২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখার উদাসীনতার অভিযোগ


নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া ॥ কলাপাড়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৫০ জন শিক্ষক ঈদ-উল-ফিতরের উৎসব ভাতা পায়নি। বঞ্চিতদের অভিযোগ সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখার কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারনে তারা এ উৎসব ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এ ব্যাংকটিতে হিসাব পরিচালনাধারী ১৮টি মাদ্রাসা, প্রায় ৩০টি মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং চারটি কলেজের শিক্ষকরা এ ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ফলে তাদের ঈদ উৎসব ম্লান হয়ে গেছে। পক্ষান্তরে একই উপজেলার রূপালী ব্যাংকের কলাপাড়া শাখায় হিসাব পরিচালনাকারী ৭/৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ঈদের উৎসব ভাতা যথাসময় পেয়েছেন। নাওভাঙ্গা সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জিয়াউল ইসলাম জানান, এমপিওভুক্ত ২২টি মাদ্রাসার মধ্যে চারটির হিসাব রূপালী ব্যাংকে। ওই চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক উৎসব ভাতা পেয়েছেন। অথচ সোনালী ব্যাংকে হিসাব পরিচালনাকারী ১৮টি মাদ্রাসার প্রায় ৩৪০ জন শিক্ষক উৎসব ভাতা পায়নি। মোজাহারউদ্দিন বিশ^াস অনার্স কলেজের অধ্যক্ষ দেলওয়ার হোসেন জানান, তাদের কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীসহ ৫৬ জনের কেউ ঈদ উৎসব ভাতা পায়নি। একই দশা ধানখালী ডিগ্রি কলেজ, কলাপাড়া মহিলা কলেজ ও কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজের। এমন বেহাল দশায় পড়েছেন অন্তত ২২টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৪৫০ জন শিক্ষক-কর্মচারী। তারাও কেউ ঈদের উৎসব ভাতা পাননি। ফলে উৎসবভাতা বঞ্চিত শিক্ষকের মধ্যে এক ধরনের হতাশা বিরাজ করছে। কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বিশ^াস ক্ষোভ প্রকাশ করে এ গাফিলতির জন্য সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দায়ী করেছেন। সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখার ম্যানেজার মোশারফ হোসেন খান জানান, উৎসব ভাতার সীট যথাসময়ে এসে পৌছেনি। তাই সকল শিক্ষকদের ঈদ-উল-ফিতরের উৎসব ভাতা দেয়া যায় নি। তবে কতিপয় শিক্ষককে বৃহস্পতিবার শেষ বিকালে উৎসব ভাতা দিয়েছেন বলে তার দাবি। রূপালী ব্যাংকের হিসাবধারীরা কেন আগাম পেল এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, তাদের কাগজপত্র আগেই পৌছেছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: