২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ই-ভোটিং ব্যবস্থা চাই


ই-ভোটিং ব্যবস্থা চাই

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ই-ভোটিং’ ব্যবস্থা চালু এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে স্থায়ী পদ্ধতি হিসেবে এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়নসহ চার দফা প্রস্তাব করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। রাষ্ট্রপতিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে একক এখতিয়ার প্রদান করে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত যে কোন ন্যায়সঙ্গত উদ্যোগের প্রতি আওয়ামী লীগের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপে দলের পক্ষ থেকে এসব প্রস্তাব দেয়া হয়। দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন।

সংলাপে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেন, নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ। অবাধ নির্বাচনে সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব হবে।

রাষ্ট্রপতির কাছে ৪ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের সিদ্ধান্ত নেবেন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যে রকম উপযুক্ত বিবেচনা করবেন সে প্রক্রিয়ায় তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রদান করবেন। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগের প্রতি আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকবে। ভবিষ্যতে নির্বাচন নিয়ে কোন বিতর্ক হোক এটা আমরা চাই না। জনগণ যাকে চাইবে তারাই নির্বাচিত হয়ে সরকার পরিচালনা করবে সেটাই আওয়ামী লীগ চায়।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বিকেল চারটায় বঙ্গভবনে পৌঁছলে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তাকে স্বাগত জানান। তার আগেই প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্য বঙ্গভবনে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের দরবার হলে পৌঁছানোর পর আলোচনা শুরু হয়। শুরুতেই রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে ধন্যবাদ জানান। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় বঙ্গভবন ত্যাগ করেন। এর পরই প্রতিনিধি দলের বাকি সদস্যরাও বঙ্গভবন ত্যাগ করেন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, এইচ টি ইমাম, এ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, এ্যাম্বাসেডর মোহাম্মদ জমির, সভাপতিম-লীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও আইনমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হাসিনা নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকে স্বচ্ছ করতে নির্বাচনে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে ই-ভোটিং সিস্টেম চালুর প্রস্তাব করেন। আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী দলের পক্ষ থেকে চার দফা প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

সন্ধ্যায় ধানম-িতে আওয়ামী লীগ সভাপতির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং পদ্ধতির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নেরও প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যে সিদ্ধান্ত নেবেন তার প্রতি অনুগত থাকারও কথা বলা হয়েছে। তিনি জানান, মূল ৪ দফা প্রস্তাবের পাশাপাশি নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ১১টি সুপারিশও করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের চার দফা প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- (১) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন। (২) প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যা উপযুক্ত বিবেচনা করবেন সে প্রক্রিয়ায় তিনি নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন। (৩) প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগের লক্ষ্যে সম্ভব হলে এখনই একটি উপযুক্ত আইন প্রণয়ন অথবা অধ্যাদেশ জারি করা যেতে পারে। সময় স্বল্পতার কারণে ইসি পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব না হলে পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় যেন এর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়, সংবিধানের নির্দেশনার আলোকে এখন থেকেই সে উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং (৪) অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বিরাজমান সব বিধিবিধানের সঙ্গে জনগণের ভোটাধিকার অধিকতর সুনিশ্চিত করার স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ই-ভোটিং চালু করা।

প্রস্তাবনা তুলে ধরার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও দেশের বিরাজমান সকল আইন-কানুনের ওপর শ্রদ্ধাশীল। মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সুগভীর প্রজ্ঞা ও সুবিবেচনার প্রতি আওয়ামী লীগের পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত যে কোন ন্যায়সঙ্গত উদ্যোগের প্রতি আওয়ামী লীগের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের যা বলেন ॥ বৈঠক শেষে রাতে ধানম-ির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের বিষয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, সময় স্বল্পতার কারণে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এখন সম্ভব না হলে পরবর্তী নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের সময় যেন এর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। তিনি বলেন, সংবিধানের নির্দেশনার আলোকে এখন থেকেই সে উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়।

ই-ভোটিংয়ের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বর্তমান বিরাজমান সব বিধিবিধানের সঙ্গে জনমানুষের ভোটাধিকার অধিকতর সুনিশ্চিত করার স্বার্থেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ই-ভোটিং প্রবর্তন করতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ইস্যুতে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, সংলাপে দলের পক্ষ থেকে ৪ দফা প্রস্তাবের পাশাপাশি ১১ দফা সুপারিশও পেশ করা হয়েছে। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- একটি স্বাধীন ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনকালীন নির্বাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/ সংস্থার দায়িত্বশীলতা, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও এর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীর দায়িত্বশীলতা ও নিরপেক্ষ আচরণ, ছবিযুক্ত একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা এবং ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচন কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা, নির্বাচন পরিচালনায় বেসরকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীর পরিবর্তে কেবল প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রিজাইডিং অফিসার থেকে পোলিং অফিসার পদে নিয়োগ করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল আচরণ, দেশী/বিদেশী পর্যবেক্ষক থেকে শুরু করে মিডিয়া ও সিভিল সোসাইটির সদস্যদের নির্মোহ তৎপরতা, নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থের প্রয়োগ বন্ধ এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সকল পর্যায়ের ভোটারের অবাধ ভোটদানের সুযোগ নিশ্চিত করা, নির্বাচনের পূর্বে ও পরে এবং নির্বাচনের দিন ভোটারসহ সর্বসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নির্বাচনকালীন প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আবশ্যকীয় সকল সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত করা এবং সবশেষে নির্বাচনীকালীন সরকারের কর্মপরিধি কেবল আবশ্যকীয় দৈনন্দিন (রুটিন) কার্যাবলীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচটি ইমাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, একেএম এনামুল হক শামীম, মিসবাউদ্দিন সিরাজ, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ রোকেয়া সুলতানা, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল বোস, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, আনোয়ার হোসেন, রিয়াজুল কবির কাওছার, মারুফা আকতার পপি, রোমন্ড আরেং প্রমুখ।

আরও কয়েকটি দলকে সংলাপের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন রাষ্ট্রপতি ॥ নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপে পঞ্চম দফায় আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানাবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। ২৪ দিন আগে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই সংলাপে বুধবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলটির সঙ্গে সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানান, আগামী সপ্তাহে আরও কয়েকটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় অংশ নেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।

উল্লেখ্য, সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। এবার চার দফায় মোট ২৩টি দলকে আলোচনায় আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি। ২০১২ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই ‘সার্চ কমিটির’ মাধ্যমে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠন করে দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মরহুম জিল্লুর রহমান।

আগামী ফেব্রুয়ারিতে এ কমিশনের মেয়াদ শেষে নতুন যে ইসি দায়িত্ব নেবে, তাদের অধীনেই ২০১৯ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে। এবারও যে রাষ্ট্রপতি ‘সার্চ কমিটি’র মাধ্যমে নতুন কমিশন নিয়োগ দেবেন, সে বিষয়টি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আগেই জানিয়েছিলেন। তবে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে এখনও কোন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি।