২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ভারতের উত্তরাখণ্ডে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯


ভারতের উত্তরাখ- রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। খবর এনডিটিভির।

পিথোরাগড় এলাকায় শুক্রবার গভীর রাতে প্রবল বৃষ্টিতে ভূমিধস শুরু হলে ছয়টি বাড়ি চাপা পড়ে। এতে তিন শিশুসহ ১১ জন প্রাণ হারান। দিদিহাট এলাকার এ ঘটনায় আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার ভোরে চামোলি এলাকায় সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার পানির তোড়ে চারজন ভেসে যায়। হরিদ্বারে গঙ্গা নদীর পানি বিপদসীমার দুই মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার কাজ চালানোর জন্য জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) চারটি দলসহ সেনাবাহিনী ও ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশকে ডাকা হয়েছে। এনডিআরএফের মহাপরিচালক ওপি সিং বলেন, ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে শুক্রবার রাতে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। আলোর স্বল্পতা ও অবরুদ্ধ রাস্তার কারণে উদ্ধারকাজে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়ছে আমাদের দলগুলো। আবহাওয়া বিভাগ রাজ্যের গারোয়াল ও কুমায়ন অঞ্চলের সাতটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টির কারণে শনিবার রাত থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সতর্কতা জারি করেছে। ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ সরাতে ও রাস্তা পরিষ্কার করতে উদ্ধারকারী দলগুলো যুদ্ধপরিস্থিতি মোকাবেলার মতো প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে দুই লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মৃতদের জন্য শোক ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সিরীয় বিদ্রোহীদের গুরুত্বপূর্ণ শহর পুনর্দখল

সিরিয়ার উপকূলীয় প্রদেশ লাতাকিয়ায় সরকারী বাহিনীর কাছ থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর পুনর্দখল করেছে বিদ্রোহীরা। শুক্রবার এই এলাকায় বিদ্রোহীদের পক্ষে বিরল এ অগ্রগতি সম্ভব হয় বলে জানিয়েছে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস। খবর ওয়েবসাইটের।

রুশ বিমান হামলার ছত্রছায়ায় ফেব্রুয়ারিতে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছিল সিরীয় সরকারী বাহিনী। ওই সময়ই কানসাবা শহরটি পুনরুদ্ধার করেছিল তারা। ওই মাসের শেষের দিকে দুপক্ষের মধ্যে একটি অস্ত্রবিরতির চুক্তি হলে সাময়িকভাবে লড়াই বন্ধ হয়। কিন্তু সম্প্রতি লড়াই ফের শুরু হয়। কানসাবা পুনর্দখলে ভূমিকা রাখা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আল কায়েদার অনুগত নুসরা ফ্রন্টও রয়েছে।

এই শহরটি এক সময় নুসরা ফ্রন্টের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল। এই শহরটি থেকে তুর্কি সীমান্তের নিকটবর্তী জাবাল আকরাদ পর্বতমালার অধিকাংশ এলাকার ওপর নজর রাখা যায় বলে জানিয়েছে অবজারভেটরি। ব্রিটিশভিত্তিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীটি আরও জানিয়েছে, গত সপ্তাহের প্রথমদিকে শুরু হওয়া বিস্তৃত এক অভিযানের অংশ হিসেবে শহরটি বিদ্রোহীদের দখলে আসে।