২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেবেন না


স্টাফ রিপোর্টার ॥ গুলশানের আর্টিজান রেস্তরাঁয় জঙ্গী হামলা, পুরোহিত হত্যাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের কোন অবস্থাতেই ছাড় না দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, যে কোন মূল্যে মৌলবাদীদের প্রতিহত করতে হবে। এজন্য জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। উগ্র-মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

গুলশানের রেস্তরাঁয় জঙ্গী হামলার ঘটনায় সারাদেশে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটারেও নিন্দা জানিয়েছেন হাজার-হাজার মানুষ। তাদের দাবি দ্রুত অপরাধী ও ঘটনার মদদদাতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

গুলশান-২ নম্বরের হলি আর্টিজান বেকারি নামের রেস্তরাঁয় জঙ্গী হামলার ঘটনায় জড়িত কোন অপশক্তিকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি তার এ অবস্থান তুলে ধরেন। শনিবার ভোর সাড়ে ৫টায় তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। বর্তমানে তিনি ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে অবস্থান করছেন। যদিও এটি তার নিজের ফেসবুক এ্যাকাউন্ট কিনাÑ তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে গুলশানের রেস্তরাঁয় সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দা জানান। খালেদা জিয়া বলেন, দুষ্কৃতকারী কর্তৃক সংঘটিত প্রাণবিনাশী ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ফলে সৃষ্ট অগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি মিলেমিশে দেশে এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, যা পৈশাচিক স্বৈরতন্ত্রে অধপতিত হয়েছে। যার বিকৃত প্রতিক্রিয়া সারাদেশে ফুটে উঠতে শুরু করেছে। দুষ্কৃতকারীদের নির্মম রক্তাক্ত অভ্যুত্থান দেশে ‘বিরাজমান দুঃশাসনেরই বহির্প্রকাশ’ বলে মনে করেন তিনি।

তীব্র নিন্দা রওশনের ॥ শুক্রবার থেকে শুরু করে শনিবার সকাল পর্যন্ত দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সংঘটিত প্রাণহানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এমপি। শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দা জানান।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ শান্তিপ্রিয় দেশ। হাজার বছর ধরে এদেশে শান্তির সুবাতাস বয়ে চলছে। এ দেশে শান্তিপ্রিয় বিভিন্ন ধর্মের, বর্ণের, গোত্রের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চায়। এছাড়া কোন ধর্ম সন্ত্রাসী কর্মকা- সমর্থন করে না। প্রত্যেক ধর্মেই শান্তির বাণী বহমান রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো শান্তিপ্রিয় এ দেশে এমন নারকীয় হত্যাকা- কখনও যেন না হয় সেজন্য সরকারকে আরও বেশি কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দেশের জনগণকে সচেতন হয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা-ে নিজ নিজ আত্মীয়স্বজন এমনকি পরিবারের সদস্যরা এমন ঘৃণিত কাজে যেন জড়াতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বিরোধীদলীয় নেতা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এই জিম্মি ঘটনা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অল্প সময়ে মোকাবেলার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি এ ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিহত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং একই সঙ্গে নিহত বিদেশীদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সর্বদলীয় বৈঠক আয়োজনের আহ্বান এরশাদের ॥ গুলশানের আর্টিজান রেস্তরাঁয় হামলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সেবায়েত হত্যাকা- ও একের পর এক সন্ত্রাসী ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকার কূটনৈতিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত, অভিজাত গুলশান এলাকায় ‘হলি আর্টিজান বেকারি’ রেস্তরাঁয় সন্ত্রাসী হামলা, দেশী-বিদেশী নাগরিকদের জিম্মি করা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ছাড়াও সেনা, নৌ ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগ সত্ত্বেও প্রায় ১২ ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর বন্দুকযুদ্ধ চলে।

এরশাদ এ ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যারা সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত ও যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের আশু আরোগ্য কামনা করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারসমূহের জন্য সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, এ দেশে উগ্র-সন্ত্রাসবাদ বিস্তারের বিষয়টিকে আর ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। এটি এখন ব্যক্তি নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাচ্ছে না। সন্ত্রাসবাদমুক্ত নিরাপদ দেশ হিসেবে আমাদের পরিচয় আজ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য, দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ, পর্যটন ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক যেকোন সম্পর্ক ও কর্মকা-ে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বেÑ ধরে নেয়া যায়। এই প্রেক্ষিতে, দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির সম্মুখীন। ফলশ্রুতিতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হবে অপরিসীম।

এরশাদ বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করার জন্য কয়েক দিন আগে আমি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। অদ্ভুত পরিস্থিতিতে আবারও সেই আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকার সদস্যদের এক জরুরী সভায় শুক্রবারের বর্বরোচিত জঙ্গী হামলার তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। শনিবার পল্টনের মুক্তিভবনে সিপিবির কেন্দ্রীয় অফিসে দলের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেনÑ মনজুরুল আহসান খান, হায়দার আকবর খান রনো, শামছুজ্জামান সেলিম, আহসান হাবিব লাবলু, অধ্যাপক এম এম আকাশ, কাফি রতন, মোজাম্মেল হক তারা, অধ্যাপিকা এ এন রাশেদা, মাহাবুব আলম, লুৎফর রহমান, রুহুল আমিন প্রমুখ। সভায় সিপিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, সিপিবি-উদীচী-ছায়ানটে বোমা হামলা থেকে শুরু করে একের পর এক গুপ্তহত্যা দেশী-বিদেশী চক্রান্তেরই অংশ। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীকে সাম্রাজ্যবাদের গ্লোবাল ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই মূল্যায়ন করেন।

গুলশানের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মহাসচিব মেজর (অব) আবদুল মান্নান। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ ন্যক্কারজনক ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। নেতারা নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির ॥ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সকল প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। গুলশানের একটি রেস্তরাঁয় জঙ্গীদের হামলায় ২০ জনকে হত্যা ও জিম্মি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তারা বিবৃতিতে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় গুপ্তহত্যা, টার্গেট কিলিংয়ের ধারাবাহিকতায় দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের আরেকটি বহির্প্রকাশ ঘটল গুলশান-২ এর একটি রেস্তরাঁয় সংঘটিত সন্ত্রাসী জঙ্গী আক্রমণ ও জিম্মি করার ঘটনায়।

নেতৃবৃন্দ জঙ্গীগোষ্ঠীর এ বর্বর আক্রমণ এবং দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় এ দেশের সকল প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। আজ বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে গুলশানে জঙ্গীদের আক্রমণের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন গণসংগঠনের প্ল্যাটফর্ম খুন-ধর্ষণ-জঙ্গীবাদবিরোধী গণআন্দোলনের উদ্যোগে দেশব্যাপী গুম, খুন, ধর্ষণ ও জঙ্গী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঝিনাইদহে পুরোহিত হত্যাকা-, ঝালকাঠিতে মুয়াজ্জিন হত্যাকা-, বান্দরবানে আদিবাসী হত্যাকা- এবং গুলশানের রেস্তরাঁয় জঙ্গী হামলা ও হত্যাকা-ের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ডক্টরস ফর হেলথ এ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ কাজী রকিবুল ইসলাম। সমাবেশটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সহকারী সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন। এতে বক্তব্য রাখেনÑ বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সহসভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমান, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি এ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, সাবেক যুবনেতা আবদুল্লাহ আল ক্বাফী রতন, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন খান, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির নির্বাহী সদস্য মোতালেব হোসেন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আদনান রিয়াদ, ইঞ্জিনিয়ার এ্যান্ড আর্কিটেক্টস ফর এনভায়রনমেন্ট এ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নিমাই গাঙ্গুলী, আদিবাসী যুব পরিষদের সভাপতি হরেন্দ্রনাথ সিং, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকী আক্তার প্রমুখ।

বাংলাদেশসহ বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রের ওপর হামলা -জাসদ ॥ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি গুলশানের রেস্তরাঁয় জঙ্গীবাদী সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কর্তৃক বেশ কয়েকজন দেশী-বিদেশী নিরীহ নাগরিকসহ কর্তব্য পালনকারী দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পৈশাচিকভাবে হত্যা এবং কয়েকজনকে জখম করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

শনিবার বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, হত্যাকারীদের আক্রমণের ধরনই প্রমাণ করেছে, তারা জিম্মি করে তাদের দাবি আদায়ের কোন সমঝোতার জন্য নয়, হত্যা করে তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তারা কোন সমঝোতার পথে না গিয়ে নির্বিচারে হত্যা করে। কিন্তু পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ত্বরিতগতিতে পদক্ষেপ নেয়ায় হত্যাকারীরা নিহত হয়। তারা বলেন, এ হামলা জঙ্গীবাদীদের ঘৃণ্য বর্বর মানসিকতার নগ্ন বহির্প্রকাশ। এ হামলা বাংলাদেশসহ বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রের ওপর হামলা। তারা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র-উন্নয়ন-শান্তির ধারাকে ধ্বংস করে ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যযুগীয় বর্বরতা কায়েমই এ ঘৃণ্য জঙ্গীবাদী গোষ্ঠীর মূল উদ্দেশ্য।

এছাড়া এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেÑ গণমুক্তি ইউনিয়ন, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: