– এ কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

গবেষণায় দেখা গেছে, দ্বিচক্রযান হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনে। এতে আরও দেখা গেছে, গণ-পরিবহনে বা গাড়িতে বসে থাকার চেয়ে পায়ে হাঁটা বেশি উপকারী।

বিভিন্ন স্থানে এ নিয়ে গবেষণা হয়েছে। গ্লাসগোতে গবেষণা পরিচালনাকারীরা বলেন, সাইকেল চালানো একবার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেলে তাতে জিমে যাওয়ার মতো জোরালো ইচ্ছাশক্তির প্রয়োজন হয় না।

৫ বছর ধরে ২ লাখ ৫০ হাজার জনের ওপর চালানো এই গবেষণা এ বিষয়ে সবচেয়ে বড় গবেষণা। নিয়মিত ঘর থেকে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন, এমন ব্রিটিশদের নিয়ে পরিচালিত এই গবেষণায় মূলত সক্রিয় পরিবহন ব্যবহারকারী ও নিষ্ক্রিয় পরিবহন ব্যবহারকারীদের মধ্যে তুলনা করা হয়।

ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার ফলাফলে অবশ্য কার্য-কারণবিষয়ক সম্পর্ক সম্পূর্ণ পরিষ্কার নয়। কিন্তু ধূমপান, খাদ্যাভ্যাস বা স্থূলতার মতো অন্যান্য বিষয়গুলোর কথা বিবেচ না করলেও সাইক্লিংয়ের প্রভাব রয়েই যায়।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২ হাজার ৪৩০ জন মারা গেছেন, ৩ হাজার ৭৪৮ জন ক্যান্সার আক্রান্ত এবং ১১১০ জন হৃদরোগ ঝুঁকিতে ভুগছেন। কিন্তু গবেষণা চালানোর সময় দেখা গেছে, নিয়মিত সাইকেল চালালে যেকোনো ক্ষেত্রে মৃত্যু ঝুঁকি কমায় ৪১ শতাংশ। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ ও হৃদরোগের ক্ষেত্রে ৪৬ শতাংশ। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জেসনগিল বলেন, এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সক্রিয় যাতায়াতকারী, বিশেষত সাইকেল চালনাকারীদের জন্য স্বাস্থ্যের ঝুঁকি সবচেয়ে কম।

সাইক্লিস্টরা গড়ে সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা সাইকেল চালান। তবে যত বেশি সাইকেল চালানো যায় স্বাস্থ্যের জন্য তত ভাল। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে হাঁটাহাঁটি সহায়ক হলেও এ জন্য সপ্তাহে অন্তত ছয় ঘণ্টা হাঁটতেহয়। হাঁটার চেয়ে সাইক্লিং তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী বলে তা তুলনামূলক ভালো ব্যায়াম হিসেবে গণ্য করা হয়।

ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে-এর ক্লারাহাইড বলেন, এই গবেষণায় প্রমাণিতহয়েছে, নিত্যদিনের জীবনে পরিশ্রমের গুরুত্ব কতখানি। জিমে যাওয়া বা ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার দরকার নেই, কর্মস্থলে সাইকেল চালিয়ে যাওয়া বা গৃহস্থালীকাজে অংশ নেওয়াই যথেষ্ট।

তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন।

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল ২০১৭, ১২:৩২ পি. এম.

২১/০৪/২০১৭ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: